মহুয়া নূর কচি, তুমি কি জানো? এই বাংলাদেশে তোমার মত আরেক জন নারী রাজনীতিবিদ আছেন, যিনি নৃশংস হামলায় জনগণের অতি প্রিয় মানুষ তার স্বামীকে হারিয়ে এতিম সন্তানদের হাত ধরে রাজনীতিতে এসেছিলেন। তারও তোমার মত আর কোন সহায় ছিল না এক আল্লাহ আর মানুষের সমর্থন ছাড়া। তারপর আন্দোলন ও ত্যাগ স্বীকারের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সেই রাজনীতিবিদ এই মাথা না নোয়ানো দেশটার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, আর সমগ্র মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয়।
মহুয়া নূর কচি, হ্যাঁ, আমরা Bangladesh Nationalist Party বিএনপির চেয়ারপার্সন Begum Khaleda Zia-র কথা বলছি। তোমার পাশে বেগম খালেদা জিয়া আছেন, দেশের সবাই আছে । মনোবল শক্ত কর। তোমার কিচ্ছুই ভোলনি, শুধু আরেকটু অপেক্ষা। সামনেই মানুষকে সাথে নিয়ে সেই খুনীদের মোকাবেলা করার সময় আসছে। রক্ত ঝরিয়ে নয়, ঘাম ঝরিয়ে মানুষের জন্য কাজ করে আমরা সেই খুনীদের পরাজিত করব। তৈরি হও। তোমার মানুষদের তৈরি কর।
(ছবিতে দেখা যাচ্ছে নাটোরের দল-মত নির্বিশেষে জনপ্রিয় পৌরসভা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা সানাহউল্লাহ নূর বাবুর বিধবা স্ত্রী ও তিন কন্যাকে। ২০১০ সালের অক্টোবরে পৌরসভা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা সানাহউল্লাহ নূর বাবু স্থানীয় আ’লীগ নেতা প্রভাষক জাকির হোসেনের নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসীর হামলায় প্রকাশ্য দিবালোকে নিহত হন। হামলায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সাংবাদিকসহ বহু লোক আহত হন। সেই হত্যাকান্ডের ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ফুটেজটি ভুয়া। পরবর্তীতে বনপাড়ার শূণ্য আসনে নির্বাচনের তফসিল দেয়া হলে সানাহউল্লাহ বাবুর বিধবা স্ত্রী মহুয়া নূর কচি বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের ঘোষণা দেন। কিন্তু আ’লীগ দলীয় মনোনয়ন দেয় হত্যাকারী নেতা জাকির হোসেনকে। তারপর এক অভূতপূর্ব কারচুপি ও সন্ত্রাসের নির্বাচনে খুনী জাকির একশোরও কম ভোটে কচিকে পরাজিত করে।
এস এম আয়নুল হক, রাজশাহী ব্যুরো 





















