ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সালমান শাহ হত্যা মামলা : খলনায়ক ডনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন বালিয়াডাঙ্গীতে স্কুলের ৪৭ শতক জমি নিয়ে বিরোধ, উদ্ধারে মানববন্ধন সিলেট পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে নিয়াজুর-সুবর্ণা দম্পতিকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ ডিজিটাল নম্বর প্লেটের নামে ১৫০০ কোটি টাকা আদায়, ৫৪ লাখ গ্রাহক বিপাকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগে যুগ্ম সচিব মোর্শেদা ফেরদৌসকে ঘিরে নানা অভিযোগ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে বড় ধস, চার বছরে ঘাটতি হাজার কোটি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে যন্ত্র বিকলের নামে ৪৭ লাখ টাকা লোপাট! আওয়ামী আমলের প্রভাবশালী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে, উঠছে নানা প্রশ্ন সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ অবদান রাখায় নিসচা বিশেষ সম্মাননা পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল

আওয়ামী দোসর আবু পলাশ বহাল তবিয়তে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৭০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর বিআরটিএ এর প্রধান কার্যালয় মোটরযান পরিদর্শক আবু পলাশ (ইঞ্জিঃ), তার চাকরির সুবাদে পরিবারের সদস্যরা ১০ বছরে বিআরটিএ দালালী করে অবৈধ ভাবে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন, জ্ঞাত আয়বহিভূত। তিনি আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে চাকরি নেন ছাত্রলীগের ক্যাডার পরিচয়ে । তিনি মন্ত্রী — এমপিদের ছত্রছায়ায় বিআরটিএ’র প্রধান কার্যালয়ে বসে বাংলাদেশের প্রতিটি বিআরটিএ’র দালাল নিয়োগ দিয়ে দালালের মাধ্যমে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছি আবু পলাশ। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপদেষ্টা, সচিব, চেয়ারম্যান ও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা কোন প্রকার ব্যবস্থা নিচ্ছেন না আবু পলাশের দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আওয়ামী লীগের ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে এখনো বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থ যোগানদাতা হিসেবে কাজ করে আসছেন । তার এতো অপকর্ম ও দুর্নীতি কর্মকাণ্ড প্রকাশ হওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা কেন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না এর রহস্য কোথায় ? আবু পলাশ প্রধান কার্যালয়ে এখনো বহাল তরিয়তে রয়েছেন। এইসব তথ্যগুলো পাওয়া গেছে বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগের ভিত্তিতে। যেমন, দুর্নীতি দমন কমিশনের এক অভিযোগে মাধ্যমে জানা যায়, আমি রাসেল মিয়া, বাবার নাম-ফয়জুল করিম, পাইকপাড়া, মিরপুর-০১, ঢাকা। এই মর্মে অভিযোগ করিতেছি যে, আবু পলাশ মোটরযান পরিদর্শক বিআরটিএ সদর কার্যালয়, বনানী চেয়ারম্যান বাড়ী ঢাকায় কর্মরত আছেন। তার বাবার নাম জালাল সদরদার, তার স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: সেনগ্রাম, ডাকঘর: সেনগ্রাম, থানা: খোকসা, জেলা: কুষ্টিয়া, তার আয়কর নথিকে তিনি এই ঠিকানা প্রদর্শন করেছেন। কিন্তু তার প্রকৃত স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পূর্ব বালিয়া, ডাকঘর: যশাই, থানা: পাংশা, জেলা: রাজবাড়ী। