সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা
টাক না দিলে মিলে না অনুমতি

সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোশারফ হুসাইনের অপকর্ম সমাচার!

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোশারফ হুসাইনের নানা প্রকার অপকর্ম নিয়ে তোলপাড় চলছে। তার দ্বারা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন মন্ত্রণালয়ে আসা সরকারী কর্মকর্তা,কর্মচারি ও সেবা গ্রহীতরা।

তিনি সচিবের সাথে দেখা করার পারমিশন দিতেও টাকা আদায় করছেন।
জানাগেছে, এ.বি.এম মোশারফ হোসেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের সচিবের় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসাবে গত ২৩/০৪/২০২৪ তারিখে যোগদান করেন। এরপর তিনি মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর,নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর,অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তর,কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ,জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনষ্টিটিউট, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এর সমগ্র বাংলাদেশের অতি: প্রধান প্রকৌশলী,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী,নির্বাহী প্রকৌশলী,উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলী এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের তালিকা ধরে মোবাইল ও টিএন্ডটি কল করে তার সাথে পারসোনালভাবে দেখা করতে বলেন।

উল্লেখিত প্রকৌশলীরা তার সাথে দেখা করলে তাদের বদলী, সাসপেন্ড,বিভাগীয় তদন্ত, সচিবের দপ্তরে জমা পড়া দুর্নীতির অভিযোগ গায়েব করে দেওয়া,ভালো পোষ্টিং করিয়ে দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করেন। মন্ত্রণালয়ের অধিনে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কাজেও তিনি হস্তক্ষেপ করেন। মন্ত্রণালয়ের গুরত্বপূর্ণ গোপনীয় তথ্য প্রকৌশলীদের কাছে পাচার করেও অর্থ আাদায় করেন।

তিনি সাবেক ফ্যাসিষ্ট সরকারের সচিবদের কাছে প্রতিনিয়ত তথ্য পাচার করে যাচ্ছেন।
তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ হলো, ১. তিনি অফিসের আগত ভিজিটরদের থেকে বিভিন্ন কায়দায় অথের্র বিনিময়ে সচিব মহোদয়ের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ দেন। ২.যারা অর্থ দেননা তাদেরকে সচিব মহোদয় অসুস্থ, ব্যাস্ত, মিটিং এ আছেন ইত্যাদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে পরবর্তী সপ্তাহে দেখা করার জন্য বলেন। ৩.অধিকাংশ ভিজিটরদের সাথে প্রায়ই অসদাচরণ করেন। ৪.বিভিন্ন বিষয়ের ফাইল সচিবের দপ্তরে আসার পর সেগুলো নিজের দখলে রেখে ফোন করে দেখা করতে বলেন এবং ফাইল অনুমোদনের নামে বড় অংকের টাকা দাবী করেন।

তার এধরনের অনৈতিক কর্মকান্ডে সচিব মহোদয়ের ভাবমুর্তি যেমন ক্ষুন্ন হচ্ছে তেমন মন্ত্রণালয়েরও বদনাম হচ্ছে। এই সকল অপকর্মের দরুণ গণপূর্তের কর্মকর্তা-কর্মচারী,প্রকৌশলী এবং সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
মুঠোফোনে এ বিষয়ে তার বক্তব্য চাইলে তিনি এখন সচিব স্যারের সাথে ব্যস্ত আছেন বলে লাইন কেটে দেন।
ভুক্তভোগীরা এ ক্ষেত্রে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিবের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

টাক না দিলে মিলে না অনুমতি

সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোশারফ হুসাইনের অপকর্ম সমাচার!

আপডেট সময় ০৮:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোশারফ হুসাইনের নানা প্রকার অপকর্ম নিয়ে তোলপাড় চলছে। তার দ্বারা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন মন্ত্রণালয়ে আসা সরকারী কর্মকর্তা,কর্মচারি ও সেবা গ্রহীতরা।

তিনি সচিবের সাথে দেখা করার পারমিশন দিতেও টাকা আদায় করছেন।
জানাগেছে, এ.বি.এম মোশারফ হোসেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের সচিবের় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসাবে গত ২৩/০৪/২০২৪ তারিখে যোগদান করেন। এরপর তিনি মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর,নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর,অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তর,কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ,জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনষ্টিটিউট, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এর সমগ্র বাংলাদেশের অতি: প্রধান প্রকৌশলী,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী,নির্বাহী প্রকৌশলী,উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলী এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের তালিকা ধরে মোবাইল ও টিএন্ডটি কল করে তার সাথে পারসোনালভাবে দেখা করতে বলেন।

উল্লেখিত প্রকৌশলীরা তার সাথে দেখা করলে তাদের বদলী, সাসপেন্ড,বিভাগীয় তদন্ত, সচিবের দপ্তরে জমা পড়া দুর্নীতির অভিযোগ গায়েব করে দেওয়া,ভালো পোষ্টিং করিয়ে দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করেন। মন্ত্রণালয়ের অধিনে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কাজেও তিনি হস্তক্ষেপ করেন। মন্ত্রণালয়ের গুরত্বপূর্ণ গোপনীয় তথ্য প্রকৌশলীদের কাছে পাচার করেও অর্থ আাদায় করেন।

তিনি সাবেক ফ্যাসিষ্ট সরকারের সচিবদের কাছে প্রতিনিয়ত তথ্য পাচার করে যাচ্ছেন।
তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ হলো, ১. তিনি অফিসের আগত ভিজিটরদের থেকে বিভিন্ন কায়দায় অথের্র বিনিময়ে সচিব মহোদয়ের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ দেন। ২.যারা অর্থ দেননা তাদেরকে সচিব মহোদয় অসুস্থ, ব্যাস্ত, মিটিং এ আছেন ইত্যাদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে পরবর্তী সপ্তাহে দেখা করার জন্য বলেন। ৩.অধিকাংশ ভিজিটরদের সাথে প্রায়ই অসদাচরণ করেন। ৪.বিভিন্ন বিষয়ের ফাইল সচিবের দপ্তরে আসার পর সেগুলো নিজের দখলে রেখে ফোন করে দেখা করতে বলেন এবং ফাইল অনুমোদনের নামে বড় অংকের টাকা দাবী করেন।

তার এধরনের অনৈতিক কর্মকান্ডে সচিব মহোদয়ের ভাবমুর্তি যেমন ক্ষুন্ন হচ্ছে তেমন মন্ত্রণালয়েরও বদনাম হচ্ছে। এই সকল অপকর্মের দরুণ গণপূর্তের কর্মকর্তা-কর্মচারী,প্রকৌশলী এবং সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
মুঠোফোনে এ বিষয়ে তার বক্তব্য চাইলে তিনি এখন সচিব স্যারের সাথে ব্যস্ত আছেন বলে লাইন কেটে দেন।
ভুক্তভোগীরা এ ক্ষেত্রে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিবের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।