সংবাদ শিরোনাম ::
কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা শত্রুতার জেরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, পুড়লো বসতবাড়ি ৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসের ইউরোপ সফর, উঠছে নানা প্রশ্ন ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

‘বিচারিক হত্যাকাণ্ডের’ বিচার চাইলেন এটিএম আজহার

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ‘সাজানো মামলায় বিচারিক সকল হত্যাকাণ্ডে’ জড়িত সকলের বিচার ও শাস্তি দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা যেখানে যে পর্যায়ে জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। তা নাহলে খারাপ সংস্কৃতি চালু থাকবে, এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

বুধবার (২৮ মে) সকালে ১৪ বছর কারাভোগের পর বেরিয়ে এসে শাহবাগ চত্বরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এটিএম আজহার বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে। তাদের সঙ্গে জুডিশিয়াল কিলিং করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী সাবেক আমির শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, শহীদ আলী আহসান মোহাম্মদ মোজাহিদ, শহীদ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান-আব্দুল কাদের মোল্লাসহ নিরপরাধ নেতৃবৃন্দকে জুডিশিয়াল কিলিংয়ের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো সর্বশেষ বিশ্ববরেণ্য মোফাস্সেরে কোরআন আল্লামা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকেও হত্যা করা হয়েছে। আমি তাদের সবাইকে স্মরণ করছি। সেইসঙ্গে এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকলের বিচার দাবি করছি।

আজহারুল ইসলাম বলেন, এতদিন ন্যায়বিচার ছিল না, এখন ন্যায় বিচারের মধ্য দিয়ে সব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আমাকে মিথ্যা মামলা, মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। শুধু জামায়াতে ইসলামী করার কারণেই আমাকে এই মানবতাবিরোধী মামলার মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়।

এটিএম আজহার আরও বলেন, আমি প্রায় ১৪ বছর কারাগারে থাকার পর আজ সকালে মুক্তি পেলাম। আমি এখন মুক্ত, আমি এখন স্বাধীন। এই স্বাধীন দেশে স্বাধীন নাগরিক এখন।

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাসের জন্য উচ্চ আদালতকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তারা (আদালত) ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটা অনন্য ভূমিকা পালন করছেন। এতদিন ন্যায়বিচার ছিল না। আদালতকে ব্যবহার করা হয়েছে। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবেন।

এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়ে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে মুক্তি পান জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তিরত অবস্থায় কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

পরে তাকে হাসপাতাল থেকে একটি কালো রঙের গাড়িতে করে হাসপাতাল থেকে বের করে আনা হয়। এসময় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে এটিএম আজহারুল ইসলামকে শাহবাগ চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক

‘বিচারিক হত্যাকাণ্ডের’ বিচার চাইলেন এটিএম আজহার

আপডেট সময় ০১:১২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ‘সাজানো মামলায় বিচারিক সকল হত্যাকাণ্ডে’ জড়িত সকলের বিচার ও শাস্তি দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা যেখানে যে পর্যায়ে জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। তা নাহলে খারাপ সংস্কৃতি চালু থাকবে, এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

বুধবার (২৮ মে) সকালে ১৪ বছর কারাভোগের পর বেরিয়ে এসে শাহবাগ চত্বরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এটিএম আজহার বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে। তাদের সঙ্গে জুডিশিয়াল কিলিং করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী সাবেক আমির শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, শহীদ আলী আহসান মোহাম্মদ মোজাহিদ, শহীদ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান-আব্দুল কাদের মোল্লাসহ নিরপরাধ নেতৃবৃন্দকে জুডিশিয়াল কিলিংয়ের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো সর্বশেষ বিশ্ববরেণ্য মোফাস্সেরে কোরআন আল্লামা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকেও হত্যা করা হয়েছে। আমি তাদের সবাইকে স্মরণ করছি। সেইসঙ্গে এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকলের বিচার দাবি করছি।

আজহারুল ইসলাম বলেন, এতদিন ন্যায়বিচার ছিল না, এখন ন্যায় বিচারের মধ্য দিয়ে সব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আমাকে মিথ্যা মামলা, মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। শুধু জামায়াতে ইসলামী করার কারণেই আমাকে এই মানবতাবিরোধী মামলার মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়।

এটিএম আজহার আরও বলেন, আমি প্রায় ১৪ বছর কারাগারে থাকার পর আজ সকালে মুক্তি পেলাম। আমি এখন মুক্ত, আমি এখন স্বাধীন। এই স্বাধীন দেশে স্বাধীন নাগরিক এখন।

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাসের জন্য উচ্চ আদালতকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তারা (আদালত) ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটা অনন্য ভূমিকা পালন করছেন। এতদিন ন্যায়বিচার ছিল না। আদালতকে ব্যবহার করা হয়েছে। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবেন।

এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়ে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে মুক্তি পান জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তিরত অবস্থায় কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

পরে তাকে হাসপাতাল থেকে একটি কালো রঙের গাড়িতে করে হাসপাতাল থেকে বের করে আনা হয়। এসময় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে এটিএম আজহারুল ইসলামকে শাহবাগ চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।