ঢাকা ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

নবাব এস্টেটের সরকারী সম্পত্তি বেহাত: নেপথ্যে ইয়াসির আরাফাত

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার আউকপাড়ায় সরকারি নবাব এস্টেটের বিশ একর সম্পত্তি জবর দখল করে অবৈধভাবে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এই অপকর্মের নেপথ্যে রয়েছেন নবাব এস্টেটের সহকারী ম্যানেজার ইয়াসির আরাফাত ও তার সহযোগীরা।

জানা যায়, উক্ত সম্পত্তির লীজগ্রহীতা ন্যাশনাল প্লাজা বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সমিতির বর্তমান বৈধ সভাপতি আ.ন.ম মজিবুল্লাহ নাসের। তবে সমিতির বহিষ্কৃত সদস্য ও সাবেক সহ-সভাপতি আইয়ুব আলী সিকদার এবং নবাব এস্টেটের সহকারী ম্যানেজার ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট উক্ত সম্পত্তি বেহাত করার চক্রান্তে জড়িত।

এলাকাবাসী ও বৈধ লীজিদের অভিযোগ, আইয়ুব আলী সিকদার আশুলিয়া থানা যুবলীগের সদস্য ও শীর্ষ সন্ত্রাসী শুটার সাদ্দাম হোসেন তালুকদারকে ব্যবহার করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে ছাত্র হত্যাসহ বিভিন্ন ফৌজদারি মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। তিনি মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও ভাংচুরের মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম রেখেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, শুটার সাদ্দাম ও তার সহযোগীরা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে, তাদের বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে চাঁদাবাজি করছে। এলাকাবাসীরা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে ভয় পাচ্ছেন। প্রশাসনের ভেতরে সাদ্দাম বাহিনীর সুবিধাভোগী সদস্যরা থাকায় তাদের অপরাধ সাম্রাজ্য দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে।

সরকারি সম্পত্তি বেহাত করার এই অপকর্মের মূল হোতা নবাব এস্টেটের সহকারী ম্যানেজার ইয়াসির আরাফাত। তিনি ভূমিদস্যুদের সাথে যোগসাজশ করে লীজকৃত জমি অবৈধভাবে ডিসিআর (দলিল চুক্তি রেজিস্ট্রেশন) করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করে বৈধ লীজিদের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হোক। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তারা সতর্ক করে দিয়েছেন, যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে সরকারি সম্পত্তি বেহাত হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় ব্যাপক রক্তপাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দীর্ঘ সূত্রিতার ফলে লীজিদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। দ্রুত প্রতিবেদন প্রকাশ করে লীজিদের মাঝে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়া আনা জরুরি বলে স্থানীয়রা মনে করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

নবাব এস্টেটের সরকারী সম্পত্তি বেহাত: নেপথ্যে ইয়াসির আরাফাত

আপডেট সময় ১০:০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার আউকপাড়ায় সরকারি নবাব এস্টেটের বিশ একর সম্পত্তি জবর দখল করে অবৈধভাবে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এই অপকর্মের নেপথ্যে রয়েছেন নবাব এস্টেটের সহকারী ম্যানেজার ইয়াসির আরাফাত ও তার সহযোগীরা।

জানা যায়, উক্ত সম্পত্তির লীজগ্রহীতা ন্যাশনাল প্লাজা বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সমিতির বর্তমান বৈধ সভাপতি আ.ন.ম মজিবুল্লাহ নাসের। তবে সমিতির বহিষ্কৃত সদস্য ও সাবেক সহ-সভাপতি আইয়ুব আলী সিকদার এবং নবাব এস্টেটের সহকারী ম্যানেজার ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট উক্ত সম্পত্তি বেহাত করার চক্রান্তে জড়িত।

এলাকাবাসী ও বৈধ লীজিদের অভিযোগ, আইয়ুব আলী সিকদার আশুলিয়া থানা যুবলীগের সদস্য ও শীর্ষ সন্ত্রাসী শুটার সাদ্দাম হোসেন তালুকদারকে ব্যবহার করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে ছাত্র হত্যাসহ বিভিন্ন ফৌজদারি মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। তিনি মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও ভাংচুরের মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম রেখেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, শুটার সাদ্দাম ও তার সহযোগীরা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে, তাদের বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে চাঁদাবাজি করছে। এলাকাবাসীরা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে ভয় পাচ্ছেন। প্রশাসনের ভেতরে সাদ্দাম বাহিনীর সুবিধাভোগী সদস্যরা থাকায় তাদের অপরাধ সাম্রাজ্য দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে।

সরকারি সম্পত্তি বেহাত করার এই অপকর্মের মূল হোতা নবাব এস্টেটের সহকারী ম্যানেজার ইয়াসির আরাফাত। তিনি ভূমিদস্যুদের সাথে যোগসাজশ করে লীজকৃত জমি অবৈধভাবে ডিসিআর (দলিল চুক্তি রেজিস্ট্রেশন) করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করে বৈধ লীজিদের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হোক। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তারা সতর্ক করে দিয়েছেন, যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে সরকারি সম্পত্তি বেহাত হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় ব্যাপক রক্তপাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দীর্ঘ সূত্রিতার ফলে লীজিদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। দ্রুত প্রতিবেদন প্রকাশ করে লীজিদের মাঝে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়া আনা জরুরি বলে স্থানীয়রা মনে করেন।