ওয়ানডেতে রোহিত-কোহলির খেলা নিয়ে যা বললেন গাঙ্গুলি

টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়ার পরও রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি নিজেদের ধরে রেখেছেন একদিনের ফরম্যাটে। ২০২৪ সালে বার্বাডোসে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ১১ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর পর তারা টি-টোয়েন্টি থেকেও সরে দাঁড়ান। তবু ওয়ানডেতে তাঁদের ধারাবাহিকতা এখনো চোখে পড়ার মতো।

তবে ২০২৭ সালের বিশ্বকাপে তাদের থাকা না-থাকা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। এ প্রসঙ্গে প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি জানালেন—যতক্ষণ ভালো খেলবেন, ততক্ষণ দলে থাকা উচিত।

গ্রি বিজনেস লিমিটেডের এক অনুষ্ঠানে গাঙ্গুলি বলেন, ‘বলাটা কঠিন। যে ভালো করবে, সে-ই খেলবে। যদি তারা পারফর্ম করে, তবে অবশ্যই চালিয়ে যাওয়া উচিত। কোহলির ওয়ানডে রেকর্ড অসাধারণ, রোহিত শর্মারও তাই। দুজনই সাদা বলের ক্রিকেটে দুর্দান্ত।’

রোহিত-কোহলির অনুপস্থিতিতেই ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকর ট্রফিতে ২-২ ড্র করে ভারত। তরুণদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ গাঙ্গুলি বলেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট কারও জন্য থেমে থাকে না। প্রতিভার অভাব নেই। সুনীল গাভাস্কার ছিলেন, তারপর এলেন শচীন টেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ, ভিভিএস লক্ষ্মণ। তারা সরে গেলে এলো বিরাট কোহলি। আর কোহলি যখন সরে যাবে, তখন উঠে আসবে যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পান্ত, শুভমন গিল।’

গাঙ্গুলি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের শক্তিশালী ঘরোয়া ক্রিকেট, আইপিএল, এ-টিম, অনূর্ধ্ব-১৯—এসব মিলিয়ে প্রতিভার জোগান কখনও থামবে না।’
ইংল্যান্ড সফরে ভারতের পারফরম্যান্স নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন গাঙ্গুলি। ‘ম্যানচেস্টার টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে আমরা ছিলাম ০/২, সেখান থেকে ওভালে সিরিজ সমতায় আনা অসাধারণ। অনেক দিন পর—সম্ভবত ২০০২ বা ২০০৭-এর পর—ইংল্যান্ডে ভারতের শীর্ষ ছয় ব্যাটার এত ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলেছে। শুভমন গিল, যশস্বী, পান্ত, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর—সবার ব্যাটিং ছিল চোখে পড়ার মতো,’ বলেন তিনি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ানডেতে রোহিত-কোহলির খেলা নিয়ে যা বললেন গাঙ্গুলি

আপডেট সময় ০১:৫২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়ার পরও রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি নিজেদের ধরে রেখেছেন একদিনের ফরম্যাটে। ২০২৪ সালে বার্বাডোসে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ১১ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর পর তারা টি-টোয়েন্টি থেকেও সরে দাঁড়ান। তবু ওয়ানডেতে তাঁদের ধারাবাহিকতা এখনো চোখে পড়ার মতো।

তবে ২০২৭ সালের বিশ্বকাপে তাদের থাকা না-থাকা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। এ প্রসঙ্গে প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি জানালেন—যতক্ষণ ভালো খেলবেন, ততক্ষণ দলে থাকা উচিত।

গ্রি বিজনেস লিমিটেডের এক অনুষ্ঠানে গাঙ্গুলি বলেন, ‘বলাটা কঠিন। যে ভালো করবে, সে-ই খেলবে। যদি তারা পারফর্ম করে, তবে অবশ্যই চালিয়ে যাওয়া উচিত। কোহলির ওয়ানডে রেকর্ড অসাধারণ, রোহিত শর্মারও তাই। দুজনই সাদা বলের ক্রিকেটে দুর্দান্ত।’

রোহিত-কোহলির অনুপস্থিতিতেই ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকর ট্রফিতে ২-২ ড্র করে ভারত। তরুণদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ গাঙ্গুলি বলেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট কারও জন্য থেমে থাকে না। প্রতিভার অভাব নেই। সুনীল গাভাস্কার ছিলেন, তারপর এলেন শচীন টেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ, ভিভিএস লক্ষ্মণ। তারা সরে গেলে এলো বিরাট কোহলি। আর কোহলি যখন সরে যাবে, তখন উঠে আসবে যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পান্ত, শুভমন গিল।’

গাঙ্গুলি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের শক্তিশালী ঘরোয়া ক্রিকেট, আইপিএল, এ-টিম, অনূর্ধ্ব-১৯—এসব মিলিয়ে প্রতিভার জোগান কখনও থামবে না।’
ইংল্যান্ড সফরে ভারতের পারফরম্যান্স নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন গাঙ্গুলি। ‘ম্যানচেস্টার টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে আমরা ছিলাম ০/২, সেখান থেকে ওভালে সিরিজ সমতায় আনা অসাধারণ। অনেক দিন পর—সম্ভবত ২০০২ বা ২০০৭-এর পর—ইংল্যান্ডে ভারতের শীর্ষ ছয় ব্যাটার এত ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলেছে। শুভমন গিল, যশস্বী, পান্ত, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর—সবার ব্যাটিং ছিল চোখে পড়ার মতো,’ বলেন তিনি।