ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুগদা মেডিকেল ঘিরে ডায়াগনস্টিকের ‘সিন্ডিকেট’! রোগী পাঠানোর নেপথ্যে কারা? পাবনা গণপূর্তে রাশেদ কবীরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ পিডিবিএফে মাহমুদ হাসানকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড় রেলওয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের ছড়াছড়ি, হাজার কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ ৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

জয়দেবপুর রেলস্টেশনে ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’ উদ্বোধন

অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে বাস্তবায়িত হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী মানবিক উদ্যোগে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনে স্থাপিত হলো ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’। তরুণদের সৃজনশীল অংশগ্রহণে জেলা পরিষদের আয়োজিত ‘আমার চোখে জুলাই বিপ্লব’ প্রতিপাদ্য ভিত্তিক আইডিয়া প্রতিযোগিতা থেকে নির্বাচিত এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে ৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে।
গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ছড়িয়ে দিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা ও গাইডলাইন অনুসরণ করে গাজীপুর জেলা পরিষদ ০১ থেকে ১০ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত ৬৯টি আইডিয়ার মধ্যে বিশ্লেষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয় ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’ স্থাপন প্রস্তাব।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনে আগত হাজারো যাত্রী ও পথচারীর জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানির একটি উন্মুক্ত ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। শুধু পানি নয়, এই কর্নারটি হয়ে উঠছে শহীদ মুগ্ধর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো ও সমাজে মানবিকতা চর্চার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
মঙ্গলবার এই সেবামূলক কর্নারের শুভ উদ্বোধন করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আরেফীন। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকবৃন্দ, প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্ত প্রকৌশলীরা, আইডিয়া প্রস্তাবকারী দলের সদস্যরা, জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
এই উদ্যোগ কেবল একটি পানির কর্নার নির্মাণ নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে মানবিক সেবা, তরুণ চিন্তার বিকাশ ও ঐতিহাসিক চেতনা বোধকে সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার এক প্রতীকী প্রয়াস।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুগদা মেডিকেল ঘিরে ডায়াগনস্টিকের ‘সিন্ডিকেট’! রোগী পাঠানোর নেপথ্যে কারা?

জয়দেবপুর রেলস্টেশনে ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’ উদ্বোধন

আপডেট সময় ০৩:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে বাস্তবায়িত হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী মানবিক উদ্যোগে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনে স্থাপিত হলো ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’। তরুণদের সৃজনশীল অংশগ্রহণে জেলা পরিষদের আয়োজিত ‘আমার চোখে জুলাই বিপ্লব’ প্রতিপাদ্য ভিত্তিক আইডিয়া প্রতিযোগিতা থেকে নির্বাচিত এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে ৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে।
গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ছড়িয়ে দিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা ও গাইডলাইন অনুসরণ করে গাজীপুর জেলা পরিষদ ০১ থেকে ১০ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত ৬৯টি আইডিয়ার মধ্যে বিশ্লেষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয় ‘মুগ্ধ সুপেয় পানির কর্নার’ স্থাপন প্রস্তাব।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনে আগত হাজারো যাত্রী ও পথচারীর জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানির একটি উন্মুক্ত ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। শুধু পানি নয়, এই কর্নারটি হয়ে উঠছে শহীদ মুগ্ধর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো ও সমাজে মানবিকতা চর্চার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
মঙ্গলবার এই সেবামূলক কর্নারের শুভ উদ্বোধন করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আরেফীন। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকবৃন্দ, প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্ত প্রকৌশলীরা, আইডিয়া প্রস্তাবকারী দলের সদস্যরা, জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
এই উদ্যোগ কেবল একটি পানির কর্নার নির্মাণ নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে মানবিক সেবা, তরুণ চিন্তার বিকাশ ও ঐতিহাসিক চেতনা বোধকে সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার এক প্রতীকী প্রয়াস।