ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা

৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের হিসাব দিতে পারে নি রাজউকের উপপরিচালক ও তার স্ত্রী

৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের হিসাব দিতে না পারায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ফাঁসলেন রাজউকের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. সোহাগ মিয়া ও তার স্ত্রী ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী।

শনিবার (৫ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। উক্ত বিবরণীতে তিনি মোট ৬৩ লাখ ১১ হাজার ২২২ টাকার অস্থাবর সম্পদ বা সঞ্চয়পত্রের তথ্য উপস্থাপন করেন। সেখানে দাবি করেন, ওই টাকা তার পিতা মো. ওয়াজেদ আলীর কাছ থেকে প্রাপ্ত। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। যিনি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে ফোরম্যান পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি অবসরের সময় ভবিষ্যৎ তহবিল ও পেনশন বাবদ মোট ২৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪৫১ টাকা পেয়েছেন। উক্ত পরিমাণ অর্থ থেকে কন্যাকে দান, ঋণ বা অনুদান প্রদানের কোনো লিখিত বা আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি আসামির বড় ভাই ওয়াহেদুস সাবা মিথুনকেও কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের নজির নেই।

দুদকের অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, ঐশী একজন গৃহিণী। তার নিজস্ব কোনো আয়ের উৎস বা অর্থ উপার্জনের তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ২০২২ সালে তিনি আয়কর নিবন্ধন নিলেও কোনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি। প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র অনুসারে দুদক মনে করে তিনি ও তার স্বামী পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ

৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের হিসাব দিতে পারে নি রাজউকের উপপরিচালক ও তার স্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:২১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের হিসাব দিতে না পারায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ফাঁসলেন রাজউকের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. সোহাগ মিয়া ও তার স্ত্রী ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী।

শনিবার (৫ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। উক্ত বিবরণীতে তিনি মোট ৬৩ লাখ ১১ হাজার ২২২ টাকার অস্থাবর সম্পদ বা সঞ্চয়পত্রের তথ্য উপস্থাপন করেন। সেখানে দাবি করেন, ওই টাকা তার পিতা মো. ওয়াজেদ আলীর কাছ থেকে প্রাপ্ত। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। যিনি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে ফোরম্যান পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি অবসরের সময় ভবিষ্যৎ তহবিল ও পেনশন বাবদ মোট ২৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪৫১ টাকা পেয়েছেন। উক্ত পরিমাণ অর্থ থেকে কন্যাকে দান, ঋণ বা অনুদান প্রদানের কোনো লিখিত বা আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি আসামির বড় ভাই ওয়াহেদুস সাবা মিথুনকেও কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের নজির নেই।

দুদকের অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, ঐশী একজন গৃহিণী। তার নিজস্ব কোনো আয়ের উৎস বা অর্থ উপার্জনের তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ২০২২ সালে তিনি আয়কর নিবন্ধন নিলেও কোনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি। প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র অনুসারে দুদক মনে করে তিনি ও তার স্বামী পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।