সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

বিএসএমএমইউতে ছাত্র জনতার উপর হামলার মাস্টারমাইন্ড কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য পরিচালক বেলাল হোসেন বহাল তবিয়তে

২০২৪ সালের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানকে প্রতিহত করতে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দোসররা ঐতিহাসিকভাবে নারকীয় হামলা চালায় ছাত্র জনতার উপরে ।

বিবেক আর মানবতাকে দূরে সরিয়ে মেতে ওঠে হত্যাযজ্ঞে কিন্তু ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়, ক্ষমতায় আসে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ডাক্তার ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

ক্ষমতায় বসেই রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ নেন এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের শাস্তি বদলি ও বিচারের মুখোমুখি করেন, তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জনতার উপরে হামলার প্রধান মাস্টারমাইন্ড ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য ও পরিচালক মোঃ বেলাল হোসেন, কিন্তু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন হলেও ফ্যাসিবাদের দোসর এখনো বহাল তবিয়তে।

বেলাল হোসেন ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রতিষ্ঠাতা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ইসাহাক হোসেন ও তাজবিরূল হক অনুর কমিটির সদস্য ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ওমর ফারুক চৌধুরী ও হারূনুর রশিদ কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন এবং পরবর্তীতে পরশ নিখিল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে এখনো বহাল আছেন, ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন টেন্ডারবাজি করে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানী ঢাকায় যুবলীগের নেতৃত্বে যে হত্যাকাণ্ড চালানোর নীল নকশা প্রণয়ন করা হয় সেই কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন বেলাল হোসেন পিজি হাসপাতালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঠেকানোর প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন তার নেতৃত্বে নির্বিচারে সাধারণ ছাত্র জনতার উপরে ভয়াবহ হামলা চালানো হয় এছাড়াও শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হেলমেট পরিহিত অবস্থায় সরাসরি গুলি চালায় বেলাল হোসেন, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট তৎকালীন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলের নেতৃত্বে একটি গোপন বৈঠকে চার তারিখে হত্যাযজ্ঞের বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হয় সেই দায়িত্বের মধ্যে বেলাল হোসেনকে পিজি হাসপাতাল শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেওয়া হয়, এত অভিযোগ থাকার পরও ৫ ই আগস্টের পরে তিনি ভোল পাল্টিয়ে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন।

৫ ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিএসএমএমইউতে হামলার মাস্টারমাইন্ডের তালিকা প্রকাশ করা হয় দেশের শীর্ষ সকল গণমাধ্যমে সেই তালিকার মধ্যে বেলাল হোসেনের নাম রয়েছে তারপরও তিনি ধরাছোঁয়ার বাহিরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী বলেন ৫ ই আগস্টের পরে কিছু কথিত রাজনৈতিক নেতাদের মোটা অংকের অর্থ দিয়ে তিনি বহাল তবিয়তে আছেন অথচ এটা শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হচ্ছে। একাধিক মামলায় বেলাল হোসেনের নাম আসার পরে অর্থ দিয়ে তিনি সেগুলো অদৃশ্য করেছেন।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য ও হাসপাতালের পরিচালক বেলাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

বিএসএমএমইউতে ছাত্র জনতার উপর হামলার মাস্টারমাইন্ড কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য পরিচালক বেলাল হোসেন বহাল তবিয়তে

আপডেট সময় ০৯:১৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

২০২৪ সালের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানকে প্রতিহত করতে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দোসররা ঐতিহাসিকভাবে নারকীয় হামলা চালায় ছাত্র জনতার উপরে ।

বিবেক আর মানবতাকে দূরে সরিয়ে মেতে ওঠে হত্যাযজ্ঞে কিন্তু ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়, ক্ষমতায় আসে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ডাক্তার ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

ক্ষমতায় বসেই রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ নেন এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের শাস্তি বদলি ও বিচারের মুখোমুখি করেন, তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জনতার উপরে হামলার প্রধান মাস্টারমাইন্ড ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য ও পরিচালক মোঃ বেলাল হোসেন, কিন্তু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন হলেও ফ্যাসিবাদের দোসর এখনো বহাল তবিয়তে।

বেলাল হোসেন ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রতিষ্ঠাতা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ইসাহাক হোসেন ও তাজবিরূল হক অনুর কমিটির সদস্য ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ওমর ফারুক চৌধুরী ও হারূনুর রশিদ কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন এবং পরবর্তীতে পরশ নিখিল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে এখনো বহাল আছেন, ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন টেন্ডারবাজি করে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানী ঢাকায় যুবলীগের নেতৃত্বে যে হত্যাকাণ্ড চালানোর নীল নকশা প্রণয়ন করা হয় সেই কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন বেলাল হোসেন পিজি হাসপাতালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঠেকানোর প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন তার নেতৃত্বে নির্বিচারে সাধারণ ছাত্র জনতার উপরে ভয়াবহ হামলা চালানো হয় এছাড়াও শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হেলমেট পরিহিত অবস্থায় সরাসরি গুলি চালায় বেলাল হোসেন, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট তৎকালীন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলের নেতৃত্বে একটি গোপন বৈঠকে চার তারিখে হত্যাযজ্ঞের বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হয় সেই দায়িত্বের মধ্যে বেলাল হোসেনকে পিজি হাসপাতাল শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেওয়া হয়, এত অভিযোগ থাকার পরও ৫ ই আগস্টের পরে তিনি ভোল পাল্টিয়ে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন।

৫ ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিএসএমএমইউতে হামলার মাস্টারমাইন্ডের তালিকা প্রকাশ করা হয় দেশের শীর্ষ সকল গণমাধ্যমে সেই তালিকার মধ্যে বেলাল হোসেনের নাম রয়েছে তারপরও তিনি ধরাছোঁয়ার বাহিরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী বলেন ৫ ই আগস্টের পরে কিছু কথিত রাজনৈতিক নেতাদের মোটা অংকের অর্থ দিয়ে তিনি বহাল তবিয়তে আছেন অথচ এটা শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হচ্ছে। একাধিক মামলায় বেলাল হোসেনের নাম আসার পরে অর্থ দিয়ে তিনি সেগুলো অদৃশ্য করেছেন।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য ও হাসপাতালের পরিচালক বেলাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি ।