ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সঞ্জিত মালাকার থেকে আবদুর রহমান: ধর্মান্তর, বিয়ে, ২০ লাখ টাকা ও পিতৃপরিচয়ের জটিলতা সালমান শাহ হত্যা মামলা : খলনায়ক ডনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন বালিয়াডাঙ্গীতে স্কুলের ৪৭ শতক জমি নিয়ে বিরোধ, উদ্ধারে মানববন্ধন সিলেট পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে নিয়াজুর-সুবর্ণা দম্পতিকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ ডিজিটাল নম্বর প্লেটের নামে ১৫০০ কোটি টাকা আদায়, ৫৪ লাখ গ্রাহক বিপাকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগে যুগ্ম সচিব মোর্শেদা ফেরদৌসকে ঘিরে নানা অভিযোগ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে বড় ধস, চার বছরে ঘাটতি হাজার কোটি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে যন্ত্র বিকলের নামে ৪৭ লাখ টাকা লোপাট! আওয়ামী আমলের প্রভাবশালী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে, উঠছে নানা প্রশ্ন সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ অবদান রাখায় নিসচা বিশেষ সম্মাননা পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল
৫ম পর্বের ১ম পর্ব

ঢাকা ওয়াসা এ আর ও আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যত অভিযোগ

  • মোঃ মামুন হোসেন
  • আপডেট সময় ০২:০০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭০৮ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব জোন-৫ এর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ( এ আর ও) আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ারুল ইসলাম ঢাকা ওয়াসার পিপিআই রাজস্ব জোনে আউটসোর্সিং বিলিং সহকারী হিসেবে প্রথমে চাকরিতে যোগদান করেন। ঢাকা ওয়াসার তৎকালীন সিবিএ সভাপতি ও আওয়ামী শ্রমিক লীগের নেতার ভাই ও ওয়াসার পাম্প অপারেটর সামসুজ্জামান এর মেয়ের জামাই হচ্ছেন আনোয়ারুল ইসলাম।
আত্মীয়তার সুবাদে তিনি পিপিআই রাজস্ব জোনে আউটসোর্সিং বিলিং সহকারী পদে যোগদান করে, শ্বশুরের ক্ষমতার ছত্রছায়ায় আন্ডার বিলিং, মিটার টেম্পারিঙ ও অবৈধ পানির লাইন সংযোগ দেয়ার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নিজে ডিউটি না করে ব্যক্তিগত নিয়োগকৃত ডুপলি দিয়ে ডিউটি করাতেন।
শ্বশুরের ক্ষমতার ছত্রছায়ায় ধরাকে সরাজ্ঞান করতেন। তখন এই আনোয়ারুল ইসলাম,ঐ সিবিএ নেতার ভাতিজা ফাহাদ আল রশীদ ও নেতার শ্যালক মিলে ওয়াসায় একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠে।
সূত্র জানায়, পরবর্তীতে আনোয়ারুল ইসলাম ওয়াসার নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে চাচা শ্বশুর সিবিএ নেতার সহযোগিতায় ওয়াসায় স্থায়ী সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে নতুন মাত্রায় তার দুর্নীতি শুরু হয়।
তার অধীনস্থ রাজস্ব পরিদর্শক ও বিলিং সহকারীদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় ও ঘুষের বিনিময়ে সাইট বরাদ্দ ব্যবসা শুরু করেন। ইতিপূর্বে যে যে জোনে আনোয়ারুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেছেন, সেই জোনকে দুর্নীতির অভয়াশ্রমে পরিনত করেছেন।
সূত্রমতে, রাজস্ব জোনে ৫ এ যোগদানের পূর্বে হেড অফিসে সেন্ট্রাল ফাংশনে কর্মরত থাকা কালীন ঘুষের বিনিময়ে কয়েক জন কর্মকর্তার দুর্নীতির ফাইল তিনি গায়েব করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এমনকি ঢাকা ওয়াসার দুর্নীতিবাজ রাজস্ব পরিদর্শক হারুনুর রশিদ রানার দুর্নীতি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটিতে তাকে রাখা হয়েছিল। আনোয়ারুল ইসলাম হারুন রানার কাছ থেকে বড় অংকের ঘুষ নিয়ে তার পক্ষে রিপোর্ট দিয়েছে বলে জানা গেছে।
আনোয়ারুল ইসলাম অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। স্বল্প বেতনের কর্মচারী এখন প্রচুর বিত্ত বৈভবের মালিক।
তার অবৈধ সম্পদের ফিরিস্তি থাকবে পরবর্তী পর্বে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সঞ্জিত মালাকার থেকে আবদুর রহমান: ধর্মান্তর, বিয়ে, ২০ লাখ টাকা ও পিতৃপরিচয়ের জটিলতা

৫ম পর্বের ১ম পর্ব

ঢাকা ওয়াসা এ আর ও আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যত অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:০০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব জোন-৫ এর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ( এ আর ও) আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ারুল ইসলাম ঢাকা ওয়াসার পিপিআই রাজস্ব জোনে আউটসোর্সিং বিলিং সহকারী হিসেবে প্রথমে চাকরিতে যোগদান করেন। ঢাকা ওয়াসার তৎকালীন সিবিএ সভাপতি ও আওয়ামী শ্রমিক লীগের নেতার ভাই ও ওয়াসার পাম্প অপারেটর সামসুজ্জামান এর মেয়ের জামাই হচ্ছেন আনোয়ারুল ইসলাম।
আত্মীয়তার সুবাদে তিনি পিপিআই রাজস্ব জোনে আউটসোর্সিং বিলিং সহকারী পদে যোগদান করে, শ্বশুরের ক্ষমতার ছত্রছায়ায় আন্ডার বিলিং, মিটার টেম্পারিঙ ও অবৈধ পানির লাইন সংযোগ দেয়ার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নিজে ডিউটি না করে ব্যক্তিগত নিয়োগকৃত ডুপলি দিয়ে ডিউটি করাতেন।
শ্বশুরের ক্ষমতার ছত্রছায়ায় ধরাকে সরাজ্ঞান করতেন। তখন এই আনোয়ারুল ইসলাম,ঐ সিবিএ নেতার ভাতিজা ফাহাদ আল রশীদ ও নেতার শ্যালক মিলে ওয়াসায় একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠে।
সূত্র জানায়, পরবর্তীতে আনোয়ারুল ইসলাম ওয়াসার নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে চাচা শ্বশুর সিবিএ নেতার সহযোগিতায় ওয়াসায় স্থায়ী সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে নতুন মাত্রায় তার দুর্নীতি শুরু হয়।
তার অধীনস্থ রাজস্ব পরিদর্শক ও বিলিং সহকারীদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় ও ঘুষের বিনিময়ে সাইট বরাদ্দ ব্যবসা শুরু করেন। ইতিপূর্বে যে যে জোনে আনোয়ারুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেছেন, সেই জোনকে দুর্নীতির অভয়াশ্রমে পরিনত করেছেন।
সূত্রমতে, রাজস্ব জোনে ৫ এ যোগদানের পূর্বে হেড অফিসে সেন্ট্রাল ফাংশনে কর্মরত থাকা কালীন ঘুষের বিনিময়ে কয়েক জন কর্মকর্তার দুর্নীতির ফাইল তিনি গায়েব করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এমনকি ঢাকা ওয়াসার দুর্নীতিবাজ রাজস্ব পরিদর্শক হারুনুর রশিদ রানার দুর্নীতি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটিতে তাকে রাখা হয়েছিল। আনোয়ারুল ইসলাম হারুন রানার কাছ থেকে বড় অংকের ঘুষ নিয়ে তার পক্ষে রিপোর্ট দিয়েছে বলে জানা গেছে।
আনোয়ারুল ইসলাম অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। স্বল্প বেতনের কর্মচারী এখন প্রচুর বিত্ত বৈভবের মালিক।
তার অবৈধ সম্পদের ফিরিস্তি থাকবে পরবর্তী পর্বে।