ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘জি এম তো নাই’ হেসে বললেন স্পিকার, বাতিল হলো প্রশ্ন সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুলের ২৮৪ শতক জমি জব্দ, ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ১ লাখ ৪২ হাজার ভারতীয় ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার-১২ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের কাছে নথি চায় দুদক শাবনূরকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে যা বলেছিলেন সালমান শাহর বাবা মনোহরগঞ্জে ভাতের হোটেল থেকে ইয়াবাসহ ২জন আটক ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ : হাসিনা ও রেহানার বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত মাদক ও বাল্যবিবাহ রোধে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সভা পবিপ্রবি’র ভেটেরিনারী অনুষদের মেইন গেট উদ্বোধন ও শিক্ষার্থীদের সেমিনার ৫ মাস পর সংসদ অধিবেশনে মির্জা আব্বাস, অভিনন্দন জানালেন স্পিকার

চবিতে বাড়ছে উত্তেজনা, স্থানীয়দের ধাওয়ায় উপ-উপাচার্য অসুস্থ

  • চবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০২:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৭৭ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন ফের মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
এদিকে রোববার শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে অবস্থানকালে স্থানীয়দের ধাওয়ায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন অসুস্থ হয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে।

পরে নিরাপত্তা কর্মীদের সহায়তায় গাড়িতে করে তাকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সম্প্রতি অধ্যাপক কামালের বাম হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। তিনিসহ প্রশাসনের অন্যরা ঘটনা সমাধানের চেষ্টা করছিলেন।

এছাড়া প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ ইটের আঘাতে আহত হন। পরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে চবি মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য যান তিনি।

শনিবার মধ্যরাতে সংঘর্ষের ঘটনার জেরে রোববার সকাল থেকে প্রধান ফটক বন্ধ করে জিরো পয়েন্ট এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন তারা। একপর্যায়ে ক্যাম্পাসের পাশে রাতের সংঘর্ষ ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় লোকজনও লাঠিসোটা নিয়ে এগিয়ে আসে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

আজ ইট-পাটকেলের আঘাতে আরও অন্তত ৪ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। দুপুর ১টায় এ খবর লেখা পর্যন্ত উত্তেজনা চলমান রয়েছে। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বর এলাকায় ও স্থানীয় বাসিন্দারা জোবরা এলাকায় অবস্থান করছেন।

শনিবার রাতে দেরিতে বাড়িতে ফেরায় এক ছাত্রীকে বাসার দারোয়ান কর্তৃক মারধরকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনার সূত্রপাত।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় দোকান ও বাড়ির জানালাসহ ভাঙচুরযোগ্য শতাধিক স্থাপনা ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এদিকে রাতের ঘটনার বিচার দাবি করে রোববার সকালে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।

সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছেন। পরীক্ষা স্থগিত থাকলেও ক্লাস ও শাটল ট্রেন নিয়মিত সূচি অনুযায়ী চলবে।

শনিবার রাতে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এরমধ্যে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে (চমেক) পাঠানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির দুই শিক্ষকও আহত হয়েছেন। শনিবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ ঘটনা ঘটে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জি এম তো নাই’ হেসে বললেন স্পিকার, বাতিল হলো প্রশ্ন

চবিতে বাড়ছে উত্তেজনা, স্থানীয়দের ধাওয়ায় উপ-উপাচার্য অসুস্থ

আপডেট সময় ০২:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন ফের মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
এদিকে রোববার শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে অবস্থানকালে স্থানীয়দের ধাওয়ায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন অসুস্থ হয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে।

পরে নিরাপত্তা কর্মীদের সহায়তায় গাড়িতে করে তাকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সম্প্রতি অধ্যাপক কামালের বাম হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। তিনিসহ প্রশাসনের অন্যরা ঘটনা সমাধানের চেষ্টা করছিলেন।

এছাড়া প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ ইটের আঘাতে আহত হন। পরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে চবি মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য যান তিনি।

শনিবার মধ্যরাতে সংঘর্ষের ঘটনার জেরে রোববার সকাল থেকে প্রধান ফটক বন্ধ করে জিরো পয়েন্ট এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন তারা। একপর্যায়ে ক্যাম্পাসের পাশে রাতের সংঘর্ষ ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় লোকজনও লাঠিসোটা নিয়ে এগিয়ে আসে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

আজ ইট-পাটকেলের আঘাতে আরও অন্তত ৪ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। দুপুর ১টায় এ খবর লেখা পর্যন্ত উত্তেজনা চলমান রয়েছে। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বর এলাকায় ও স্থানীয় বাসিন্দারা জোবরা এলাকায় অবস্থান করছেন।

শনিবার রাতে দেরিতে বাড়িতে ফেরায় এক ছাত্রীকে বাসার দারোয়ান কর্তৃক মারধরকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনার সূত্রপাত।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় দোকান ও বাড়ির জানালাসহ ভাঙচুরযোগ্য শতাধিক স্থাপনা ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এদিকে রাতের ঘটনার বিচার দাবি করে রোববার সকালে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।

সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছেন। পরীক্ষা স্থগিত থাকলেও ক্লাস ও শাটল ট্রেন নিয়মিত সূচি অনুযায়ী চলবে।

শনিবার রাতে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এরমধ্যে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে (চমেক) পাঠানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির দুই শিক্ষকও আহত হয়েছেন। শনিবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ ঘটনা ঘটে।