ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: কালুখালীর সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে বৃক্ষরোপণ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নিয়ম তৃতীয় বিয়ে নিয়ে ‘মহাবিপদে’ আমির খান! খেলা শুরুর আগে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল মারামারি, আটক ৩ সমগ্র উত্তরবঙ্গের ইয়াবার ডিলার শা আপেল কে নিয়ে নানান বিতর্কের গুণজন যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বাংলাদেশে বিয়ের ব্যাপারে নাগরিকদের সতর্ক করল চীন বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী “পীরগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ: কলেজ-মসজিদের রাস্তা বন্ধ, এলাকায় উত্তেজনা”

মালচিং পদ্ধতিতে আগাম ঝিঙে চাষ,বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর ইদিলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ লক্ষীপুর (কাঁঠাল লক্ষীপুর) গ্রামের কৃষক নেছার সরকার দুলু মিয়া এ বছর রাঘবেন্দ্রপুর গ্রামে ২৮ শতাংশ জমিতে  মালচিং পদ্ধতিতে আগাম জাতের  ঝিঙে লাগিয়ে সকল কৃষকের আইকন হয়ে দাড়িয়েছে।

তার জমিতে লাগানো ফসল দেখে অনেকেই পরামর্শ নিচ্ছে ও উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে।

রোগবালাই মুক্ত ঝিঙে চাষে  বাম্পার ফলন হবে, আগাম উৎপাদন হওয়ায় বাজারে চাহিদা থাকবে,এতে লাভবান হবে কৃষক।

১৫ মার্চ নিজ জমিতে কাজ করা অবস্থায় কৃষক নেছার সরকার  দুলু বলেন,এ বছর আমি ২৮ শতাংশ জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে আগাম জাতের ঝিঙে চাষ করেছি। ফসল ভালো হয়েছে।৪৫ দিন পূর্বে লাগানো ঝিঙে গাছে ইতিমধ্যেই ফুল ও ফল ধরতে শুরু করেছে। এতে করে আশা করে আল্লাহ যদি কোন বালা মসিবত না দেয় তাহলে ফলন ভালো হবে, ও বেশি দামে বিক্রি করতে পারবো।আমি গত বছর পরীক্ষা মুলক ভাবে মালচিং পদ্ধতি এক শতাংশ জমিতে  মালচিং পদ্ধতিতে আগাম  ঝিঙে চাষ করে ছিলাম। সেখানে ভালো ফলাফল হওয়ায় এ বছর ২৮ শতাংশ জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে বানিজ্যিক ভাবে ঝিঙে  চাষ করেছি।

মালচিং পদ্ধতি আগাম ঝিঙে চাষ করলে রোগ বালাই কম হয়,আগাছা হয় না, নিদিষ্ট দূরত্বে লাগানো চারা সুস্হ সবল হয়,সার কম লাগে,জমিতে জো ঠিক থাকে,সর্বপরি উৎপাদন  খরচ কম হয়।  রোগ বালাই না থাকায় সার কীটনাশক খরচ নেই,সুস্থ সবল গাছে  বাম্পার ফলন হবে ইনশাআল্লাহ।

সাধারণ ভাবে ঝিঙে মার্চ এপ্রিল মাসে লাগানো হয়।

মে জুনে বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়।

আর আমি জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহে ঝিঙের বীজ রোপন করেছি এতে করে আমার উৎপাদিত ঝিঙে মার্চ এপ্রিলেই আসবে,  বাজারে বেশী দামে বিক্রি হবে লাভও ভালো হবে।

এলাকার কৃষক আয়ুব আলী,জাহিদুল ইসলাম,আজাদুল জানায় দুলু আমাদের এলাকার  কৃষকরা যাতে কম খরচে উন্নত  ফসল উৎপাদন করে বেশী লাভ করতে পারে। সে জন্য দুলু নিজে আগে পরীক্ষা মুলকভাবে  আবাদ করে ভালো ফলাফল হলে সেই ফসল উৎপাদনে  কৃষকদের উদ্ভুদ্ধ করে। এবছর সে পরীক্ষামুলক বিট রুট চাষ করে ভালো ফলাফল পেয়েছে।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মতিউল আলম বলেন, নতুন নতুন পদ্ধতি কম খরচে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য  উপজেলা কৃষি অফিস সর্বদা চেষ্টা  করছি। আমি নেছার সরকারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি তিনি একজন নতুন উদ্যোমী সফল উদ্দোক্তা।আমাদের পক্ষ থেকে সকল সহযোগীতা প্রদান করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: কালুখালীর সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে বৃক্ষরোপণ

