ফুলেশ্বরী সান্তানপাড়া থেকে মূলগাঁ কালিগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত নদী পারাপারে স্থানীয়দের ওপর অতিরিক্ত ভাড়া চাপানো এবং চাঁদাবাজি নিয়ে নরসিংদীর স্থানীয়রা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহিউদ্দিন চিশতি নামে একজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। এ ব্যক্তি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে স্থানীয়দের উপর দাপট চালাচ্ছেন এবং এ সময়খানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ তার অনিয়মের শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ফারুক হোসেন, কামাল হোসেন ও জুয়েল মিয়া সহ সান্তানপাড়া এলাকার বাসিন্দারা এই বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা বিভাগকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মহিউদ্দিন চিশতি গত ছয় মাস আগে রাতারাতি ফুলেশ্বরী সান্তানপাড়া থেকে মূলগাঁ কালিগঞ্জ ঘাটের খেয়া পারাপারের ভাড়া পূর্বের ৪ (চার) টাকা থেকে ১০ (দশ) টাকায় বৃদ্ধি করেছেন। এ ঘটনার ফলে সাধারণ মানুষ দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেছেন, উক্ত ব্যক্তি ভূমি দখল, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তার ভয়ঙ্কর আচরণের কারণে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারছেন না। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে নদী পারাপার করছেন। এ বিষয়টি স্থানীয় জনগণের জীবনে প্রভাব ফেলেছে এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, এই অতিরিক্ত ভাড়া শুধু পারিবারিক ব্যয় বৃদ্ধি করেছে না, বরং তাদের জীবনের নিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। খেয়া পারাপার করতে গেলে স্থানীয়দের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা সঙ্কটের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তারা আরও জানাচ্ছেন, মহিউদ্দিন চিশতি তার দাপট চালাতে থাকায় স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন, নদী পারাপারের বিষয়টি মূলত সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত। স্কুলের ছাত্রছাত্রী, পেশাজীবী এবং ব্যবসায়ী সবাই এই পারাপার ব্যবহার করেন। খেয়া পারাপারের জন্য নির্ধারিত ভাড়া সাধারণত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু মহিউদ্দিন চিশতি এই নিয়মকে উপেক্ষা করে তার নিজের স্বার্থে ভাড়া বৃদ্ধি করেছেন। এটি স্থানীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রমেও প্রভাব ফেলেছে এবং সাধারণ মানুষের আয়ের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়রা আশা করছেন, বিভাগীয় কমিশনার বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তারা জানান, স্থানীয় জনগণ প্রশাসনের সহায়তায় তাদের অধিকার রক্ষা করতে চাইছেন। তাদের মতে, মহিউদ্দিন চিশতি স্থানীয় সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী এবং ভূমি দখলদার হিসেবে পরিচিত। তার কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, মহিউদ্দিন চিশতির দাপট শুধু ভাড়া বৃদ্ধি করতেই সীমিত নয়। তিনি স্থানীয়দের ওপর শারীরিক হুমকি, মানসিক চাপে রাখার পাশাপাশি তাদের দাবি পূরণে বাধা দিচ্ছেন। এলাকার বিভিন্ন পরিবার জানান, তারা ভয় এবং অনিশ্চয়তার কারণে তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিছু পরিবার এমনকি নদী পারাপারের জন্য বিকল্প পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন, যদিও তা অনেক সময় জটিল ও ব্যয়বহুল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহিউদ্দিন চিশতি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ঘাটের যাত্রীদের সঙ্গে তার সম্পর্ক বিভিন্নভাবে। তার এই প্রভাবশালী অবস্থান মানুষকে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে বাধা দিচ্ছে। ফলে এলাকার জনগণ প্রশাসনের সহায়তা ছাড়া সমস্যার সমাধান করতে পারছে না।
স্থানীয়রা আরও উল্লেখ করেছেন, মহিউদ্দিন চিশতি চাঁদাবাজি এবং মাদক ব্যবসার মাধ্যমে তার অর্থনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করছেন। এছাড়া তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনকে ব্যবহার করে জনগণের উপর প্রভাব ফেলছেন। স্থানীয়রা বলছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড স্থানীয় শান্তি ও সাধারণ মানুষের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য অনুযায়ী, নদী পারাপারের খেয়া ব্যবস্থাপনা পূর্বে নিয়মিত এবং স্বল্পমূল্যে পরিচালিত হতো। কিন্তু মহিউদ্দিন চিশতির দাপটের কারণে এই ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনকে এ বিষয়ে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা আশা করছেন, প্রশাসন সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে এবং মহিউদ্দিন চিশতির বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা করবে। স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুসারে, মহিউদ্দিন চিশতির ভাড়া আদায় শুধু সাধারণ মানুষের আর্থিক সমস্যাই তৈরি করছে না, বরং তা সামাজিক সহিংসতা ও অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। স্থানীয়রা বলেন, তার ভয়ঙ্কর আচরণের কারণে গ্রামের সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। শিশু, মহিলা ও প্রবীণরা ভয়ে নদী পারাপার করতে পারছে না।
স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে আরও অনুরোধ করেছেন, মহিউদ্দিন চিশতির বিরুদ্ধে কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তারা আশা করছেন, তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদে নদী পারাপারের সুযোগ দেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, নদী পারাপারের খেয়া ব্যবস্থাপনা শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়, বরং এটি সামাজিক এবং নিরাপত্তার বিষয়ও। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও চাঁদাবাজি স্থানীয়দের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় স্কুলছাত্র, ব্যবসায়ী এবং প্রবীণদের জন্য নদী পারাপার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৈনন্দিন কার্যক্রম। তাই এই সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, তারা মহিউদ্দিন চিশতির বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ করতে পারছেন না। তার দাপট এবং ভয়ঙ্কর আচরণের কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে নদী পারাপার করতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে আরও অনুরোধ করেছেন যে, মহিউদ্দিন চিশতির বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালনা করা হোক এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তারা মনে করছেন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়।
স্থানীয়রা বলছেন, মহিউদ্দিন চিশতি স্থানীয় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তার কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের সহায়তায় তাদের অধিকার রক্ষা করতে চাচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুসারে, মহিউদ্দিন চিশতির ভাড়া বৃদ্ধি এবং চাঁদাবাজি শুধু অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, বরং এটি সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানান, প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্থানীয়রা আশা করছেন, বিভাগীয় কমিশনার বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তারা জানিয়েছেন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া মহিউদ্দিন চিশতির দাপট বন্ধ করা সম্ভব নয়।
স্থানীয়রা আরও জানাচ্ছেন, মহিউদ্দিন চিশতির দাপটের কারণে সাধারণ মানুষ নদী পারাপারের জন্য বিভিন্ন বিকল্প পথ খুঁজছেন, যদিও তা জটিল এবং ব্যয়বহুল। শিশু, মহিলা ও প্রবীণরা নদী পারাপারের জন্য অতিরিক্ত ঝুঁকি নিচ্ছেন।
স্থানীয়রা মনে করছেন, নদী পারাপারের খেয়া ব্যবস্থাপনা নিয়মিত এবং স্বল্পমূল্যে পরিচালিত হওয়া উচিত। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সাধারণ মানুষের উপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে আরও অনুরোধ করেছেন, মহিউদ্দিন চিশতির বিরুদ্ধে কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তারা আশা করছেন, তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদে নদী পারাপারের সুযোগ দেওয়া হবে।
স্থানীয়রা আরও জানাচ্ছেন, নদী পারাপারের খেয়া ব্যবস্থাপনা শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং এটি সামাজিক এবং নিরাপত্তার বিষয়ও। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও চাঁদাবাজি স্থানীয়দের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















