রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার নয়আনী গ্রামের কিশোরী মোছাঃশফিয়া আকতার (১২) অপহরণের তিনমাস পার হলেও উদ্ধার হয়নি প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে অসহায় পরিবার অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
মামলার এজাহার এবং তথ্য অনুসন্ধানীতে দেখা যায়, গত ২২/১০/২৫ খ্রিস্টীয় তারিখের সকাল অনুমানিক ১২টার সময় কিশোরী শফিয়াকে মোঃ রাকিব হসান (১৮) হাবিবুরদ্বয় অটো বাইক যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়।এই বিষয়টি নিয়ে ভিকটিমের নানী মোছাঃ ছামিনা খাতুন মিঠাপুকুর থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণ মামলা দায়ের করেন মিঠাপুকুর থানা মামলা নং ৩৮, তাং- ২৫/১১/২০২৫, যাহার জি.আর ৬২৫/২৫. ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/২৫) এর ৭/৩০ তৎসহ ৫০৬ পেনাল কোড মামলায় ভিকটিম উদ্ধার সহ আসামী গ্রেফতারের প্রার্থনা মামলা রেকর্ড হওয়ার পরেও আসামিরা বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে গ্রেফতার করছে না পুলিশ এমন অভিযোগ করলেন ভুক্তভোগী।
অনুসন্ধানীকে আরো জানা যায, মিঠাপুকুর উপজেলার ১৪নং দূর্গাপুর, ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে নানীর বাড়িতে থেকে লেখা-পড়া করতো কিশোরী।
এ বিষয়ে কিশোরীর নানী কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার নাতনি এখনো শিশু তিন মাস হলো নিখোঁজ কোথায় আছে জানিনা থানায় মামলা করেছি পুলিশ টাকা খেয়ে আসামিকে ধরছে না পুলিশ সুপার ডিআইজি মহোদয় নিকট আবেদন করেছি এবং কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি এখন পর্যন্ত আমার নাতনির সন্ধান পাওয়া যায়নি। কোথায় গেলে আমার নাতনির মুখটা দেখতে পাবো আপনারা একটু প্রচার করে গরিবকে সহযোগিতা করুন এমনই আবেগ কথা বললেন ভিকটিমেরে নানি।
কিশোরীর মা ঢাকায় কর্মরত শ্রমিক মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি মুঠোফোনে দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে নিশ্চিত করেন,মেয়ে তার নানার বাড়ি থেকে লেখাপড়া করত সবেমাত্র বয়স ১২ কিন্তু কিছু উশৃংখল বকাটে ছেলেরা মাঝে মধ্যেই আমার মেয়েকে ইভটিজিং পড়তেন মেয়ে আমাকে ফোনে জানিয়েন অথচ তার পর পরই আমার মেয়েকে অপকরণ করে নিয়ে গেল বকাটে ছেলেরা থানায় মামলা করেছি আসামীর ও আসামীর পরিবার-পরিজন বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে আমাদের ভয় ভীতি দেখাচ্ছে অথচ একজন নাবালিকা কিশোরীকে তিন মাস হল নিখোঁজ পুলিশ প্রশাসন উদ্ধারের কোন চেষ্টা করছে না আমার মেয়ে মারা গিয়েছে না বেঁচে আছে একজন মা হিসেবে এটা জানার অধিকার আছে তাই আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি আমার মেয়েটিকে উদ্ধার করে দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মারুফত হোসাইন এর হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে নিশ্চিত করেন। এই বিষয়ে জানতে চেয়ে রংপুর পুলিশ সুপারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
শহীদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি 





















