ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস ৮০০ কোটি টাকায় বেঙ্গল গ্রুপের ২৬ তলা ‘সুইস টাওয়ার’ কিনছে পূবালী ব্যাংক ৫০ হাজার টাকার বেতনে কোটি টাকার সম্পদ-শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীকে ঘিরে অনুসন্ধান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে স্ত্রী-সন্তানসহ জালিয়াতি, হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি ও দুর্নীতির অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ প্রকল্পে ২৫৪ কোটি টাকার টেন্ডার জালিয়াতির অভিযোগ ঢামেকে কোটি টাকার অর্থ লোপাটের অভিযোগে তোলপাড়, অভিযুক্ত ৩ কর্মকর্তা থার্ড টার্মিনালে অনুমোদন ছাড়াই ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন রাজউকের পলাশ

বিসিবি’র নিয়ম অনুযায়ী যেভাবে পদশূন্য হতে পারেন একজন পরিচালক

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৩:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৩০ বার পড়া হয়েছে

একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তার পদত্যাগের দাবিতে সবধরনের খেলা বয়কটের ডাক দিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। কিন্তু এখনও নিজ দায়িত্বেই বহাল আছেন নাজমুল ইসলাম।

বিসিবি’র এই পরিচালক কি পদত্যাগ করবেন নাকি করবেন না, সেটা জানার আগ্রহ সবার। অনেকে চাইছেন বিসিবি থেকেই নেওয়া হোক পদক্ষেপ। কিন্তু চাইলে কি কোনো পরিচালককে পদত্যাগে বাধ্য করতে পারে বিসিবি? নিয়ম কী বলে?

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একজন পরিচালক অবশ্যই পদশূন্য হতে পারেন। কিন্তু এর কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে। বিসিবি’র নিয়ম অনুযায়ী একজন পরিচালক তখনই পদশূন্য হবেন, যখন তিনি মারা যাবেন, নিজে থেকে পদত্যাগ করবেন, মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েবন, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি পাবেন, অসুস্থ থাকবেন, বিদেশ গমন করবেন, পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকবেন কিংবা অন্য ফেডারেশনের কোনো পদে আসীন হবেন। অন্যথায় তাকে পদশূন্য করার এখতিয়ার বিসিবি’র নেই।

তামিম ইকবালকে ভারতের দালাল বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে সমালোচিত হয়েছিলেন নাজমুল ইসলাম। আর গতকাল বিকেলে বিশ্বকাপ না খেললে বোর্ড থেকে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে বিসিবি পরিচালক নাজমুল বলেছিলেন, ‘বিসিবির হবে না, ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে। ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে কারণ তারা খেললে ম্যাচ ফি পায়। ম্যাচ সেরা হলেও পায়, পারফরম্যান্স অনুযায়ী পায়। এটা শুধুই ক্রিকেটারের পাওয়া। বোর্ডের লাভ-ক্ষতি নেই। অন্তত এই বিশ্বকাপের জন্য।’

আশানুরূপ পারফর্ম না করলে ক্রিকেটারদের বেতন কাটা হয় না, তাহলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কোন যুক্তিতে? সাংবাদিকদের কাছে এই পাল্টা প্রশ্ন করেছেন নাজমুল, ‘কেন? ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, আমরা যে ওদের পেছনে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, আমরা কি ঐ টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি? চাচ্ছি? এই প্রশ্নের উত্তর দেন আমাকে।’

তার করা এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রাতেই কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন সাংবাদিকদের সঙ্গে এক জুম মিটিংয়ে যুক্ত হয়ে জানিয়েছেন, ‘একজন দায়িত্বরত বোর্ড পরিচালক কখনোই এভাবে কথা বলতে পারেন না। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে উনার পদত্যাগ চাচ্ছি। যদি এম নাজমুল আগামীকাল বিপিএল ম্যাচের আগে পদত্যাগ না করে, তাহলে কোনো ধরনের ক্রিকেট খেলবে না ক্রিকেটাররা।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস

বিসিবি’র নিয়ম অনুযায়ী যেভাবে পদশূন্য হতে পারেন একজন পরিচালক

আপডেট সময় ০৩:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তার পদত্যাগের দাবিতে সবধরনের খেলা বয়কটের ডাক দিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। কিন্তু এখনও নিজ দায়িত্বেই বহাল আছেন নাজমুল ইসলাম।

বিসিবি’র এই পরিচালক কি পদত্যাগ করবেন নাকি করবেন না, সেটা জানার আগ্রহ সবার। অনেকে চাইছেন বিসিবি থেকেই নেওয়া হোক পদক্ষেপ। কিন্তু চাইলে কি কোনো পরিচালককে পদত্যাগে বাধ্য করতে পারে বিসিবি? নিয়ম কী বলে?

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একজন পরিচালক অবশ্যই পদশূন্য হতে পারেন। কিন্তু এর কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে। বিসিবি’র নিয়ম অনুযায়ী একজন পরিচালক তখনই পদশূন্য হবেন, যখন তিনি মারা যাবেন, নিজে থেকে পদত্যাগ করবেন, মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েবন, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি পাবেন, অসুস্থ থাকবেন, বিদেশ গমন করবেন, পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকবেন কিংবা অন্য ফেডারেশনের কোনো পদে আসীন হবেন। অন্যথায় তাকে পদশূন্য করার এখতিয়ার বিসিবি’র নেই।

তামিম ইকবালকে ভারতের দালাল বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে সমালোচিত হয়েছিলেন নাজমুল ইসলাম। আর গতকাল বিকেলে বিশ্বকাপ না খেললে বোর্ড থেকে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে বিসিবি পরিচালক নাজমুল বলেছিলেন, ‘বিসিবির হবে না, ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে। ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে কারণ তারা খেললে ম্যাচ ফি পায়। ম্যাচ সেরা হলেও পায়, পারফরম্যান্স অনুযায়ী পায়। এটা শুধুই ক্রিকেটারের পাওয়া। বোর্ডের লাভ-ক্ষতি নেই। অন্তত এই বিশ্বকাপের জন্য।’

আশানুরূপ পারফর্ম না করলে ক্রিকেটারদের বেতন কাটা হয় না, তাহলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কোন যুক্তিতে? সাংবাদিকদের কাছে এই পাল্টা প্রশ্ন করেছেন নাজমুল, ‘কেন? ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, আমরা যে ওদের পেছনে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, আমরা কি ঐ টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি? চাচ্ছি? এই প্রশ্নের উত্তর দেন আমাকে।’

তার করা এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রাতেই কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন সাংবাদিকদের সঙ্গে এক জুম মিটিংয়ে যুক্ত হয়ে জানিয়েছেন, ‘একজন দায়িত্বরত বোর্ড পরিচালক কখনোই এভাবে কথা বলতে পারেন না। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে উনার পদত্যাগ চাচ্ছি। যদি এম নাজমুল আগামীকাল বিপিএল ম্যাচের আগে পদত্যাগ না করে, তাহলে কোনো ধরনের ক্রিকেট খেলবে না ক্রিকেটাররা।’