সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমানের দৌরাত্ম

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর মহা ক্ষমতাধর নির্বাহী প্রকৌশলী একাই অধিদপ্তরের একাধিক পদ দখল করে আছেন। তার অদৃশ্য ক্ষমতার কাছে এলজিইডির সৎ মেধাবী প্রকৌশলীরা অসহায়।
আতাউর রহমান অনেক আগে থেকেই মেকানিকাল সেকশনের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন । তিনি মেকানিকাল ইন্জিনিয়ার হয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পদ তথা ফরিদপুর টেপাখোলা লেক উন্নয়ন প্রকল্প ও মেহেরপুর জেলা দুটি পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব নিয়েছেন।
এবিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রকৌশলী বলেন, এলজিইডিতে অনেক সৎ মেধাবী সিভিল ইঞ্জিনিয়ার রয়েছেন। অনেকে কাজ ছাড়া বসে আছে। অথচ মেকানিকাল ইন্জিনিয়ার কে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আতাউর রহমান এখন এলজিইডিতে বিএনপির ঠিকাদার সেজেছেন। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একসাথে তিন পদ দখল করেছেন। আবার তিনি এল কে এস এস-এর অর্থ বিষয়ক পরিচালক। এল কে এস এস-এ একক আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করছেন।
অথচ বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে এলজিইডিতে তিনি ছিলেন বড় সুবিধাভোগী। বঙ্গবন্ধুর চেয়ে বড় বাঙালি আর শেখ হাসিনার চেয়ে বড় আওয়ামী লীগার সাজার চেষ্টা করতেন। শোক দিবস পালনে কালো ব্যাজ ধারণ করে সবার আগে থাকতেন। আওয়ামী লীগের সকল কর্মকান্ডে সরব উপস্থিতি ছিল তার। এখন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আতাউর রহমানের বিএনপি সাজার অভিনয় দেখে সবাই অবাক হচ্ছেন।
এলজিইডির মেকানিকাল সেকশন হচ্ছে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত সেকশন। এই সেকশনে নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন কালের শুরু থেকে তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ আছে। সম্প্রতি গোপনে পুরাতন লিফট বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়লে, কতৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে। কিন্তু নব্য বিএনপি আতাউর রহমানের প্রভাবের কারণে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমানের দৌরাত্ম

আপডেট সময় ০৭:৪০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর মহা ক্ষমতাধর নির্বাহী প্রকৌশলী একাই অধিদপ্তরের একাধিক পদ দখল করে আছেন। তার অদৃশ্য ক্ষমতার কাছে এলজিইডির সৎ মেধাবী প্রকৌশলীরা অসহায়।
আতাউর রহমান অনেক আগে থেকেই মেকানিকাল সেকশনের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন । তিনি মেকানিকাল ইন্জিনিয়ার হয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পদ তথা ফরিদপুর টেপাখোলা লেক উন্নয়ন প্রকল্প ও মেহেরপুর জেলা দুটি পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব নিয়েছেন।
এবিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রকৌশলী বলেন, এলজিইডিতে অনেক সৎ মেধাবী সিভিল ইঞ্জিনিয়ার রয়েছেন। অনেকে কাজ ছাড়া বসে আছে। অথচ মেকানিকাল ইন্জিনিয়ার কে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আতাউর রহমান এখন এলজিইডিতে বিএনপির ঠিকাদার সেজেছেন। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একসাথে তিন পদ দখল করেছেন। আবার তিনি এল কে এস এস-এর অর্থ বিষয়ক পরিচালক। এল কে এস এস-এ একক আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করছেন।
অথচ বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে এলজিইডিতে তিনি ছিলেন বড় সুবিধাভোগী। বঙ্গবন্ধুর চেয়ে বড় বাঙালি আর শেখ হাসিনার চেয়ে বড় আওয়ামী লীগার সাজার চেষ্টা করতেন। শোক দিবস পালনে কালো ব্যাজ ধারণ করে সবার আগে থাকতেন। আওয়ামী লীগের সকল কর্মকান্ডে সরব উপস্থিতি ছিল তার। এখন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আতাউর রহমানের বিএনপি সাজার অভিনয় দেখে সবাই অবাক হচ্ছেন।
এলজিইডির মেকানিকাল সেকশন হচ্ছে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত সেকশন। এই সেকশনে নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন কালের শুরু থেকে তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ আছে। সম্প্রতি গোপনে পুরাতন লিফট বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়লে, কতৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে। কিন্তু নব্য বিএনপি আতাউর রহমানের প্রভাবের কারণে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি।