সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

মাদারীপুর রাজৈর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অসচেতনতা কর্মস্থলে অনুপস্থিত

জাটকা ধরা বন্ধ হলে, ইলিশ উঠবে জাল ভরে, এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারা বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে ৮ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৫।

এ উপলক্ষে সরকার সারা দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। পোস্টার লাগানো, লিফলেট বিতরণ, শহর ও হাট বাজারে মাইকিং করে জনগনের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো। ০১ নভেম্বর হতে ৩০জুন পর্যন্ত জাটকা ধরা, জাটকা পরিবহন করা, ক্রয়-বিক্রয় এবং মজুদ কিংবা হেফাজতে রাখা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

অথচ রাজৈর মৎস্য অফিসে এর কোন একটি কার্যক্রমও চলমান নেই, এর কারন জানতে আজ ৯ এপ্রিল দুপুর ১২ টায় রাজৈর মৎস্য অফিসে গেলে দেখা যায়, অফিসে ৮ জন কর্মচারীর মধ্যে ৬ জনই অনপুস্থিত। ৮ জন কর্মচারীর মধ্যে ৪ জন হচ্ছে রেভিনিউ আর ৪ জন হচ্ছে প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে।

রেভিনিউ চার জনের কেবল মাত্র সুজাতা বাছার (অফিস সহায়ক) কে অফিসে উপস্থিত পাওয়া গেছে। বাকী তিন জন যথাক্রমে, মোজাফর হোসেন ( অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর), মোহাম্মাদ আব্দুল মান্নান ( ক্ষেত্র সহকারী),  সত্যজিৎ দত্ত ( মাঠ সহায়ক কর্মী) অনপুস্থিত অনুপস্থিত পাওয়া যায়।  প্রকল্পের মধ্যে একমাত্র সাহাবুদ্দিন খালাসীকে উপস্থিত ছিলেন। রাজৈর এবং টেকেরহাট দুইটা বড় পাইকারি বাজার সেখানে কেউই কোন আড়ৎদার ও মাছ ব্যবসায়ী জানে না যে গত ৮ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চালু হয়েছে। এর কারন রাজৈর মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে জনসচেতনা মূলক মাইকিং প্রচার করা হয়নি,পোষ্টার লাগানো কিংবা একটি লিফলেট বিতরন করাও হয়নি। তাহলে মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী দের কাজ কি?  রাজৈর মৎস্য অফিসে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেলা মৎস্য অফিসার তপন মজুমদার এর সাথে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি দায় সাড়া বক্তব্য দিয়ে ফোন কেটে দেন। পরে তার সাথে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বিষয়টি পর্যালোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

মাদারীপুর রাজৈর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অসচেতনতা কর্মস্থলে অনুপস্থিত

আপডেট সময় ০৫:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

জাটকা ধরা বন্ধ হলে, ইলিশ উঠবে জাল ভরে, এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারা বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে ৮ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৫।

এ উপলক্ষে সরকার সারা দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। পোস্টার লাগানো, লিফলেট বিতরণ, শহর ও হাট বাজারে মাইকিং করে জনগনের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো। ০১ নভেম্বর হতে ৩০জুন পর্যন্ত জাটকা ধরা, জাটকা পরিবহন করা, ক্রয়-বিক্রয় এবং মজুদ কিংবা হেফাজতে রাখা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

অথচ রাজৈর মৎস্য অফিসে এর কোন একটি কার্যক্রমও চলমান নেই, এর কারন জানতে আজ ৯ এপ্রিল দুপুর ১২ টায় রাজৈর মৎস্য অফিসে গেলে দেখা যায়, অফিসে ৮ জন কর্মচারীর মধ্যে ৬ জনই অনপুস্থিত। ৮ জন কর্মচারীর মধ্যে ৪ জন হচ্ছে রেভিনিউ আর ৪ জন হচ্ছে প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে।

রেভিনিউ চার জনের কেবল মাত্র সুজাতা বাছার (অফিস সহায়ক) কে অফিসে উপস্থিত পাওয়া গেছে। বাকী তিন জন যথাক্রমে, মোজাফর হোসেন ( অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর), মোহাম্মাদ আব্দুল মান্নান ( ক্ষেত্র সহকারী),  সত্যজিৎ দত্ত ( মাঠ সহায়ক কর্মী) অনপুস্থিত অনুপস্থিত পাওয়া যায়।  প্রকল্পের মধ্যে একমাত্র সাহাবুদ্দিন খালাসীকে উপস্থিত ছিলেন। রাজৈর এবং টেকেরহাট দুইটা বড় পাইকারি বাজার সেখানে কেউই কোন আড়ৎদার ও মাছ ব্যবসায়ী জানে না যে গত ৮ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চালু হয়েছে। এর কারন রাজৈর মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে জনসচেতনা মূলক মাইকিং প্রচার করা হয়নি,পোষ্টার লাগানো কিংবা একটি লিফলেট বিতরন করাও হয়নি। তাহলে মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী দের কাজ কি?  রাজৈর মৎস্য অফিসে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেলা মৎস্য অফিসার তপন মজুমদার এর সাথে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি দায় সাড়া বক্তব্য দিয়ে ফোন কেটে দেন। পরে তার সাথে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বিষয়টি পর্যালোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার ।