ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পবিপ্রবিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত অধ্যক্ষ পদে পদোন্নতি পাওয়ায় প্রফেসর মো. শাহাদাত হোসেনকে সংবর্ধনা সিএফও তাপস পালের বিরুদ্ধে ১২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রাকাবের এমডি নিয়োগে উঠছে যোগ্যতার প্রশ্ন বদলে গেলেন বিআইডব্লিউটিএর আরিফ উদ্দিন ফেনীতে ১১ দলীয় ঐক্যের মিছিলে ককটেল নিক্ষেপ চট্টগ্রাম গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-২-এর প্রকৌশলী মহিবুলকে ঘিরে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ পীরগাছা সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দম্ভ ও হয়রানির অভিযোগ প্রকৌশলী আনিছুর রহমানকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ ৮৮৪ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে বড় প্যাকেজ, সীমিত দরদাতায় সিন্ডিকেটের শঙ্কা

তিস্তার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত, বন্যার শঙ্কা

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।
রোববার (৩ আগস্ট) সকালে তিস্তার পানি বিপৎসীমার বরাবর প্রবাহিত হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে করে লালমনিরহাট জেলার নদী তীরবর্তী এলাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খুলে দেওয়া আছে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জল কপাট।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৩ আগস্ট) দুপুর ১২টায় তিস্তা নদীর হাতীবান্ধার ডালিয়া পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.২০ মিটার, যা বিপদসীমা ৫২.১৫ মিটার থেকে ৫ সেন্টিমিটার উপরে।
অপরদিকে, কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি রেকর্ড করা হয়েছে ২৮.৭০ মিটার, যা বিপদসীমা ২৯.৩০ মিটারের তুলনায় ৬০ সেন্টিমিটার নিচে।

সূত্র মতে, শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি ছিল বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচে। ১৮ ঘণ্টার ব্যবধানে সেখানে পানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার বেশ কিছু নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে পাটগ্রামের দহগ্রাম, গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান, সিঙ্গামারী, সিন্দুর্না, হলদিবাড়ী, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জের ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন, কালমাটি, বাহাদুরপাড়া, পলাশী এবং সদর উপজেলার ফলিমারী, খুনিয়াগাছ, কুলাঘাট, মোগলহাট, রাজপুর, বড়বাড়ী ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের নিচু এলাকা ঝুঁকিতে রয়েছে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার রায় বলেন,বিকালের দিকে পানি আরও কিছুটা বাড়তে পারে এবং রাতে তা কমতে শুরু করতে পারে। ইতোমধ্যে কিছু নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। আমরা অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি। সন্ধ্যার দিকে পানি কতটুকু রাড়বে এবং কমবে তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পবিপ্রবিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত

তিস্তার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত, বন্যার শঙ্কা

আপডেট সময় ০৬:৪২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।
রোববার (৩ আগস্ট) সকালে তিস্তার পানি বিপৎসীমার বরাবর প্রবাহিত হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে করে লালমনিরহাট জেলার নদী তীরবর্তী এলাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খুলে দেওয়া আছে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জল কপাট।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৩ আগস্ট) দুপুর ১২টায় তিস্তা নদীর হাতীবান্ধার ডালিয়া পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.২০ মিটার, যা বিপদসীমা ৫২.১৫ মিটার থেকে ৫ সেন্টিমিটার উপরে।
অপরদিকে, কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি রেকর্ড করা হয়েছে ২৮.৭০ মিটার, যা বিপদসীমা ২৯.৩০ মিটারের তুলনায় ৬০ সেন্টিমিটার নিচে।

সূত্র মতে, শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি ছিল বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচে। ১৮ ঘণ্টার ব্যবধানে সেখানে পানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার বেশ কিছু নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে পাটগ্রামের দহগ্রাম, গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান, সিঙ্গামারী, সিন্দুর্না, হলদিবাড়ী, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জের ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন, কালমাটি, বাহাদুরপাড়া, পলাশী এবং সদর উপজেলার ফলিমারী, খুনিয়াগাছ, কুলাঘাট, মোগলহাট, রাজপুর, বড়বাড়ী ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের নিচু এলাকা ঝুঁকিতে রয়েছে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার রায় বলেন,বিকালের দিকে পানি আরও কিছুটা বাড়তে পারে এবং রাতে তা কমতে শুরু করতে পারে। ইতোমধ্যে কিছু নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। আমরা অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি। সন্ধ্যার দিকে পানি কতটুকু রাড়বে এবং কমবে তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।