ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাসপোর্ট পুনঃইস্যুতে নতুন নির্দেশনা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আদিতমারীতে বিএনপির সমাবেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, যা জানালেন স্পিকার শিবগঞ্জ সীমান্তে ৬০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ২৪ দিনের মধ্যে রাজউকের প্ল্যান অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে: গণপূর্তমন্ত্রী লংমার্চে সাড়ে চারশো গাড়ি, টোল দেয়নি বিরোধী দল: রিজভী জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৮৭২

‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ নয়, নতুন বছর শুরু হোক রবের কৃতজ্ঞতার সিজদায়: মাওলানা তারিক জামিল

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৩২ বার পড়া হয়েছে

ছবি- সংগৃহীত

পশ্চিমা সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ উদযাপনের পরিবর্তে মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতার সিজদা আদায়ের মাধ্যমে নতুন বছর বরণের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ও বক্তা মাওলানা তারিক জামিল। তিনি বলেছেন, মুসলিম তরুণরা বিজাতীয় সংস্কৃতি গ্রহণ করে নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ধর্মীয় ঐতিহ্য ও পরিচয় থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

নতুন বছরের শুরুতে মুসলমানদের করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে মাওলানা তারিক জামিল বলেন, ‘‘আল্লাহ তায়ালা আমাদের মৃত্যু না দিয়ে আরও একটি বছর বেঁচে থাকার সুযোগ দিয়েছেন—এই উপলব্ধিটুকুই হওয়া উচিত নববর্ষের মূল অনুভূতি। তাই পাপাচারে লিপ্ত হয়ে রাত কাটানোর বদলে নফল ইবাদত ও কৃতজ্ঞতার সিজদার মাধ্যমেই মুমিনের নতুন বছর শুরু হওয়া উচিত।’’

জনপ্রিয় এই আলোচক বলেন, নববর্ষের রাতে নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করা বাঞ্ছনীয়। নবীজি যেভাবে উম্মতের হেদায়াতের জন্য কাঁদতেন, ঠিক সেভাবেই যারা এই রাতে গুনাহে লিপ্ত হচ্ছে, তাদের হেদায়াতের জন্য আল্লাহর কাছে কান্না ও দোয়া করা একজন প্রকৃত মুসলিমের দায়িত্ব।

নববর্ষ উদযাপনের নামে মদ্যপান ও অশ্লীলতার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। মাওলানা তারিক জামিল বলেন, ‘‘নতুন বছর উদযাপন করতে গিয়ে অনেকে মদে আসক্ত হয়। মনে রাখবেন, ঈমান ও মদ এক দেহে কখনোই একসঙ্গে থাকতে পারে না। কেউ যখন মদ্যপান করে বা ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, তখন তার শরীর থেকে ঈমান বেরিয়ে যায়। এমতাবস্থায় যদি কারও মৃত্যু হয়, তবে সে ঈমানহীন অবস্থায় দুনিয়া থেকে বিদায় নেবে।’’

ঈমানকে এক পবিত্র ও সম্মানিত অতিথির সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘‘ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ঘরে যেমন কোনো সম্মানিত অতিথি থাকতে পারেন না, আলো ও অন্ধকার যেমন এক হতে পারে না, ঠিক তেমনি পশ্চিমা সংস্কৃতির উচ্ছৃঙ্খলতায় গা ভাসিয়ে দিয়ে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব নয়।’’

যারা গুনাহের মাধ্যমে বছর শুরু করে, তাদের মানবিকতা লোপ পায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাপাচার মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীবের মর্যাদা থেকে পশুর স্তরে নামিয়ে আনে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাসপোর্ট পুনঃইস্যুতে নতুন নির্দেশনা

‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ নয়, নতুন বছর শুরু হোক রবের কৃতজ্ঞতার সিজদায়: মাওলানা তারিক জামিল

আপডেট সময় ০২:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

পশ্চিমা সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ উদযাপনের পরিবর্তে মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতার সিজদা আদায়ের মাধ্যমে নতুন বছর বরণের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ও বক্তা মাওলানা তারিক জামিল। তিনি বলেছেন, মুসলিম তরুণরা বিজাতীয় সংস্কৃতি গ্রহণ করে নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ধর্মীয় ঐতিহ্য ও পরিচয় থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

নতুন বছরের শুরুতে মুসলমানদের করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে মাওলানা তারিক জামিল বলেন, ‘‘আল্লাহ তায়ালা আমাদের মৃত্যু না দিয়ে আরও একটি বছর বেঁচে থাকার সুযোগ দিয়েছেন—এই উপলব্ধিটুকুই হওয়া উচিত নববর্ষের মূল অনুভূতি। তাই পাপাচারে লিপ্ত হয়ে রাত কাটানোর বদলে নফল ইবাদত ও কৃতজ্ঞতার সিজদার মাধ্যমেই মুমিনের নতুন বছর শুরু হওয়া উচিত।’’

জনপ্রিয় এই আলোচক বলেন, নববর্ষের রাতে নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করা বাঞ্ছনীয়। নবীজি যেভাবে উম্মতের হেদায়াতের জন্য কাঁদতেন, ঠিক সেভাবেই যারা এই রাতে গুনাহে লিপ্ত হচ্ছে, তাদের হেদায়াতের জন্য আল্লাহর কাছে কান্না ও দোয়া করা একজন প্রকৃত মুসলিমের দায়িত্ব।

নববর্ষ উদযাপনের নামে মদ্যপান ও অশ্লীলতার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। মাওলানা তারিক জামিল বলেন, ‘‘নতুন বছর উদযাপন করতে গিয়ে অনেকে মদে আসক্ত হয়। মনে রাখবেন, ঈমান ও মদ এক দেহে কখনোই একসঙ্গে থাকতে পারে না। কেউ যখন মদ্যপান করে বা ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, তখন তার শরীর থেকে ঈমান বেরিয়ে যায়। এমতাবস্থায় যদি কারও মৃত্যু হয়, তবে সে ঈমানহীন অবস্থায় দুনিয়া থেকে বিদায় নেবে।’’

ঈমানকে এক পবিত্র ও সম্মানিত অতিথির সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘‘ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ঘরে যেমন কোনো সম্মানিত অতিথি থাকতে পারেন না, আলো ও অন্ধকার যেমন এক হতে পারে না, ঠিক তেমনি পশ্চিমা সংস্কৃতির উচ্ছৃঙ্খলতায় গা ভাসিয়ে দিয়ে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব নয়।’’

যারা গুনাহের মাধ্যমে বছর শুরু করে, তাদের মানবিকতা লোপ পায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাপাচার মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীবের মর্যাদা থেকে পশুর স্তরে নামিয়ে আনে।