রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার এক সম্ভাবনাময় খুদে উদ্যোক্তা রেদওয়ান। বয়স মাত্র ১৫ বছর, কিন্তু তার উদ্যোগ ও স্বপ্ন অনেক বড়। গংগাচড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র রেদওয়ান ইতিমধ্যে ছাগল পালন ও কোয়েল পাখি পালন শুরু করেছে। তার ইচ্ছা, সরকারি ভাবে প্রশিক্ষণ পেলে সে এই উদ্যোগকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে পারবে।
কিন্তু বয়স ১৮ বছর না হওয়ায় সে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারছে না। রেদওয়ানের বাবা একজন ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। ৫ সদস্যের পরিবারে সে বেড়ে উঠছে। তার এই উদ্যোগে পরিবারের সদস্যরা তাকে সহযোগিতা করছে।
রেদওয়ান এবার অল্প পরিসরে বস্তায় আদা চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সে জানায়, সঠিক দিক নির্দেশনা ও আর্থিক সহায়তা পেলে সে এই কাজটি সফলভাবে শুরু করতে পারবে। তার ভাষায়, “আমি চাই আমার উদ্যোগকে আরও বড় করতে। যদি সরকারি ভাবে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা পাই, তাহলে আমি ইনশাআল্লাহ সফল হবো।”
রেদওয়ানের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয় জনগণ তার এই প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছে। তার এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা চাই সে আরও বড় হোক এবং তার স্বপ্ন পূরণ করুক।”
স্থানীয় যুব অফিসার জানিয়েছেন, রেদওয়ানের মতো তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারি ভাবে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা রয়েছে। কিন্তু বয়সের কারণে সে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ নিতে পারছে না। তবে তার প্রয়োজনে পাশে থাকবো।
রেদওয়ানের এই উদ্যোগ শুধু তার নিজের জন্যই নয়, বরং স্থানীয় অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তার মতো তরুণ উদ্যোক্তারা যদি সঠিক দিক নির্দেশনা ও সহায়তা পায়, তাহলে তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
রেদওয়ানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে সে বলে, “আমি চাই আমার উদ্যোগকে আরও বড় করতে। আমি চাই আমার এলাকায় একটি আদর্শ খামার তৈরি করতে। যেখানে ছাগল, কোয়েল পাখি, আদা চাষ সহ বিভিন্ন কৃষি কাজ করা হবে।”
রেদওয়ানের এই স্বপ্ন পূরণে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। তার মতো তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ালে তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে। রেদওয়ানের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই প্রচেষ্টা সফল হোক, এই কামনা করি।
মেহেদী হাসান হৃদয় রংপুর প্রতিনিধি 





















