ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

মাকে জামায়াত রুকন অপবাদ দিয়ে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেন তুরিন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তার মা সামসুন নাহার তাসলিম।

তিনি বলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক না থাকলেও তুরিন আফরোজ প্রতিনিয়ত সব জায়গায় আমাকে জামায়াতের রুকন বলে অপপ্রচার চালায়। এটা করে ও আওয়ামী লীগের শাসনামলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাকে উত্তরার বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। অনৈতিক ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় সে আমার সঙ্গে এসব করতো। এখন নতুন সরকার এসেছে। ড. ইউনূসের সরকারের কাছে আবেদন আমার বাসা ফেরত দেওয়া হোক।

সোমবার সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের রিপোর্টার্স রুমের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তুরিনের মা সামসুন নাহার তাসলিম এ অভিযোগ করেন।

তুরিন আফরোজের মা বলেন, এখানে-সেখানে ঘুরে বেড়াই। আমি আমার দেশ ছেড়ে এ বয়সে কেন বিদেশে পড়ে থাকব? এ দেশ আমার জন্মস্থান, আমার ৫০ বছরের সংসার এখানে। আমি তো এখানেই থাকতে চাই। আমি আমার সংসারে ফিরে যেতে চাই। আমার স্বামী মারা যাওয়ার ১৮ দিন পর আমাকে বাসা থেকে বের করে দেয় তুরিন। আমার দোষ তার কিছু আচরণের প্রতিবাদ করা। যেমন ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে সবসময় ভাড়ার টাকা আমিই নিতাম। আমার স্বামী অবসরে যাওয়ার পর থেকে বাড়ি ভাড়ার টাকায় আমাদের সংসার ও ওষুধের খরচ চলত। ওর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তুরিন বাসা ভাড়ার টাকা জোর করে নিয়ে নেয়।

তিনি বলেন, অপরিচিত লোকদের রাত-বিরাতে ঘরে প্রবেশ করানো নিয়ে দারোয়ান ও ভাড়াটিয়ারা অভিযোগ করলে তুরিনের সঙ্গে প্রায়ই আমার ঝগড়া লাগত। এসব বিষয়ে নিষেধ করলে ডিজিএফআই, র্যাব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম করে সে ভয় দেখাত। বলত ‘ওরা সবাই তার বন্ধু।’ কোনো কিছু বললেই ৫৭ ধারায় গ্রেফতার করানোর ভয় দেখাত।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মাকে জামায়াত রুকন অপবাদ দিয়ে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেন তুরিন

আপডেট সময় ০৪:১৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তার মা সামসুন নাহার তাসলিম।

তিনি বলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক না থাকলেও তুরিন আফরোজ প্রতিনিয়ত সব জায়গায় আমাকে জামায়াতের রুকন বলে অপপ্রচার চালায়। এটা করে ও আওয়ামী লীগের শাসনামলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাকে উত্তরার বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। অনৈতিক ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় সে আমার সঙ্গে এসব করতো। এখন নতুন সরকার এসেছে। ড. ইউনূসের সরকারের কাছে আবেদন আমার বাসা ফেরত দেওয়া হোক।

সোমবার সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের রিপোর্টার্স রুমের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তুরিনের মা সামসুন নাহার তাসলিম এ অভিযোগ করেন।

তুরিন আফরোজের মা বলেন, এখানে-সেখানে ঘুরে বেড়াই। আমি আমার দেশ ছেড়ে এ বয়সে কেন বিদেশে পড়ে থাকব? এ দেশ আমার জন্মস্থান, আমার ৫০ বছরের সংসার এখানে। আমি তো এখানেই থাকতে চাই। আমি আমার সংসারে ফিরে যেতে চাই। আমার স্বামী মারা যাওয়ার ১৮ দিন পর আমাকে বাসা থেকে বের করে দেয় তুরিন। আমার দোষ তার কিছু আচরণের প্রতিবাদ করা। যেমন ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে সবসময় ভাড়ার টাকা আমিই নিতাম। আমার স্বামী অবসরে যাওয়ার পর থেকে বাড়ি ভাড়ার টাকায় আমাদের সংসার ও ওষুধের খরচ চলত। ওর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তুরিন বাসা ভাড়ার টাকা জোর করে নিয়ে নেয়।

তিনি বলেন, অপরিচিত লোকদের রাত-বিরাতে ঘরে প্রবেশ করানো নিয়ে দারোয়ান ও ভাড়াটিয়ারা অভিযোগ করলে তুরিনের সঙ্গে প্রায়ই আমার ঝগড়া লাগত। এসব বিষয়ে নিষেধ করলে ডিজিএফআই, র্যাব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম করে সে ভয় দেখাত। বলত ‘ওরা সবাই তার বন্ধু।’ কোনো কিছু বললেই ৫৭ ধারায় গ্রেফতার করানোর ভয় দেখাত।