ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৫ প্লট, ৪ ফ্ল্যাট ও একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: কালুখালীর সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে বৃক্ষরোপণ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নিয়ম তৃতীয় বিয়ে নিয়ে ‘মহাবিপদে’ আমির খান! খেলা শুরুর আগে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল মারামারি, আটক ৩ সমগ্র উত্তরবঙ্গের ইয়াবার ডিলার শা আপেল কে নিয়ে নানান বিতর্কের গুণজন যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বাংলাদেশে বিয়ের ব্যাপারে নাগরিকদের সতর্ক করল চীন বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৩য় বারের মতো সংসদ সদস্য হলেন আলমগীর ফরিদ

ধানের শীষের জোয়ারে দাড়িপাল্লার শোচনীয় পরাজয়

কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিলক্ষিত হয়েছে। মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলার মোট ১২৪টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বড় ব্যবধানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেছেন।

নির্বাচনী ফলাফলের বিবরণ অনুযায়ী, মহেশখালী উপজেলার ৮৬টি ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষের প্রার্থী আলমগীর ফরিদ একক আধিপত্য বজায় রাখেন। এই উপজেলায় তিনি পেয়েছেন ৯৫,২৫৯ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হামিদুর রহমান আজাদ এখানে ৫৪,৫৬৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। মহেশখালীতে ধানের শীষের এই বিশাল ভোট ব্যাংকই মূলত জয়ের ব্যবধান গড়ে দেয়।
অন্যদিকে, কুতুবদিয়া উপজেলার ৩৮টি কেন্দ্রের চিত্র ছিল কিছুটা ভিন্ন। এই দ্বীপাঞ্চলে ধানের শীষকে পেছনে ফেলে আধিপত্য বিস্তার করেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হামিদুর রহমান আজাদ। তিনি কুতুবদিয়ায় ৩৫,২৪৮ ভোট সংগ্রহ করেন, যেখানে ধানের শীষের প্রার্থী আলমগীর ফরিদ পান ২৯,৪০১ ভোট। কুতুবদিয়ায় দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী ৫,৮৪৭ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও মহেশখালীর বড় ঘাটতি তা পুষিয়ে দিতে পারেনি।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জিয়াউল হক দুই উপজেলা মিলিয়ে মোট ৮,৬৩০ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন (মহেশখালীতে ৭,৮১৮ ও কুতুবদিয়ায় ৮১২ ভোট)। এছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মাহাবুবুল আলম সর্বমোট ৭৫০ ভোট এবং ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী রোকনুজ্জামান পেয়েছেন মাত্র ৩১৩ ভোট।
সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, দুই উপজেলা মিলে ধানের শীষ প্রতীকের আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ১,২৪,৬৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হামিদুর রহমান আজাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন মোট ৮৯,৮১৭ ভোট। মহেশখালীর বড় ব্যবধানের লিডই মূলত এই আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ প্লট, ৪ ফ্ল্যাট ও একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

৩য় বারের মতো সংসদ সদস্য হলেন আলমগীর ফরিদ

ধানের শীষের জোয়ারে দাড়িপাল্লার শোচনীয় পরাজয়

আপডেট সময় ০১:২৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিলক্ষিত হয়েছে। মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলার মোট ১২৪টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বড় ব্যবধানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেছেন।

নির্বাচনী ফলাফলের বিবরণ অনুযায়ী, মহেশখালী উপজেলার ৮৬টি ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষের প্রার্থী আলমগীর ফরিদ একক আধিপত্য বজায় রাখেন। এই উপজেলায় তিনি পেয়েছেন ৯৫,২৫৯ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হামিদুর রহমান আজাদ এখানে ৫৪,৫৬৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। মহেশখালীতে ধানের শীষের এই বিশাল ভোট ব্যাংকই মূলত জয়ের ব্যবধান গড়ে দেয়।
অন্যদিকে, কুতুবদিয়া উপজেলার ৩৮টি কেন্দ্রের চিত্র ছিল কিছুটা ভিন্ন। এই দ্বীপাঞ্চলে ধানের শীষকে পেছনে ফেলে আধিপত্য বিস্তার করেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হামিদুর রহমান আজাদ। তিনি কুতুবদিয়ায় ৩৫,২৪৮ ভোট সংগ্রহ করেন, যেখানে ধানের শীষের প্রার্থী আলমগীর ফরিদ পান ২৯,৪০১ ভোট। কুতুবদিয়ায় দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী ৫,৮৪৭ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও মহেশখালীর বড় ঘাটতি তা পুষিয়ে দিতে পারেনি।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জিয়াউল হক দুই উপজেলা মিলিয়ে মোট ৮,৬৩০ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন (মহেশখালীতে ৭,৮১৮ ও কুতুবদিয়ায় ৮১২ ভোট)। এছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মাহাবুবুল আলম সর্বমোট ৭৫০ ভোট এবং ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী রোকনুজ্জামান পেয়েছেন মাত্র ৩১৩ ভোট।
সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, দুই উপজেলা মিলে ধানের শীষ প্রতীকের আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ১,২৪,৬৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হামিদুর রহমান আজাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন মোট ৮৯,৮১৭ ভোট। মহেশখালীর বড় ব্যবধানের লিডই মূলত এই আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেছে।