ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনা গণপূর্তে রাশেদ কবীরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ পিডিবিএফে মাহমুদ হাসানকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড় রেলওয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের ছড়াছড়ি, হাজার কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ ৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে হত্যা, বাবাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে মেয়েকে হত্যা করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর মামলায় বাবা, চাচা ও চাচাতো ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নুরুল আমিন বিপ্লব এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া জহির কোনা গ্রামের মৃত আ. মোতালেবের ছেলে মো. আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর মিয়া (৭৩), তার ছোট ভাই খুরশিদ মিয়া (৫২) এবং আঙ্গুর মিয়ার ছোট ভাই মেনু মিয়ার ছেলে সাদেক মিয়া (৩৬)। তিন আসামিই রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. জালাল উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট আনোয়ারুল ইসলাম আঙুর মিয়া, তার ভাই খুরশিদ মিয়া এবং ভাতিজা সাদেক মিয়া মিলিতভাবে আঙ্গুর মিয়ার মেয়ে মীরা আক্তারকে ছুরি দিয়া বুকে আঘাত করে হত্যা করে। পরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে করিমগঞ্জ থানায় ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন তারা। তদন্তের দায়িত্বে থাকা করিমগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলক কুমার দত্ত মামলাটি তদন্ত করে প্রমাণ পান, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নিজ মেয়েকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন আঙ্গুর মিয়া ও তার সহযোগীরা।

এরপর ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এসআই অলক কুমার দত্ত নিজে বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বুধবার (৬ আগস্ট) এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় নিহত মীরার মা মোছা. নাজমুন্নাহারকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আদালত তাকে খালাস দেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনা গণপূর্তে রাশেদ কবীরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে হত্যা, বাবাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে মেয়েকে হত্যা করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর মামলায় বাবা, চাচা ও চাচাতো ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নুরুল আমিন বিপ্লব এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া জহির কোনা গ্রামের মৃত আ. মোতালেবের ছেলে মো. আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর মিয়া (৭৩), তার ছোট ভাই খুরশিদ মিয়া (৫২) এবং আঙ্গুর মিয়ার ছোট ভাই মেনু মিয়ার ছেলে সাদেক মিয়া (৩৬)। তিন আসামিই রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. জালাল উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট আনোয়ারুল ইসলাম আঙুর মিয়া, তার ভাই খুরশিদ মিয়া এবং ভাতিজা সাদেক মিয়া মিলিতভাবে আঙ্গুর মিয়ার মেয়ে মীরা আক্তারকে ছুরি দিয়া বুকে আঘাত করে হত্যা করে। পরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে করিমগঞ্জ থানায় ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন তারা। তদন্তের দায়িত্বে থাকা করিমগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলক কুমার দত্ত মামলাটি তদন্ত করে প্রমাণ পান, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নিজ মেয়েকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন আঙ্গুর মিয়া ও তার সহযোগীরা।

এরপর ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এসআই অলক কুমার দত্ত নিজে বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বুধবার (৬ আগস্ট) এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় নিহত মীরার মা মোছা. নাজমুন্নাহারকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আদালত তাকে খালাস দেন।