ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
২২০ কোটি খরচে মানুষ থেকে কুকুর, সামনে এল আসল ঘটনা! নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন উপলক্ষে কনসার্ট  আত্রাইয়ে মাদক সেবনের ছবি ফেসবুকে পোস্ট, মাদকসেবীর ২ মাসের কারাদণ্ড বর্ণাঢ্য আয়োজনে অংকনশালা ও শিল্পচর্চা কেন্দ্রের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গ্রেনেড বাবুর বিরুদ্ধে বহিষ্কারের রুল: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চাঞ্চল্য ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী

১ অক্টোবর খুলছে না কেওক্রাডং পর্যটন কেন্দ্র

বান্দরবানের অন্যতম দর্শনীয় পর্যটন স্পট কেওক্রাডং ১ অক্টোবর থেকে খোলার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে ভ্রমণ বন্ধই থাকবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

তিনি বলেন, আমরা চাই জেলায় আগত পর্যটকদের কোনো সমস্যা যেন না হয়। তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটাই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া কেওক্রাডং-কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় সেগুলো পর্যটকদের সেবা দেওয়ার জন্য এখনো প্রস্তুত হয়নি। আশা করছি দুর্গাপূজার পর কেওক্রাডং পর্যটনকেন্দ্র সকলের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।

গতকাল শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক অপসারণ অভিযানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি। এ সময় তিনি জানান, কেওক্রাডং পর্যটনকেন্দ্র ১ অক্টোবর খুলে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) নামের একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের অপতৎপরতা বৃদ্ধির কারণে জেলায় আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা বিবেচনায় ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর জেলার রুমা উপজেলা, রোয়াংছড়ি উপজেলা ও থানচি উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন।

২০২২ সালের ৯ অক্টোবর থেকে সরকারি উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে তিন উপজেলায় যৌথ বাহিনী কেএনএফ সন্ত্রাসী দমনে অভিযান শুরু করলে নিরাপত্তার কারণে ২০ অক্টোবর থেকে তিন উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পর্যায়ক্রমে জেলার কয়েকটি এলাকায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। সর্বশেষ গত ১১ ফেব্রুয়ারি রোয়াংছড়ি উপজেলার দেবতাখুম পর্যটন স্পষ্ট পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয় বান্দরবান জেলা প্রশাসন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২২০ কোটি খরচে মানুষ থেকে কুকুর, সামনে এল আসল ঘটনা!

১ অক্টোবর খুলছে না কেওক্রাডং পর্যটন কেন্দ্র

আপডেট সময় ০৫:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বান্দরবানের অন্যতম দর্শনীয় পর্যটন স্পট কেওক্রাডং ১ অক্টোবর থেকে খোলার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে ভ্রমণ বন্ধই থাকবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

তিনি বলেন, আমরা চাই জেলায় আগত পর্যটকদের কোনো সমস্যা যেন না হয়। তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটাই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া কেওক্রাডং-কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় সেগুলো পর্যটকদের সেবা দেওয়ার জন্য এখনো প্রস্তুত হয়নি। আশা করছি দুর্গাপূজার পর কেওক্রাডং পর্যটনকেন্দ্র সকলের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।

গতকাল শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক অপসারণ অভিযানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি। এ সময় তিনি জানান, কেওক্রাডং পর্যটনকেন্দ্র ১ অক্টোবর খুলে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) নামের একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের অপতৎপরতা বৃদ্ধির কারণে জেলায় আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা বিবেচনায় ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর জেলার রুমা উপজেলা, রোয়াংছড়ি উপজেলা ও থানচি উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন।

২০২২ সালের ৯ অক্টোবর থেকে সরকারি উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে তিন উপজেলায় যৌথ বাহিনী কেএনএফ সন্ত্রাসী দমনে অভিযান শুরু করলে নিরাপত্তার কারণে ২০ অক্টোবর থেকে তিন উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পর্যায়ক্রমে জেলার কয়েকটি এলাকায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। সর্বশেষ গত ১১ ফেব্রুয়ারি রোয়াংছড়ি উপজেলার দেবতাখুম পর্যটন স্পষ্ট পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয় বান্দরবান জেলা প্রশাসন।