জোনাইল ডিগ্রী কলেজের অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম রাজিবুল করিমের মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে অধ্যক্ষের প্রতিবাদ অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব এস এম রাজিবুল করিম অদ্যকার সাংবাদিক সম্মেলনের বলেছেন আমি প্রতিষ্ঠাতা জোনাইল ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ নই। প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হলেন এ্যাডঃ মোঃ মকছেদুর রহমান। উল্লেখ্য যে এ্যাডঃ মোঃ মকছেদুর রহমান আইন বিষয়ে অনার্স মাস্টার্স করেছেন। একজন আইন বিষয়ে মানুষ হয়ে কি করে কলেজের অধ্যক্ষ হতে পারে। তিনি স্বল্প সময়ের জন্য অধ্যক্ষ নিয়োগ পর্যন্ত কলেজের দেখা শোনা করেছেন। এই ক্ষেত্রে বলা যায় অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এই বিষয়ে মিথ্যাচার করছেন। আমি এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলেছেন আমি শিক্ষক শিক্ষার্থী ও জনতার আন্দোলনের মুখে ২৬/০৯/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ ভোরে কলেজে প্রবেশ করে কলেজের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যাই। প্রকাশ থাকে যে তিনি গত ১৫/০৬/২০২৫ খ্রি তারিখে নাটোর এডিএম কোর্টে একটি মামলা করেন, যার মামলা নং ২৯৫পি/ ২০২৫।এই মামলায় উল্লেখ আছে, আমি গত ২৫/০৯/২০২৪ খ্রি,তারিখে সকালে কলেজে প্রবেশ করে জোরপূর্বক কাগজপত্র নিয়ে যাই। সাংবাদিক সম্মেলনে উল্লেখিত তরিখ ও মামলায় উল্লেখিত তারিখের গরমিল লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও শিক্ষক শিক্ষার্থীরা আমার বিরুদ্ধে কেন আন্দোলন করবে? আমি তাদের অন্যায় ভাবে কোন স্বার্থ বিরোধী কাজ করি নাই যে তারা আমার বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে আমার (অধ্যক্ষ) কক্ষে তালা দিবে। কলেজের অফিস সহকারি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিষয়ে তিনি বলেছেন -কলেজে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত করার জন্য আমি নিয়োগ স্থগিতের জন্য মামলা করেছি।অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন -আমি ও তার চার সহযোগী শিক্ষকের নামে নাটোর সহকারি জাজ আদালতে চাঁদাবাজির মামলা করেছি। এই বিষয়ে ও তিনি চরম মিথ্যাচার করেছেন। কারণ, মামলা করেছেন উচ্চতর বেতন স্কেল প্রত্যাশী একজন সিনিয়র শিক্ষক। তিনি প্রশ্ন উত্তর পর্বে অনেকগুলো বিধি বিধান বহির্ভূত মনগড়া বানোয়াট উত্তর দিয়েছেন। যেমন, কলেজ ফান্ডের উল্লেখযোগ্য টাকা কোন খাতে ব্যয় করেছেন। তাঁর জবাবে একটি বিরাট অংকের টাকা একজন স্বনামধন্য ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে বলে। এছাড়া তিনি আমাকে কোন বিধান মতে, দু’দফায় ৮(আট) মাসের ছুটি দিয়েছেন তার ও সদোত্তর দিতে পারেন নাই।এবং আরোও অনেক উত্তরই কলেজ পরিচালনা বিধি-বিধান মতে উত্তর না দিয়ে মনগড়া বানোয়াট উত্তর দিয়েছেন। এছাড়া কলেজ কর্মকর্তা দু’জন সম্মানিত শিক্ষক শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।অবৈধ এডহক কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমাকে বার বার সাবেক অধ্যক্ষ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। যা বিধি বিধান বহির্ভূত। কারণ আমাকে বিধি বিধান মোতাবেক সাময়িক বরখাস্ত করা হয় নাই এবং আমাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয় নাই। গঠিত এডহক কমিটি ও গভর্নিংবোর্ড জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিধান অনুযায়ী অনুমোদিত হয় নাই। তার প্রতিটি প্রমান অধ্যক্ষ আবুল আসর শফিউজ্জামান বিন্দু কাছে সংরক্ষিত আছে।
সংবাদ শিরোনাম ::
অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব এস এম রাজিবুল করিম অদ্যকার সাংবাদিক সম্মেলন
-
আয়নুল হক রাজশাহী ব্যুরো - আপডেট সময় ১১:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- ৬২০ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ





















