ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

কক্সবাজার জেলায় যুক্ত হচ্ছে আরো একটি উপজেলা

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত কক্সবাজার জেলায় বর্তমানে ৯টি উপজেলা রয়েছে। প্রস্তাবিত মাতামুহুরী উপজেলা আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেলে এটি হবে পর্যটনসমৃদ্ধ জেলার দশম উপজেলা।
নতুন উপজেলা গঠনের অংশ হিসেবে তিনটি নতুন ইউনিয়ন তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলো হলো— হারবাং ইউনিয়ন থেকে পৃথক করে উত্তর হারবাং ইউনিয়ন, বরইতলী ইউনিয়ন থেকে পহরচাঁদা ইউনিয়ন এবং ডুলহাজারা ইউনিয়ন থেকে মালুমঘাট ইউনিয়ন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোট ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে মাতামুহুরী উপজেলা গঠন করা হবে। ইউনিয়নগুলো হলো— সাহারবিল, ভেওলা মানিকচর, পূর্ব বড় ভেওলা, পশ্চিম বড় ভেওলা, কোনাখালী, ঢেমুশিয়া ও বদরখালী। এসব ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মাতামুহুরী নদী প্রবাহিত হয়েছে। মূলত এই নদীর নামেই নতুন উপজেলার নামকরণ প্রস্তাব করা হয়েছে।

এরই মধ্যে প্রশাসনিক এলাকা নির্ধারণ ও সার্বিক নিরীক্ষার অংশ হিসেবে প্রথম সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, ‘মাতামুহুরী উপজেলা গঠন দীর্ঘদিনের জনদাবি। প্রশাসনিক তৎপরতার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি চকরিয়া উপজেলায় নতুন তিনটি ইউনিয়ন সৃষ্টির প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

সভায় অংশ নিয়ে কক্সবাজার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ-এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম সপ্তাহে মাতামুহুরী উপজেলা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)-এর প্রথম সভাতেই নতুন উপজেলা অনুমোদন পাবে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বৃহত্তর চকরিয়া উপজেলা থেকে পৃথক করে পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সালাহউদ্দিন আহমদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মাতামুহুরী উপজেলা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রেস সচিব ছাফওয়ানুল করিম বলেন, ‘প্রায় ২৫ বছর আগে মাতামুহুরীকে সাংগঠনিক উপজেলা ঘোষণা করে জেলা বিএনপি কমিটি গঠন করেছিল। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হিসেবে বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন এবং চকরিয়া-পেকুয়া অঞ্চলে জনগণের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি উন্নয়ন সাধিত হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

কক্সবাজার জেলায় যুক্ত হচ্ছে আরো একটি উপজেলা

আপডেট সময় ০৭:৩৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত কক্সবাজার জেলায় বর্তমানে ৯টি উপজেলা রয়েছে। প্রস্তাবিত মাতামুহুরী উপজেলা আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেলে এটি হবে পর্যটনসমৃদ্ধ জেলার দশম উপজেলা।
নতুন উপজেলা গঠনের অংশ হিসেবে তিনটি নতুন ইউনিয়ন তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলো হলো— হারবাং ইউনিয়ন থেকে পৃথক করে উত্তর হারবাং ইউনিয়ন, বরইতলী ইউনিয়ন থেকে পহরচাঁদা ইউনিয়ন এবং ডুলহাজারা ইউনিয়ন থেকে মালুমঘাট ইউনিয়ন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোট ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে মাতামুহুরী উপজেলা গঠন করা হবে। ইউনিয়নগুলো হলো— সাহারবিল, ভেওলা মানিকচর, পূর্ব বড় ভেওলা, পশ্চিম বড় ভেওলা, কোনাখালী, ঢেমুশিয়া ও বদরখালী। এসব ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মাতামুহুরী নদী প্রবাহিত হয়েছে। মূলত এই নদীর নামেই নতুন উপজেলার নামকরণ প্রস্তাব করা হয়েছে।

এরই মধ্যে প্রশাসনিক এলাকা নির্ধারণ ও সার্বিক নিরীক্ষার অংশ হিসেবে প্রথম সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, ‘মাতামুহুরী উপজেলা গঠন দীর্ঘদিনের জনদাবি। প্রশাসনিক তৎপরতার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি চকরিয়া উপজেলায় নতুন তিনটি ইউনিয়ন সৃষ্টির প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

সভায় অংশ নিয়ে কক্সবাজার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ-এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম সপ্তাহে মাতামুহুরী উপজেলা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)-এর প্রথম সভাতেই নতুন উপজেলা অনুমোদন পাবে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বৃহত্তর চকরিয়া উপজেলা থেকে পৃথক করে পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সালাহউদ্দিন আহমদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মাতামুহুরী উপজেলা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রেস সচিব ছাফওয়ানুল করিম বলেন, ‘প্রায় ২৫ বছর আগে মাতামুহুরীকে সাংগঠনিক উপজেলা ঘোষণা করে জেলা বিএনপি কমিটি গঠন করেছিল। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হিসেবে বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন এবং চকরিয়া-পেকুয়া অঞ্চলে জনগণের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি উন্নয়ন সাধিত হবে।