ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিআরটিএর ডিজিটাল প্রকল্পে ম্যানেজার আল-আমিন-রুবেল সিন্ডিকেটের শতকোটি টাকার জালিয়াতি ওএসডি হওয়ার ১৮ দিনের মাথায় স্বপদে ফিরলেন বিতর্কিত প্রকৌশলী শাহজাহান ভুয়া বিল-তেল লোপাটে শতকোটি সম্পদের অভিযোগ অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে আওয়ামীপন্থি প্রকৌশলী নিমিতোষ ওঝার হাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ডোম-ইনোর জালের ফাঁদে জমি-বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব শিক্ষক পরিবার নিম্নমানের যন্ত্রপাতি দিয়ে রামপাল সচল রাখতে প্রকৌশলীদের মরিয়া চেষ্টা ইইডির প্রকৌশলীর টেবিলে টাকার লেনদেন, ‘স্যারের কাছে ৫ লাখ টাকা রেখে যান’ ৫ ভাইয়ের দাপটে জিম্মি বরিশাল কর কমিশনারের কার্যালয় ঘুষ-দুর্নীতি ও সরকারি গাড়ির অপব্যবহারের অভিযোগে আলোচনায় ঠাকুরগাঁও এলজিইডির প্রকৌশলী মামুন সেই ফজলুল হকই এখন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক

বন্ধ মিটারে বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ৬৭ হাজার

দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকলেও মিটারে এক মাসের বিল এসেছ এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা। যা দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েছেন গ্রাহক। কুমিল্লা নগরীর ছোটরা কলোনির বাসিন্দা তানজীদা আক্তারের সঙ্গে ঘটেছে এমন ঘটনা। ভূতুড়ে এ বিল নিয়ে জেলাজুড়ে সমালোচনা চলছে।

ভুক্তভোগী তানজীদা আক্তার জানান, গত সাড়ে ৪ বছর আগে তাদের দুই কক্ষের বাসাটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ শাসনগাছা গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য তিনি লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ বিভাগ তার সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করলেও মিটারটি রেখে যান। এই বাবদ প্রতিমাসে ৪০ কখনো ৪৩ টাকার বিল আসে। এ নিয়ে বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও মিটারের একটি বিল হয়।

তিন বলেন, সাড়ে ৪ বছর পর বাড়িটিকে পুনঃনির্মাণ করে শাসনগাছা বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাই। পরে অফিস থেকে বলা হয় প্রিপেইড মিটার নিতে। পরে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রিপেইড লাগোনো হয়। কিন্তু আগস্ট মাসে পুরাতন মিটারের বিল আসে ১৪০০ টাকা। ১৪ সেপ্টেম্বর আবার বিল আসে এক লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৪ টাকা। যা দেখে হতভম্ব হয়ে যাই।

তিনি আরও বলেন, পরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাসনগাছা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা একে অন্যের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন। দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহকের কাছে ভূতুড়ে বিল পাঠানোর প্রতিবাদ ও তদন্তপূর্বক বিচার দাবি করছি।

জেলার বাসিন্দা মোবারক হোসনে বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের ভূতুড়ে বিল তৈরির কারণে কুমিল্লায় বহু মানুষকে প্রতি মাসে অতিরিক্ত বিল দিতে হচ্ছে। এর জ্বলন্ত প্রমাণ তানজীদা আক্তার। বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেও এক লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৪ টাকা বিল এসেছে। যিন বিলটি তৈরি করেছেন আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, যে মিটারের বিপরীতে এই বিদ্যুৎ বিল তৈরি হয়েছে, ওই বাড়ির মালিক অফিসে এসে যোগাযোগ করেননি। তারপরেও আমারা তাদের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেছি। যাচাইবাছাই করে দেখা গেছে অন্য একজন গ্রাহকের বিল ভুলবশত ওই গ্রাহকের নামে চলে যায়। এটি দুঃখজনক। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করবো।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিআরটিএর ডিজিটাল প্রকল্পে ম্যানেজার আল-আমিন-রুবেল সিন্ডিকেটের শতকোটি টাকার জালিয়াতি

বন্ধ মিটারে বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ৬৭ হাজার

আপডেট সময় ০৮:০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকলেও মিটারে এক মাসের বিল এসেছ এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা। যা দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েছেন গ্রাহক। কুমিল্লা নগরীর ছোটরা কলোনির বাসিন্দা তানজীদা আক্তারের সঙ্গে ঘটেছে এমন ঘটনা। ভূতুড়ে এ বিল নিয়ে জেলাজুড়ে সমালোচনা চলছে।

ভুক্তভোগী তানজীদা আক্তার জানান, গত সাড়ে ৪ বছর আগে তাদের দুই কক্ষের বাসাটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ শাসনগাছা গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য তিনি লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ বিভাগ তার সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করলেও মিটারটি রেখে যান। এই বাবদ প্রতিমাসে ৪০ কখনো ৪৩ টাকার বিল আসে। এ নিয়ে বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও মিটারের একটি বিল হয়।

তিন বলেন, সাড়ে ৪ বছর পর বাড়িটিকে পুনঃনির্মাণ করে শাসনগাছা বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাই। পরে অফিস থেকে বলা হয় প্রিপেইড মিটার নিতে। পরে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রিপেইড লাগোনো হয়। কিন্তু আগস্ট মাসে পুরাতন মিটারের বিল আসে ১৪০০ টাকা। ১৪ সেপ্টেম্বর আবার বিল আসে এক লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৪ টাকা। যা দেখে হতভম্ব হয়ে যাই।

তিনি আরও বলেন, পরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাসনগাছা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা একে অন্যের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন। দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহকের কাছে ভূতুড়ে বিল পাঠানোর প্রতিবাদ ও তদন্তপূর্বক বিচার দাবি করছি।

জেলার বাসিন্দা মোবারক হোসনে বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের ভূতুড়ে বিল তৈরির কারণে কুমিল্লায় বহু মানুষকে প্রতি মাসে অতিরিক্ত বিল দিতে হচ্ছে। এর জ্বলন্ত প্রমাণ তানজীদা আক্তার। বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেও এক লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৪ টাকা বিল এসেছে। যিন বিলটি তৈরি করেছেন আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, যে মিটারের বিপরীতে এই বিদ্যুৎ বিল তৈরি হয়েছে, ওই বাড়ির মালিক অফিসে এসে যোগাযোগ করেননি। তারপরেও আমারা তাদের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেছি। যাচাইবাছাই করে দেখা গেছে অন্য একজন গ্রাহকের বিল ভুলবশত ওই গ্রাহকের নামে চলে যায়। এটি দুঃখজনক। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করবো।