ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওএসডি হওয়ার ১৮ দিনের মাথায় স্বপদে ফিরলেন বিতর্কিত প্রকৌশলী শাহজাহান ভুয়া বিল-তেল লোপাটে শতকোটি সম্পদের অভিযোগ অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে আওয়ামীপন্থি প্রকৌশলী নিমিতোষ ওঝার হাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ডোম-ইনোর জালের ফাঁদে জমি-বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব শিক্ষক পরিবার নিম্নমানের যন্ত্রপাতি দিয়ে রামপাল সচল রাখতে প্রকৌশলীদের মরিয়া চেষ্টা ইইডির প্রকৌশলীর টেবিলে টাকার লেনদেন, ‘স্যারের কাছে ৫ লাখ টাকা রেখে যান’ ৫ ভাইয়ের দাপটে জিম্মি বরিশাল কর কমিশনারের কার্যালয় ঘুষ-দুর্নীতি ও সরকারি গাড়ির অপব্যবহারের অভিযোগে আলোচনায় ঠাকুরগাঁও এলজিইডির প্রকৌশলী মামুন সেই ফজলুল হকই এখন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক লক্ষ্মীপুরে বিএনপির ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ দু’নেতাকে অব্যাহতি: তৃণমূলে ক্ষোভ ও উত্তেজনা

মেট্রোরেলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চাইছে ডিটিসিএ

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) মেট্রোরেল পরিচালনাকারী ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতার স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ডিএমটিসিএল গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়। সে সময় সিদ্ধান্ত হয়, মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ডিএমটিসিএল একটি সরকারি কোম্পানি হিসেবে কাজ করবে, আর তার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হবে ডিটিসিএ। পরবর্তীতে ডিটিসিএর অধীনে ম্যাস ট্রানজিট উইংও গঠিত হয়।

তবে ডিটিসিএর অভিযোগ, ডিএমটিসিএল এখন আর পূর্বের মতো তাদের কাছে রিপোর্ট দিচ্ছে না। বরং প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি সড়ক পরিবহন বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করছে।
ডিটিসিএর দাবি, মেট্রোরেলের যাত্রীদের বীমা, এমআরটি লাইনের নকশা অনুমোদন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ, দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি- এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা কার্যকর করছে না ডিএমটিসিএল। এমনকি কিছু চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শর্ত লঙ্ঘনও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত এমআরটি-৬ প্রকল্পে ডিপিপি প্রস্তুত, জাইকা পরামর্শক নিয়োগ, কোম্পানি নিবন্ধনসহ নানা প্রক্রিয়া ডিটিসিএ সম্পন্ন করেছিল বলে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে সড়ক পরিবহন বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এহছানুল হককে একাধিকবার কল করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম জানান, যেসব বিষয় নিয়ম অনুযায়ী ডিটিসিএর মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হয়, আমরা তা পাঠাই। তবে দৈনন্দিন পরিচালনাগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত আমরা সরাসরি মন্ত্রণালয়কে জানাই। ডিএমটিসিএল গঠনের সময়ই আমাদের সে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওএসডি হওয়ার ১৮ দিনের মাথায় স্বপদে ফিরলেন বিতর্কিত প্রকৌশলী শাহজাহান

মেট্রোরেলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চাইছে ডিটিসিএ

আপডেট সময় ১২:২১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) মেট্রোরেল পরিচালনাকারী ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতার স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ডিএমটিসিএল গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়। সে সময় সিদ্ধান্ত হয়, মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ডিএমটিসিএল একটি সরকারি কোম্পানি হিসেবে কাজ করবে, আর তার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হবে ডিটিসিএ। পরবর্তীতে ডিটিসিএর অধীনে ম্যাস ট্রানজিট উইংও গঠিত হয়।

তবে ডিটিসিএর অভিযোগ, ডিএমটিসিএল এখন আর পূর্বের মতো তাদের কাছে রিপোর্ট দিচ্ছে না। বরং প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি সড়ক পরিবহন বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করছে।
ডিটিসিএর দাবি, মেট্রোরেলের যাত্রীদের বীমা, এমআরটি লাইনের নকশা অনুমোদন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ, দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি- এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা কার্যকর করছে না ডিএমটিসিএল। এমনকি কিছু চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শর্ত লঙ্ঘনও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত এমআরটি-৬ প্রকল্পে ডিপিপি প্রস্তুত, জাইকা পরামর্শক নিয়োগ, কোম্পানি নিবন্ধনসহ নানা প্রক্রিয়া ডিটিসিএ সম্পন্ন করেছিল বলে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে সড়ক পরিবহন বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এহছানুল হককে একাধিকবার কল করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম জানান, যেসব বিষয় নিয়ম অনুযায়ী ডিটিসিএর মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হয়, আমরা তা পাঠাই। তবে দৈনন্দিন পরিচালনাগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত আমরা সরাসরি মন্ত্রণালয়কে জানাই। ডিএমটিসিএল গঠনের সময়ই আমাদের সে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।