সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড গাংনী পৌর প্রকৌশলী শামিম রেজা

মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী শামিম রেজার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাবেক মেয়র আহমেদ আলীর ক্ষমতার দাপটে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তিনি একই কর্মস্থলে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। পৌরসভায় সচিব না থাকায় ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে লুটপাট করে মেহেরপুর শহরে অট্রলিকা বাড়ি গাড়ী সবই করেছে দূনীূতির টাকায়।
এদিকে গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতন হওয়ার পর একে একে বের হতে শুরু করেছে লাগামহীন নানা অনিয়ম-দুর্নীতির চিত্র। পটপরিবর্তনের ১০ মাস পরও বহাল তবিয়তে আছেন এই সহকারী প্রকৌশলী। তবে তার বিরুদ্ধে দূর্ণীতি দমন কমিশনে আইনজীবির মাধ্যমে অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুুতি নিচ্ছেন একাধিক ব্যক্তি।
জানা গেছে, কাজ না করেই বিল উত্তোলন,নিম্নমানের কাজ ও দরপত্র বহির্ভূত কোটেশনের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া,মশা ও ঝোপঝাড় কর্তন সহ রাজস্ব টাকার ভুয়া বিল তৈরি ও অপ্রয়োজনীয় মাষ্টার রোল কর্মচারীদের নামে টাকা উত্তোলন করে চলে লুটপাট। ইতোপূর্বে নিয়োগ বানিজ্য, ডাম্পিং স্টেশনের জমি ক্রয় সহ বৈদ্যতিক তার ও বাল্প ক্রয়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের মাষ্টার মাইন্ড ছিলেন সাবেক কর্মচারী জামিরুল ইসলাম টিক্কা ও সহকারী প্রকৌশলী শামিম রেজা। আর এসব অপকর্মের অন্যতম সহযোগী হিসাব রক্ষক শাহিনুজ্জামান শাহিন। আওয়ামীলীগের কোটায় হিসাব রক্ষকের পদে নিযোগ হওয়ার পর থেকে লুটপাটের মাধ্যমে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন শাহিনুজ্জামান শাহিন। হাসপাতাল বাজারে তার বাবার টঙ্গের দোকান থাকলেও চাকরী পাওয়ার পর থেকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন তিনি।
পৌরসভার সূত্র ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন,শতকোটির টাকার কাজ চলমান রয়েছে পৌরসভায় নানা অনিয়ম দূর্নীতি আর সমালোচনার মধ্যে কিছু কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া ড্রেনেজ নির্মানে নানা অনিয়মের অভিযোগে বেশ কয়েবার কাজ বন্ধ করলেও শামিম রেজার ইশারায় পুনরায় কাজ শুরু হয়েছে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক পৌরসভার কর্মচারী জানিয়েছেন,পৌরসভার বিভিণ্ন খাত থেকে বছরে কোটি কোটি টাকা আয় হলেও পৌর কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে কয়েক বছরের। রাজস্ব আয়ের টাকায় কথিত ঝোপঝাড় কাটার ভুয়া বিল ভাউসার আর মশা নিধনের নামে চলে যায় কর্তা শামিম রেজার পকেটে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড গাংনী পৌর প্রকৌশলী শামিম রেজা

আপডেট সময় ০৭:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী শামিম রেজার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাবেক মেয়র আহমেদ আলীর ক্ষমতার দাপটে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তিনি একই কর্মস্থলে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। পৌরসভায় সচিব না থাকায় ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে লুটপাট করে মেহেরপুর শহরে অট্রলিকা বাড়ি গাড়ী সবই করেছে দূনীূতির টাকায়।
এদিকে গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতন হওয়ার পর একে একে বের হতে শুরু করেছে লাগামহীন নানা অনিয়ম-দুর্নীতির চিত্র। পটপরিবর্তনের ১০ মাস পরও বহাল তবিয়তে আছেন এই সহকারী প্রকৌশলী। তবে তার বিরুদ্ধে দূর্ণীতি দমন কমিশনে আইনজীবির মাধ্যমে অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুুতি নিচ্ছেন একাধিক ব্যক্তি।
জানা গেছে, কাজ না করেই বিল উত্তোলন,নিম্নমানের কাজ ও দরপত্র বহির্ভূত কোটেশনের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া,মশা ও ঝোপঝাড় কর্তন সহ রাজস্ব টাকার ভুয়া বিল তৈরি ও অপ্রয়োজনীয় মাষ্টার রোল কর্মচারীদের নামে টাকা উত্তোলন করে চলে লুটপাট। ইতোপূর্বে নিয়োগ বানিজ্য, ডাম্পিং স্টেশনের জমি ক্রয় সহ বৈদ্যতিক তার ও বাল্প ক্রয়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের মাষ্টার মাইন্ড ছিলেন সাবেক কর্মচারী জামিরুল ইসলাম টিক্কা ও সহকারী প্রকৌশলী শামিম রেজা। আর এসব অপকর্মের অন্যতম সহযোগী হিসাব রক্ষক শাহিনুজ্জামান শাহিন। আওয়ামীলীগের কোটায় হিসাব রক্ষকের পদে নিযোগ হওয়ার পর থেকে লুটপাটের মাধ্যমে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন শাহিনুজ্জামান শাহিন। হাসপাতাল বাজারে তার বাবার টঙ্গের দোকান থাকলেও চাকরী পাওয়ার পর থেকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন তিনি।
পৌরসভার সূত্র ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন,শতকোটির টাকার কাজ চলমান রয়েছে পৌরসভায় নানা অনিয়ম দূর্নীতি আর সমালোচনার মধ্যে কিছু কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া ড্রেনেজ নির্মানে নানা অনিয়মের অভিযোগে বেশ কয়েবার কাজ বন্ধ করলেও শামিম রেজার ইশারায় পুনরায় কাজ শুরু হয়েছে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক পৌরসভার কর্মচারী জানিয়েছেন,পৌরসভার বিভিণ্ন খাত থেকে বছরে কোটি কোটি টাকা আয় হলেও পৌর কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে কয়েক বছরের। রাজস্ব আয়ের টাকায় কথিত ঝোপঝাড় কাটার ভুয়া বিল ভাউসার আর মশা নিধনের নামে চলে যায় কর্তা শামিম রেজার পকেটে।