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-১৯৯৩৮২১৭৩২৫০০০০৭১, তার টিন নং-১১৪২৪৪৫৬৫০৪৮, কর সার্কেল-৩৬, কর অঞ্চল-০২, ঢাকা। তিনি এখানে ঠিকানা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে উত্তরায় নিজের ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। তিনি ২০১৪ সালের জুন মাসে সহকারী মোটরযান পরিদর্শক/মেকানিক্যাল এসিসন্টে পদে বিআরটিএতে যোগদান করেন। ২০২২ সালে মোটরযান পরিদর্শক হিসাবে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে বিআরটিএতে যোগদান করার পর ঘুষ, দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্য করে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিকানা বনে গেছেন। তিনি বিআরটিএর প্রধান কার্যালয় সহ সারা বাংলাদেশে বিআরটিএ’র অফিসগুলোতে দালাল নিয়োগ করে তদবিরের মাধ্যমে বিআরটিএ’র সকল প্রকার কর্মকান্ড যাচ্ছেন। তিনি প্রতিদিন তদবির বাণিজ্য করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তার সর্বশেষ কর্মস্থল জামালপুর তার ঘুষ ও দুর্নীতির দায়ে তাকে সেখান থেকে প্রত্যহার করে নিয়ে বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় সংযুক্ত করেছেন। তার অবৈধ সম্পদের সম্পর্কে সাংবাদিকগণ অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন ভাবে ভয় -ভীতি ও হুমকি প্রদান করে তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি এখনো বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় বহাল তবিয়তে আছেন। তার ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বেনামে কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রয়েছে। এবং দেশের আনাচে কানাছে তার অবৈধ সম্পদ রয়েছে। তার বিষয়ে শত শত অভিযোগ রয়েছে। আবু পলাশ অবৈধ সম্পদের বিবরণী ও তথ্য ২০২৩-২০২৪ সালের আয়কর সম্পদের বিবরণী তুলে ধরা হলো।

আবু পলাশ ২০২৩ সালে আর্থিক তথ্যের বিবরণীর মতে সম্পদের পরিমাণ ৬০,৪০,২৪৬/-টাকা। কিন্তু তিনি এতো অল্প দিনেই অবৈধভাবে এতো সম্পদের মালিক হলেন তা ভাবার বিষয়। তার সম্পদের স্বর্ণের পরিমাণ ৩৯ ভরী বর্তমান মূল্য ৩৯ লক্ষ টাকার উপরে কিন্তু তা তিনি মূল্য প্রদর্শন করেন নি। আবু পলাশ মূলত একজন তদবিরবাজ কারন তিনি বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় থেকে সারা বাংলাদেশে বিআরটিএগুলোতে তদবিরের মাধ্যমে দালাল নিয়োগ করে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এখনোও নিতেছেন। আবু পলাশের তথ্য বিবরণী ছাড়া গোপন ভাবে আরো কয়েক কোটি টাকা রয়েছে বলে তার এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়। উল্লেখ্য যে আবু পলাশ তার এস্টেটমেন্ট অব ইনকাম বিবরণীতে বাৎসরিক বেতন প্রদর্শন করেছেন ১,৯০,৮৬৮/- টাকা কিন্তু তিনি ১১ বছরে চাকুরী জীবনে কিভাবে এতো অল্প সময়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেলেন। তার বর্তমান যে বাসার ঠিকানা দেওয়া আছে ৪০/৫, ওয়াকআপ কলোনী পাইকপারা মিরপুর-০১, ঢাকার ওই বাসাতে বসবাস করেন না কয়েক বছর আগে থেকেই। ওই বাসাতে বর্তমানে বিআরটিএ রেজাউল ইসলাম নামের একজন কর্মচারী বসবাস করেন। তিনি সেখানেও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করলে দেশ জাতী উপকৃত হবে। উল্লেখ্য যে আবু পলাশ তার আয়কর নথিতে তার সম্পূণ সম্পদের বিবরণী প্রদশন করেন নি। অধিকাংশ তথ্য গোপন করেছেন। তার তথ্য মতে গত ১০ বছরে তিনি চাকরীর জীবনে আয় করেছেন ২০ লাখ টাকা কিন্তু আয়কর নথিতে ৬০ লক্ষ টাকার উপরে হিসাব দাখিল করেছন। এবং তার ৩৯ ভরী স্বণ প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। তার কুষ্টিয়াতে ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে তার তথ্য তিনি প্রদর্শন করেন নি। এছাড়াও তার স্ত্রীর নামে বিভিন্ন জায়গায় প্রায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে