নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জেনারেল শাখায় অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৫-এ বনপাড়া সেন্ট যোসেফস স্কুল এন্ড কলেজ শীর্ষস্থান দখল করেছে। মোট ২৩টি কলেজের ৩৭০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৭ জন এ+ পেয়েছে। বনপাড়া সেন্ট যোসেফস স্কুল এন্ড কলেজের ৫৩২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ৪৩ জন এ+ অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, কালিকাপুর কৃষি ও কারিগরি কলেজে ২১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন, আর চান্দাই কলেজে ১১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনই পাশ করেছে। জোনাইল ডিগ্রি কলেজে ৩১৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৩ জন পাশ করেছে এবং ৯ জন এ+ পেয়েছে, যা ৪৭.৯৬ শতাংশের পাশের হার। বনপাড়া সরকারি মহিলা কলেজে ৪৪৮ জনের মধ্যে ২৬৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ৫ জন এ+ পেয়েছে (৫৯.১৫ শতাংশ)। বড়াইগ্রাম সরকারি অনার্স কলেজে ৩৬১ জনের মধ্যে ১৮২ জন পাশ করেছে এবং ৫ জন এ+ পেয়েছে (৫০.৪২ শতাংশ)। রাজাপুর ডিগ্রি কলেজে ২৬৭ জনের মধ্যে ৯৯ জন পাশ করেছে এবং ৩ জন এ+ পেয়েছে। মৌখাড়া ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজে ৬৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮ জন উত্তীর্ণ এবং ২ জন এ+ পেয়েছে।
বি.এম শাখায় আহমেদপুর ডিগ্রি কলেজের ১০৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জন পাশ করেছে এবং ৩ জন এ+ পেয়েছে। মৌখাড়া ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজে ২৯ জনের মধ্যে ২৫ জন উত্তীর্ণ এবং ২ জন এ+ পেয়েছে। বড়াইগ্রাম মহিলা টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪ জন পাশ করেছে এবং ২ জন এ+ পেয়েছে। হাজী ফয়ের উদ্দিন কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজের ৩১ জনের মধ্যে ১৩ জন উত্তীর্ণ এবং একজন এ+ পেয়েছে।
আলিম শাখায় ধানাইদহ ফাজিল মাদ্রাসায় ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০ জন পাশ করেছে এবং ২ জন এ+ পেয়েছে। তবে ১৫ কলেজে কোনো পরীক্ষার্থী এ+ অর্জন করতে পারেনি। বড়াইগ্রাম মহিলা কলেজের ৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন। কলেজের অধ্যক্ষ মাহাবুবুল হক বাচ্চু জানিয়েছেন, পরীক্ষার্থীরা মূলত বিয়ে হওয়ার কারণে অনুপস্থিত ছিলেন।
তবে বিগত বছরের ন্যায় পরীক্ষার খাতা দেখার নির্দেশনা কঠিন ছিল, পাশাপাশি শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে, এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে হয়তো আরো কঠিন থেকে কঠিনত্ব হবে শিক্ষা ব্যবস্থা।
বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি সোহাগ আহমেদ 





















