ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হওয়া জরুরি : জিল্লুর রহমান

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ একটা জটিল জাতীয় আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক চক্রের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনটা হওয়া জরুরি। নির্বাচনটা ডিসেম্বরের মধ্যে না হলে কবে নির্বাচন হবে? কি রকম নির্বাচন হবে? কিভাবে নির্বাচন হবে? সেগুলো নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন ওঠে। সংশয়ের অবকাশ তৈরি।

আমি ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন দেখি না। যদিও বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো একমাত্র আওয়ামী লীগ বাদ দিয়ে তারা এই নির্বাচনের ব্যাপারে আশাবাদী।
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

জিল্লুর রহমান বলেন, সরকারও বলছে যে কোনো পরিস্থিতি হোক না কেন নির্বাচনটা ফেব্রুয়ারিতে হবে। নির্বাচনটা হয়ে গেলে ভালো। সে বিষয়ে আমার কোন ভিন্নমত নেই। আমিও খুশি হব যদি ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হয়ে যায়। কিন্তু আমার একটা সংশয় প্রশ্ন থেকেই যাবে। কেমন নির্বাচন আমরা চাই? কেমন নির্বাচন হবে? নির্বাচনটা যদি একটা আইডিয়াল ইলেকশন হয়, অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়, বাংলাদেশের প্রতিটি জনগণ খুশি হবে।

জিল্লুর বলেন, নির্বাচনটা যদি একটা পার্ট সিলেকশন একটা সংঘাতময় নির্বাচন হয় কেউই সেটা একসেপ্ট করবেন না। সবচাইতে বড় কথা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যারা ক্ষমতায় যাবেন তাদের জন্য সেটা স্বস্তিকর এবং সুখকর হবে না। তাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার পরে এই চ্যালেঞ্জ আরো বাড়বে।

জিল্লুর আরো বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে আরপিও আদেশ সেটা উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত হয়েছে। সেখানে অনেকগুলো বিষয় আছে। অনেকগুলো বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতভিন্নতা আছে। যারাই ক্ষমতায় যান ক্যাবিনেটটা করবেন, যেন ইফিসিয়েন্ট হয়। কার রাজনীতিতে কতখানি ত্যাগ আছে সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার চাইতে বড় কথা হচ্ছে ইফিসিয়েন্সিটা মোর ইম্পর্টেন্ট।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হওয়া জরুরি : জিল্লুর রহমান

আপডেট সময় ১১:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ একটা জটিল জাতীয় আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক চক্রের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনটা হওয়া জরুরি। নির্বাচনটা ডিসেম্বরের মধ্যে না হলে কবে নির্বাচন হবে? কি রকম নির্বাচন হবে? কিভাবে নির্বাচন হবে? সেগুলো নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন ওঠে। সংশয়ের অবকাশ তৈরি।

আমি ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন দেখি না। যদিও বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো একমাত্র আওয়ামী লীগ বাদ দিয়ে তারা এই নির্বাচনের ব্যাপারে আশাবাদী।
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

জিল্লুর রহমান বলেন, সরকারও বলছে যে কোনো পরিস্থিতি হোক না কেন নির্বাচনটা ফেব্রুয়ারিতে হবে। নির্বাচনটা হয়ে গেলে ভালো। সে বিষয়ে আমার কোন ভিন্নমত নেই। আমিও খুশি হব যদি ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হয়ে যায়। কিন্তু আমার একটা সংশয় প্রশ্ন থেকেই যাবে। কেমন নির্বাচন আমরা চাই? কেমন নির্বাচন হবে? নির্বাচনটা যদি একটা আইডিয়াল ইলেকশন হয়, অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়, বাংলাদেশের প্রতিটি জনগণ খুশি হবে।

জিল্লুর বলেন, নির্বাচনটা যদি একটা পার্ট সিলেকশন একটা সংঘাতময় নির্বাচন হয় কেউই সেটা একসেপ্ট করবেন না। সবচাইতে বড় কথা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যারা ক্ষমতায় যাবেন তাদের জন্য সেটা স্বস্তিকর এবং সুখকর হবে না। তাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার পরে এই চ্যালেঞ্জ আরো বাড়বে।

জিল্লুর আরো বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে আরপিও আদেশ সেটা উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত হয়েছে। সেখানে অনেকগুলো বিষয় আছে। অনেকগুলো বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতভিন্নতা আছে। যারাই ক্ষমতায় যান ক্যাবিনেটটা করবেন, যেন ইফিসিয়েন্ট হয়। কার রাজনীতিতে কতখানি ত্যাগ আছে সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার চাইতে বড় কথা হচ্ছে ইফিসিয়েন্সিটা মোর ইম্পর্টেন্ট।