ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দোকান, পার্কিং, শৌচাগার ইজারা-রেলের আনিসুরপ্রীতির অভিযোগ সিএজি নুরুল ইসলামের অর্থপাচার ও দুর্নীতি মেহেরপুরে ভোটকেন্দ্র সংস্কারে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ মেহেরপুর খাদ্য গুদামে বোরো সংগ্রহে অনিয়ম, ওসিএলএসডি মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ গাইবান্ধায় হাসপাতালের ঠিকাদারের অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন কৃষি ব্যাংকে দুর্নীতির তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ লালমোহন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সে ৯.০৭ কোটি টাকার নিরীক্ষা-অসঙ্গতি কাজ না করেই ৬ কোটি টাকা উত্তোলনের অভিযোগ, প্রকৌশলী সাইফুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত অজিতকে সিইও নিয়োগের উদ্যোগে বিতর্কে যমুনা লাইফ!

ভেড়ামারায় ইটভাটা বন্ধের প্রতিবাদে মালিক ও শ্রমিকদের বিক্ষোভ, স্মারকলিপি প্রদান

ভেড়ামারায় অতিসম্প্রতি ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বারবার অভিযান পরিচালনা ও প্রশাসন কর্তৃক ইটভাটা বন্ধ না করার দাবিতে মালিক ও শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।বিক্ষোভ মিছিলটি ভেড়ামারার রেলগেট থেকে শুরু হয়ে উপজেলায় গিয়ে শেষ হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন ইটভাটা মালিক সমিতির সদস্যরা এবং কর্মরত শ্রমিকরা।
গতকাল ৪ঠা মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় শ্রমিক ও ভাটা মালিকরা একসাথে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করেন। এ সময় ইটভাটা প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির ভেড়ামারা উপজেলা সভাপতি নাজিমুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক কালাম মন্ডলসহ সকল ইটভাটার মালিকরা একত্রিত হয়ে এর প্রতিবাদ জানান।তারা দাবি করেন, চলতি ২০২৪-২৫ মৌসুমে আমরা ইট প্রস্তুত করার জন্য শ্রমিকদের অগ্রিম টাকাসহ ট্রেড লাইসেন্স, বাণিজ্যিক কর, আয়কর ও ভ্যাট পরিশোধ করে ইটভাটার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ভেড়ামারা উপজেলায় ৪৫টি ইটভাটায় প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। তাদের আয়ে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। আমরা অতীব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশীয় শিল্প ধ্বংস করার যড়যন্ত্রে লিপ্তে থাকা ২০১৩ ও ২০১৯ সালের কালো আইন প্রয়োগ করে এই শিল্পকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে। যা আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি। এমতাবস্থায় ইটভাটা বন্ধ হলে ইটভাটা মালিকগণ ব্যাংকের ঋণসহ অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হবে। অন্যদিকে শ্রমিকগণ পবিত্র মাহে রমজান মাসে অভাব অনটনে পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায়ভাবে জীবন যাপন করবে। ২০১৩ সালে কালো আইন অনুযায়ী ইটভাটা বন্ধ করা হলে দেশে সরকারি, বেসরকারি সকল উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। একই সাথে দেশের অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এছাড়াও দেশে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অপরাধ বেড়ে যাবে। তারা বলেন, আমরা ২ মাসের সময় চেয়েছি। এর মধ্যে প্রশাসন যদি কোন ইট ভাটায় অভিযান চালিয়ে ক্ষতি করে তাহলে আমরা ইটভাটা মালিকরা, শ্রমিকদের সঙ্গে করে আন্দোলনের ঘোষণা দেব। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, আমাদের সরকারের প্রত্যেকটি আদেশ মেনে চলতে হবে। সরকার যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাইরে আমরা যেতে পারবো না। আপনারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছেন,দিয়ে যান। এই বিষয়ে আমি আমার কর্তৃপক্ষকে জানাবো। সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত জানাবে, আমি আপনাদের ইটভাটা মালিকদের জানাবো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দোকান, পার্কিং, শৌচাগার ইজারা-রেলের আনিসুরপ্রীতির অভিযোগ

ভেড়ামারায় ইটভাটা বন্ধের প্রতিবাদে মালিক ও শ্রমিকদের বিক্ষোভ, স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় ১১:৩৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

ভেড়ামারায় অতিসম্প্রতি ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বারবার অভিযান পরিচালনা ও প্রশাসন কর্তৃক ইটভাটা বন্ধ না করার দাবিতে মালিক ও শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।বিক্ষোভ মিছিলটি ভেড়ামারার রেলগেট থেকে শুরু হয়ে উপজেলায় গিয়ে শেষ হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন ইটভাটা মালিক সমিতির সদস্যরা এবং কর্মরত শ্রমিকরা।
গতকাল ৪ঠা মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় শ্রমিক ও ভাটা মালিকরা একসাথে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করেন। এ সময় ইটভাটা প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির ভেড়ামারা উপজেলা সভাপতি নাজিমুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক কালাম মন্ডলসহ সকল ইটভাটার মালিকরা একত্রিত হয়ে এর প্রতিবাদ জানান।তারা দাবি করেন, চলতি ২০২৪-২৫ মৌসুমে আমরা ইট প্রস্তুত করার জন্য শ্রমিকদের অগ্রিম টাকাসহ ট্রেড লাইসেন্স, বাণিজ্যিক কর, আয়কর ও ভ্যাট পরিশোধ করে ইটভাটার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ভেড়ামারা উপজেলায় ৪৫টি ইটভাটায় প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। তাদের আয়ে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। আমরা অতীব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশীয় শিল্প ধ্বংস করার যড়যন্ত্রে লিপ্তে থাকা ২০১৩ ও ২০১৯ সালের কালো আইন প্রয়োগ করে এই শিল্পকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে। যা আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি। এমতাবস্থায় ইটভাটা বন্ধ হলে ইটভাটা মালিকগণ ব্যাংকের ঋণসহ অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হবে। অন্যদিকে শ্রমিকগণ পবিত্র মাহে রমজান মাসে অভাব অনটনে পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায়ভাবে জীবন যাপন করবে। ২০১৩ সালে কালো আইন অনুযায়ী ইটভাটা বন্ধ করা হলে দেশে সরকারি, বেসরকারি সকল উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। একই সাথে দেশের অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এছাড়াও দেশে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অপরাধ বেড়ে যাবে। তারা বলেন, আমরা ২ মাসের সময় চেয়েছি। এর মধ্যে প্রশাসন যদি কোন ইট ভাটায় অভিযান চালিয়ে ক্ষতি করে তাহলে আমরা ইটভাটা মালিকরা, শ্রমিকদের সঙ্গে করে আন্দোলনের ঘোষণা দেব। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, আমাদের সরকারের প্রত্যেকটি আদেশ মেনে চলতে হবে। সরকার যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাইরে আমরা যেতে পারবো না। আপনারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছেন,দিয়ে যান। এই বিষয়ে আমি আমার কর্তৃপক্ষকে জানাবো। সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত জানাবে, আমি আপনাদের ইটভাটা মালিকদের জানাবো।