ফরিদপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। বিষয়টি ঘিরে আজ বিকেলে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামবে ও শহরে সর্বস্তরের তাওহীদি জনতা ও সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে তীব্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করেছে।
জানা গেছে, সাইমুর রহমান সিয়াম নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে একটি ধর্মীয় পোস্টে লেখেন, “আমার প্রাণপ্রিয় একমাত্র নেতা হযরত মুহাম্মদ (সা:)”।
এই পোস্টের কমেন্ট বক্সে মহুয়া ইসলাম নামে এক নারী ইসলাম ও বিশ্বনবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তিমূলক মন্তব্য করেন। মুহূর্তের মধ্যে সেই মন্তব্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়,তার ফেসবুক একাউন্টে ইতিপূর্বেও ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে নানান কটুক্তি কর পোস্ট রয়েছে
এরপর থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ধর্মপ্রাণ মানুষসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ওই নারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা ও প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় ৪ নভেম্বর ২০২৫ (সোমবার) বিকাল ৪টায় ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে “ফরিদপুরের সর্বস্তরের জনগণ-এর ব্যানারে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে ছাত্র জনতা ও সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, যে ব্যক্তি বা নারী মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছে, তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।”
বক্তারা আরও বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা কোনোভাবেই স্বাধীন মতপ্রকাশ নয়, বরং এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় বক্তারা আরও বললেন এই সমস্ত কুলাঙ্গারদের প্রশ্রয়দাতাদের যারা শিল্প সংস্কৃতিদের নামে এই সমস্ত নাস্তিকদের লালন পালন করে তাদেরও অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। সমাবেশে ফরিদপুরের ছাত্র জনতা, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মাদরাসার শিক্ষক, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
শেখ ফয়েজ আহমেদ, ফরিদপুর 























