ভোলা–২(বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। এর আগে তিনি ধানের শীষ প্রতীক হিসেবে ভোলা–২ আসন থেকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের হেবিওয়েট নেতা সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সাথে বিপুল ভোটে এক বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল দুপুর ১২ টার দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বর্মন এর কার্যালয় থেকে আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম এর পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাফরুজা সুলতানা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সরোয়ার আলম খান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট কাজী আজম,মো. আকবর মিয়া ও কাজী ইকবাল এবং বশির স্যার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
এ সময় ভোলা–২ আসনের বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলার জনগণের কাছে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করেন বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সরোয়ার আলম খান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ভোলা–২ আসনের জনগণ আমাদের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা। অতীতে যখন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, তখন এই এলাকার মানুষ হাফিজ ইব্রাহিম এর পাশেই ছিল। আমরা দৃঢ়ভাবে আশাবাদী, এবারও জনগণ তাদের রায় ধানের শীষের পক্ষেই দেবে।”
দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কোনো ভয় বা শঙ্কা আছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সরোয়ার আলম খান বলেন, “আমরা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করি না। ২০০১ সালে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী সাবেক এমপি তোফায়েল আহমেদ যার দখলে ছিলো ভোলা ২ আসন। আমাদের নেতা আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম ২০০১ সালে ভোট যুদ্ধে তার সাথে প্রতিযোগিতা করে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন। আমাদের সেই নেতা আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমকে কোনো অপশক্তি দমিয়ে রাখতে পারবে না। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা রাজপথে জীবন বাজি রেখে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে, তারা কোনো ষড়যন্ত্রকে ভয় পায় না।” মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ কালে আরও উপস্থিত ছিলেন – পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান কবির মিয়া, সাবেক ফাইজুল কমিশনার সহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
রিয়াজ ফরাজী (ভোলা) 



















