ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

মাদক, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের

ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ও আপসহীন অবস্থান ঘোষণা করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মাদক, চাঁদাবাজি ও শালিসি বানিজ্যের বিরুদ্ধে আমাদের ঘোষণা চূড়ান্ত এবং নির্মমভাবে স্পষ্ট—কোনো আপস নয়, কোনো ছাড় নয়, কোনো দয়া নয়।”

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি, সুস্থ সবল জীবন গড়ি, আপনাদের সকলকে জানাই পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।
আপনারা অবগত হবেন যে, জনআকাঙ্খিত নবগঠিত বিএনপি সরকার মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মানে বদ্ধপরিকর, এর বিপরীতে সমাজে যাহারা মাদক সেবন, মাদক ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি অপরাধ মুলক কাজে জড়িত রয়েছেন তাহাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য ইতিমধ্যেই বিএনপি সরকার আইনগত কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সে আলোকে বোরহানউদ্দিনে মাদক নির্মূলে প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আমার অগ্রাধিকার ভিত্তিক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে। বর্তমানে মাদক সেবন এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে দলীয় কেউ জড়িত থাকলে তাহার বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া দলীয় কোন নেতা-কর্মী অবৈধ দখল ও পক্ষপাত মুলক বিচার-শালিশে জড়িত থাকলে তাহার বিরুদ্ধেও দলীয় শাস্তিমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখিত বিষয় ছাড়াও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটে এই রকম সকল প্রকার কর্মকান্ড থেকে দলীয় নেতা-কর্মী সহ সর্বস্তরের জনগণকে বিরত থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

তিনি আরও বলেন, সমাজ আর নীরব থাকবে না। মাদক সংশ্লিষ্ট প্রতিটি স্পট চিহ্নিত করা হবে, প্রতিটি চক্র ভেঙে দেওয়া হবে এবং জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। অভিযান হবে নিরপেক্ষ, দৃশ্যমান ও ধারাবাহিক। নাম, পদবি বা পরিচয়ের আড়ালে কেউ নিরাপদ থাকবে না।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এমন কঠোর বার্তা মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগে গতি আনতে পারে। তবে তারা একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও মানবাধিকারসম্মত প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যাতে প্রকৃত অপরাধীরাই বিচারের আওতায় আসে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

মাদক, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের

আপডেট সময় ০৬:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ও আপসহীন অবস্থান ঘোষণা করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মাদক, চাঁদাবাজি ও শালিসি বানিজ্যের বিরুদ্ধে আমাদের ঘোষণা চূড়ান্ত এবং নির্মমভাবে স্পষ্ট—কোনো আপস নয়, কোনো ছাড় নয়, কোনো দয়া নয়।”

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি, সুস্থ সবল জীবন গড়ি, আপনাদের সকলকে জানাই পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।
আপনারা অবগত হবেন যে, জনআকাঙ্খিত নবগঠিত বিএনপি সরকার মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মানে বদ্ধপরিকর, এর বিপরীতে সমাজে যাহারা মাদক সেবন, মাদক ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি অপরাধ মুলক কাজে জড়িত রয়েছেন তাহাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য ইতিমধ্যেই বিএনপি সরকার আইনগত কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সে আলোকে বোরহানউদ্দিনে মাদক নির্মূলে প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আমার অগ্রাধিকার ভিত্তিক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে। বর্তমানে মাদক সেবন এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে দলীয় কেউ জড়িত থাকলে তাহার বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া দলীয় কোন নেতা-কর্মী অবৈধ দখল ও পক্ষপাত মুলক বিচার-শালিশে জড়িত থাকলে তাহার বিরুদ্ধেও দলীয় শাস্তিমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখিত বিষয় ছাড়াও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটে এই রকম সকল প্রকার কর্মকান্ড থেকে দলীয় নেতা-কর্মী সহ সর্বস্তরের জনগণকে বিরত থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

তিনি আরও বলেন, সমাজ আর নীরব থাকবে না। মাদক সংশ্লিষ্ট প্রতিটি স্পট চিহ্নিত করা হবে, প্রতিটি চক্র ভেঙে দেওয়া হবে এবং জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। অভিযান হবে নিরপেক্ষ, দৃশ্যমান ও ধারাবাহিক। নাম, পদবি বা পরিচয়ের আড়ালে কেউ নিরাপদ থাকবে না।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এমন কঠোর বার্তা মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগে গতি আনতে পারে। তবে তারা একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও মানবাধিকারসম্মত প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যাতে প্রকৃত অপরাধীরাই বিচারের আওতায় আসে।