ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোরের লালপুরে আপন ভাইদের হামলায় রক্তাক্ত স্বামী, থানায় অভিযোগ পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ বিসিএস প্রশ্নফাঁস মামলায় আদালতে জামিন নিতে এসে কারাগারে পিএসসি কর্মকর্তা বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাঠামোগত রূপান্তর ঘটাতে হবে: তথ্যমন্ত্রী গত ১৭ বছর শিক্ষা ব্যবস্থায় ধস নেমেছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না মেন্দেস, পুরোনো দ্বন্দ্ব নতুন করে আলোচনায় আবারও বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম মাতৃত্বকালীন মাসিক ভাতা কত? পাবেন যারা মদের কারখানার ড্রেন খুঁড়ে মিলল ১২৭ কোটি টাকার সোনা

নিয়োগ দুর্নীতি, আসামি খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসিসহ ১৭

ক্ষমতার অপব্যবহার করে যোগ্যপ্রার্থীদের ফেল করিয়ে অযোগ্যপ্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রহমান খানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার (২৭ জুলাই) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক সুমিত্রা সেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া, যোগ্যপ্রার্থীদের বঞ্চিত করা এবং ভুয়া নথিপত্র তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে।

আসামিরা হলেন- সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রহমান খান ও সাবেক রেজিস্ট্রার খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার। এছাড়া আসামি করা হয়েছে নিয়োগ পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দীন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মুরাদ বিল্লাহ, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট আনিসুর রহমান রিন্টু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ, প্রশাসনিক কর্মকর্ত খায়রুল বাসার রিয়াজ, কম্পিউটার অপারেটর মো. মাসুদ রানা, কম্পিউটার অপারেটর শাহরীন ইসলাম মীম, ল্যাব টেকনিশিয়ান রীনা খাতুন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট এ বি এম আরিফুল ইসলাম তুরান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট মো. শহিদুল ইসলাম, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট মো. আসিফ আহমেদ, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট দিদারুল আলম, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট মো. হাবিবুর রহমান, অফিস সহায়ক মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও আছিয়া খাতুনকে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়োগের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। পাস না করা প্রার্থীদের পাস করিয়ে দেখানো হয়, আবার কাগজপত্রে ভুয়া স্বাক্ষর ও সুপারিশ যুক্ত করা হয়। ফলে যোগ্যপ্রার্থীরা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন। এজাহারে বলা হয়েছে, মামলার প্রধান আসামি অধ্যাপক ড. শহীদুর রহমান খান ছাড়াও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নিয়োগ পাওয়া রেজিস্ট্রার, কয়েকজন কর্মকর্তা, সহকারী, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও অফিস সহায়ক। মামলায় অবৈধভাবে পাস করিয়ে যোগ্যপ্রার্থীকে নিয়োগ না দিয়ে অযোগ্য প্রার্থী হিসাবে ৩ নম্বর থেকে ১৭ নম্বর আসামিদের নিয়োগ দিয়ে দণ্ডবিধি ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরের লালপুরে আপন ভাইদের হামলায় রক্তাক্ত স্বামী, থানায় অভিযোগ

নিয়োগ দুর্নীতি, আসামি খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসিসহ ১৭

আপডেট সময় ০৭:০৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

ক্ষমতার অপব্যবহার করে যোগ্যপ্রার্থীদের ফেল করিয়ে অযোগ্যপ্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রহমান খানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার (২৭ জুলাই) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক সুমিত্রা সেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া, যোগ্যপ্রার্থীদের বঞ্চিত করা এবং ভুয়া নথিপত্র তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে।

আসামিরা হলেন- সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রহমান খান ও সাবেক রেজিস্ট্রার খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার। এছাড়া আসামি করা হয়েছে নিয়োগ পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দীন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মুরাদ বিল্লাহ, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট আনিসুর রহমান রিন্টু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ, প্রশাসনিক কর্মকর্ত খায়রুল বাসার রিয়াজ, কম্পিউটার অপারেটর মো. মাসুদ রানা, কম্পিউটার অপারেটর শাহরীন ইসলাম মীম, ল্যাব টেকনিশিয়ান রীনা খাতুন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট এ বি এম আরিফুল ইসলাম তুরান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট মো. শহিদুল ইসলাম, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট মো. আসিফ আহমেদ, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট দিদারুল আলম, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট মো. হাবিবুর রহমান, অফিস সহায়ক মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও আছিয়া খাতুনকে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়োগের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। পাস না করা প্রার্থীদের পাস করিয়ে দেখানো হয়, আবার কাগজপত্রে ভুয়া স্বাক্ষর ও সুপারিশ যুক্ত করা হয়। ফলে যোগ্যপ্রার্থীরা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন। এজাহারে বলা হয়েছে, মামলার প্রধান আসামি অধ্যাপক ড. শহীদুর রহমান খান ছাড়াও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নিয়োগ পাওয়া রেজিস্ট্রার, কয়েকজন কর্মকর্তা, সহকারী, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও অফিস সহায়ক। মামলায় অবৈধভাবে পাস করিয়ে যোগ্যপ্রার্থীকে নিয়োগ না দিয়ে অযোগ্য প্রার্থী হিসাবে ৩ নম্বর থেকে ১৭ নম্বর আসামিদের নিয়োগ দিয়ে দণ্ডবিধি ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।