ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস ৮০০ কোটি টাকায় বেঙ্গল গ্রুপের ২৬ তলা ‘সুইস টাওয়ার’ কিনছে পূবালী ব্যাংক ৫০ হাজার টাকার বেতনে কোটি টাকার সম্পদ-শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীকে ঘিরে অনুসন্ধান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে স্ত্রী-সন্তানসহ জালিয়াতি, হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি ও দুর্নীতির অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ প্রকল্পে ২৫৪ কোটি টাকার টেন্ডার জালিয়াতির অভিযোগ ঢামেকে কোটি টাকার অর্থ লোপাটের অভিযোগে তোলপাড়, অভিযুক্ত ৩ কর্মকর্তা থার্ড টার্মিনালে অনুমোদন ছাড়াই ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন রাজউকের পলাশ

চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত, তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রি

হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত চুয়াডাঙ্গা জনপদের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হওয়া খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছেন বিপাকে। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন শীতার্ত মানুষ।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ।
এদিকে জেলার উপর দিয়ে টানা ৮ দিনের মত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। তীব্র শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউ।

শহরের পাখিভ্যান চালক শহিদুল হক বলেন, তীব্র শীতে বাতাসের কারণে ভ্যান চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যাত্রী খুবই কম। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে লোকজনের দেখা মিলছেনা। রাস্তায় লোকজনও কম।

শহরের বড় বাজারে কাজের সন্ধানে থাকা দিনমজুরেরা বলেন, কনকনে শীত পড়ছে সাথে বাতাসে আরও শীতের তিব্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারপরও থেমে নেই কাজ। বাধ্য হয়েই কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে। শীতে কাজ না পেয়ে বাড়িতে ফিরতে হচ্ছে অনেকেরই।

বেসরকারি চাকরিজীবী আনিসুল হক বলেন, সকাল ৮টার মধ্যে অফিসের উদ্দেশে বের হতে হয়। প্রচণ্ড শীতের কারণে পায়ে হেঁটে যাচ্ছি অফিসে। শরীরটা একটু গরম থাকে। কিন্তু হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা।

মামুন নামে একজন হোটেল কর্মচারী বলেন, সকালে নাস্তার জন্য হোটেলে চাপ থাকে। এজন্য ফজরের আজানের পর থেকেই কাজের চাপ। পানি ধরলে মনে হচ্ছে হাত অবশ হয়ে যাচ্ছে। আঙুলগুলো নাড়ানো যাচ্ছে না। তারপরও কাজ করছি। ঠান্ডার ভয় করলে মালিক মজুরি দেবে না।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, জেলায় টানা এক সপ্তাহ ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে এবং এটি আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এই সময়ে তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করবে। এরপর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস

চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত, তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রি

আপডেট সময় ০১:৩১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত চুয়াডাঙ্গা জনপদের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হওয়া খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছেন বিপাকে। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন শীতার্ত মানুষ।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ।
এদিকে জেলার উপর দিয়ে টানা ৮ দিনের মত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। তীব্র শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউ।

শহরের পাখিভ্যান চালক শহিদুল হক বলেন, তীব্র শীতে বাতাসের কারণে ভ্যান চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যাত্রী খুবই কম। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে লোকজনের দেখা মিলছেনা। রাস্তায় লোকজনও কম।

শহরের বড় বাজারে কাজের সন্ধানে থাকা দিনমজুরেরা বলেন, কনকনে শীত পড়ছে সাথে বাতাসে আরও শীতের তিব্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারপরও থেমে নেই কাজ। বাধ্য হয়েই কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে। শীতে কাজ না পেয়ে বাড়িতে ফিরতে হচ্ছে অনেকেরই।

বেসরকারি চাকরিজীবী আনিসুল হক বলেন, সকাল ৮টার মধ্যে অফিসের উদ্দেশে বের হতে হয়। প্রচণ্ড শীতের কারণে পায়ে হেঁটে যাচ্ছি অফিসে। শরীরটা একটু গরম থাকে। কিন্তু হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা।

মামুন নামে একজন হোটেল কর্মচারী বলেন, সকালে নাস্তার জন্য হোটেলে চাপ থাকে। এজন্য ফজরের আজানের পর থেকেই কাজের চাপ। পানি ধরলে মনে হচ্ছে হাত অবশ হয়ে যাচ্ছে। আঙুলগুলো নাড়ানো যাচ্ছে না। তারপরও কাজ করছি। ঠান্ডার ভয় করলে মালিক মজুরি দেবে না।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, জেলায় টানা এক সপ্তাহ ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে এবং এটি আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এই সময়ে তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করবে। এরপর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।