মালচিং পদ্ধতিতে আগাম ঝিঙে চাষ,বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

আপডেট সময় ০৪:৩১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর ইদিলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ লক্ষীপুর (কাঁঠাল লক্ষীপুর) গ্রামের কৃষক নেছার সরকার দুলু মিয়া এ বছর রাঘবেন্দ্রপুর গ্রামে ২৮ শতাংশ জমিতে  মালচিং পদ্ধতিতে আগাম জাতের  ঝিঙে লাগিয়ে সকল কৃষকের আইকন হয়ে দাড়িয়েছে।

তার জমিতে লাগানো ফসল দেখে অনেকেই পরামর্শ নিচ্ছে ও উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে।

রোগবালাই মুক্ত ঝিঙে চাষে  বাম্পার ফলন হবে, আগাম উৎপাদন হওয়ায় বাজারে চাহিদা থাকবে,এতে লাভবান হবে কৃষক।

১৫ মার্চ নিজ জমিতে কাজ করা অবস্থায় কৃষক নেছার সরকার  দুলু বলেন,এ বছর আমি ২৮ শতাংশ জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে আগাম জাতের ঝিঙে চাষ করেছি। ফসল ভালো হয়েছে।৪৫ দিন পূর্বে লাগানো ঝিঙে গাছে ইতিমধ্যেই ফুল ও ফল ধরতে শুরু করেছে। এতে করে আশা করে আল্লাহ যদি কোন বালা মসিবত না দেয় তাহলে ফলন ভালো হবে, ও বেশি দামে বিক্রি করতে পারবো।আমি গত বছর পরীক্ষা মুলক ভাবে মালচিং পদ্ধতি এক শতাংশ জমিতে  মালচিং পদ্ধতিতে আগাম  ঝিঙে চাষ করে ছিলাম। সেখানে ভালো ফলাফল হওয়ায় এ বছর ২৮ শতাংশ জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে বানিজ্যিক ভাবে ঝিঙে  চাষ করেছি।

মালচিং পদ্ধতি আগাম ঝিঙে চাষ করলে রোগ বালাই কম হয়,আগাছা হয় না, নিদিষ্ট দূরত্বে লাগানো চারা সুস্হ সবল হয়,সার কম লাগে,জমিতে জো ঠিক থাকে,সর্বপরি উৎপাদন  খরচ কম হয়।  রোগ বালাই না থাকায় সার কীটনাশক খরচ নেই,সুস্থ সবল গাছে  বাম্পার ফলন হবে ইনশাআল্লাহ।

সাধারণ ভাবে ঝিঙে মার্চ এপ্রিল মাসে লাগানো হয়।

মে জুনে বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়।

আর আমি জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহে ঝিঙের বীজ রোপন করেছি এতে করে আমার উৎপাদিত ঝিঙে মার্চ এপ্রিলেই আসবে,  বাজারে বেশী দামে বিক্রি হবে লাভও ভালো হবে।

এলাকার কৃষক আয়ুব আলী,জাহিদুল ইসলাম,আজাদুল জানায় দুলু আমাদের এলাকার  কৃষকরা যাতে কম খরচে উন্নত  ফসল উৎপাদন করে বেশী লাভ করতে পারে। সে জন্য দুলু নিজে আগে পরীক্ষা মুলকভাবে  আবাদ করে ভালো ফলাফল হলে সেই ফসল উৎপাদনে  কৃষকদের উদ্ভুদ্ধ করে। এবছর সে পরীক্ষামুলক বিট রুট চাষ করে ভালো ফলাফল পেয়েছে।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মতিউল আলম বলেন, নতুন নতুন পদ্ধতি কম খরচে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য  উপজেলা কৃষি অফিস সর্বদা চেষ্টা  করছি। আমি নেছার সরকারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি তিনি একজন নতুন উদ্যোমী সফল উদ্দোক্তা।আমাদের পক্ষ থেকে সকল সহযোগীতা প্রদান করা হবে।