তা তিনি আয়কর নথিতে তথ্য প্রদান করেন নি। তার স্ত্রীর নামে দুটি মাইক্রোবাস দুইটি প্রাইভেটকার রয়েছে তা রেন্ট-এ- কারে ভাড়া দেওয়ায় । তার তথ্য তিনি সম্পূর্ণ গোপন করেছেন। আবু পলাশের বিষয়ে অনুসন্ধান করলে আরো অনেক সম্পদের তথ্য পাওয়া যাবে। উপরোক্ত বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপদেষ্টা, সচিব, চেয়ারম্যানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কাছে আহ্বান জানান ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহ হত্যা মামলা : খলনায়ক ডনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন

আওয়ামী দোসর আবু পলাশ বহাল তবিয়তে

আপডেট সময় ০৮:৫৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর বিআরটিএ এর প্রধান কার্যালয় মোটরযান পরিদর্শক আবু পলাশ (ইঞ্জিঃ), তার চাকরির সুবাদে পরিবারের সদস্যরা ১০ বছরে বিআরটিএ দালালী করে অবৈধ ভাবে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন, জ্ঞাত আয়বহিভূত। তিনি আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে চাকরি নেন ছাত্রলীগের ক্যাডার পরিচয়ে । তিনি মন্ত্রী — এমপিদের ছত্রছায়ায় বিআরটিএ’র প্রধান কার্যালয়ে বসে বাংলাদেশের প্রতিটি বিআরটিএ’র দালাল নিয়োগ দিয়ে দালালের মাধ্যমে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছি আবু পলাশ। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপদেষ্টা, সচিব, চেয়ারম্যান ও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা কোন প্রকার ব্যবস্থা নিচ্ছেন না আবু পলাশের দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আওয়ামী লীগের ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে এখনো বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থ যোগানদাতা হিসেবে কাজ করে আসছেন । তার এতো অপকর্ম ও দুর্নীতি কর্মকাণ্ড প্রকাশ হওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা কেন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না এর রহস্য কোথায় ? আবু পলাশ প্রধান কার্যালয়ে এখনো বহাল তরিয়তে রয়েছেন। এইসব তথ্যগুলো পাওয়া গেছে বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগের ভিত্তিতে। যেমন, দুর্নীতি দমন কমিশনের এক অভিযোগে মাধ্যমে জানা যায়, আমি রাসেল মিয়া, বাবার নাম-ফয়জুল করিম, পাইকপাড়া, মিরপুর-০১, ঢাকা। এই মর্মে অভিযোগ করিতেছি যে, আবু পলাশ মোটরযান পরিদর্শক বিআরটিএ সদর কার্যালয়, বনানী চেয়ারম্যান বাড়ী ঢাকায় কর্মরত আছেন। তার বাবার নাম জালাল সদরদার, তার স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: সেনগ্রাম, ডাকঘর: সেনগ্রাম, থানা: খোকসা, জেলা: কুষ্টিয়া, তার আয়কর নথিকে তিনি এই ঠিকানা প্রদর্শন করেছেন। কিন্তু তার প্রকৃত স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পূর্ব বালিয়া, ডাকঘর: যশাই, থানা: পাংশা, জেলা: রাজবাড়ী। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-১৯৯৩৮২১৭৩২৫০০০০৭১, তার টিন নং-১১৪২৪৪৫৬৫০৪৮, কর সার্কেল-৩৬, কর অঞ্চল-০২, ঢাকা। তিনি এখানে ঠিকানা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে উত্তরায় নিজের ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। তিনি ২০১৪ সালের জুন মাসে সহকারী মোটরযান পরিদর্শক/মেকানিক্যাল এসিসন্টে পদে বিআরটিএতে যোগদান করেন। ২০২২ সালে মোটরযান পরিদর্শক হিসাবে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে বিআরটিএতে যোগদান করার পর ঘুষ, দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্য করে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিকানা বনে গেছেন। তিনি বিআরটিএর প্রধান কার্যালয় সহ সারা বাংলাদেশে বিআরটিএ’র অফিসগুলোতে দালাল নিয়োগ করে তদবিরের মাধ্যমে বিআরটিএ’র সকল প্রকার কর্মকান্ড যাচ্ছেন। তিনি প্রতিদিন তদবির বাণিজ্য করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তার সর্বশেষ কর্মস্থল জামালপুর তার ঘুষ ও দুর্নীতির দায়ে তাকে সেখান থেকে প্রত্যহার করে নিয়ে বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় সংযুক্ত করেছেন। তার অবৈধ সম্পদের সম্পর্কে সাংবাদিকগণ অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন ভাবে ভয় -ভীতি ও হুমকি প্রদান করে তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি এখনো বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় বহাল তবিয়তে আছেন। তার ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বেনামে কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রয়েছে। এবং দেশের আনাচে কানাছে তার অবৈধ সম্পদ রয়েছে। তার বিষয়ে শত শত অভিযোগ রয়েছে। আবু পলাশ অবৈধ সম্পদের বিবরণী ও তথ্য ২০২৩-২০২৪ সালের আয়কর সম্পদের বিবরণী তুলে ধরা হলো।

আবু পলাশ ২০২৩ সালে আর্থিক তথ্যের বিবরণীর মতে সম্পদের পরিমাণ ৬০,৪০,২৪৬/-টাকা। কিন্তু তিনি এতো অল্প দিনেই অবৈধভাবে এতো সম্পদের মালিক হলেন তা ভাবার বিষয়। তার সম্পদের স্বর্ণের পরিমাণ ৩৯ ভরী বর্তমান মূল্য ৩৯ লক্ষ টাকার উপরে কিন্তু তা তিনি মূল্য প্রদর্শন করেন নি। আবু পলাশ মূলত একজন তদবিরবাজ কারন তিনি বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় থেকে সারা বাংলাদেশে বিআরটিএগুলোতে তদবিরের মাধ্যমে দালাল নিয়োগ করে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এখনোও নিতেছেন। আবু পলাশের তথ্য বিবরণী ছাড়া গোপন ভাবে আরো কয়েক কোটি টাকা রয়েছে বলে তার এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়। উল্লেখ্য যে আবু পলাশ তার এস্টেটমেন্ট অব ইনকাম বিবরণীতে বাৎসরিক বেতন প্রদর্শন করেছেন ১,৯০,৮৬৮/- টাকা কিন্তু তিনি ১১ বছরে চাকুরী জীবনে কিভাবে এতো অল্প সময়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেলেন। তার বর্তমান যে বাসার ঠিকানা দেওয়া আছে ৪০/৫, ওয়াকআপ কলোনী পাইকপারা মিরপুর-০১, ঢাকার ওই বাসাতে বসবাস করেন না কয়েক বছর আগে থেকেই। ওই বাসাতে বর্তমানে বিআরটিএ রেজাউল ইসলাম নামের একজন কর্মচারী বসবাস করেন। তিনি সেখানেও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করলে দেশ জাতী উপকৃত হবে। উল্লেখ্য যে আবু পলাশ তার আয়কর নথিতে তার সম্পূণ সম্পদের বিবরণী প্রদশন করেন নি। অধিকাংশ তথ্য গোপন করেছেন। তার তথ্য মতে গত ১০ বছরে তিনি চাকরীর জীবনে আয় করেছেন ২০ লাখ টাকা কিন্তু আয়কর নথিতে ৬০ লক্ষ টাকার উপরে হিসাব দাখিল করেছন। এবং তার ৩৯ ভরী স্বণ প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। তার কুষ্টিয়াতে ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে তার তথ্য তিনি প্রদর্শন করেন নি। এছাড়াও তার স্ত্রীর নামে বিভিন্ন জায়গায় প্রায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে তা তিনি আয়কর নথিতে তথ্য প্রদান করেন নি। তার স্ত্রীর নামে দুটি মাইক্রোবাস দুইটি প্রাইভেটকার রয়েছে তা রেন্ট-এ- কারে ভাড়া দেওয়ায় । তার তথ্য তিনি সম্পূর্ণ গোপন করেছেন। আবু পলাশের বিষয়ে অনুসন্ধান করলে আরো অনেক সম্পদের তথ্য পাওয়া যাবে। উপরোক্ত বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপদেষ্টা, সচিব, চেয়ারম্যানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কাছে আহ্বান জানান ।