ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

দেশে খাদ্যের সংকট নেই – খাদ্য সচিব

খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেন বলেছেন, এই মুহূর্তে দেশে খাদ্যের কোনো সংকট নেই, সরবরাহ পরিস্থিতির ভালো আছে। যে কারণে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতিসহ আভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ, মজুত পরিস্থিতি ও বন্যা দুর্গত জেলাগুলোতে সরকারি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

খাদ্য সচিব বলেন, এখন খাদ্যের (চাল ও গম) সরকারি মজুত ১৯ লাখ, এটা নিরাপদ পর্যায়ে আছে। আমরা আপদকালীন মজুত ধরেছি ১৩ লাখ টন, এ সংগ্রহ মৌসুমে এখন পর্যন্ত আরও দুই লাখ টন হওয়ার কথা। সেখানে আমাদের মজুত অনেক বেশি আছে।

তিনি বলেন, শুধু সরকারি মজুত নয়, বেসরকারি ১৫০০ মিলে মজুত সন্তোষজনক বলে আমরা জেনেছি। কারণ গত বোরো মৌসুমে উৎপাদন ভালো হয়েছে। এছাড়া, সরবরাহ মধ্যবর্তী সময়ে কিছুটা বিঘ্ন ছিল। কিন্তু এখন কোনো সমস্যা নেই।

বিদেশ থেকে খাদ্য কেনা বা আমদানি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এখন সরকারি কোনো ক্রয় প্রস্তাব নেই। নতুন সরকার সম্মতি দিলে কিনব। তবে, গত বছরের কেনা ৫০ হাজার টন গমের একটি জাহাজ বন্দরে খালাসের জন্য আছে।

চালের দাম প্রসঙ্গে ইসমাইল হোসেন বলেন, আগস্টের ৫ তারিখের আগে পর্যন্ত চালের দাম ২-৫ টাকা বেড়েছিল। এখন কমেছে। বাজারে ৪৯-৫১ টাকা সাধারণ মানের চাল পাওয়া যাচ্ছে। এটা স্বস্তিদায়ক।

গতকাল ৩১ আগস্ট বোরো মৌসুমের সংগ্রহ কার্যক্রম শেষ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের এ মৌসুমে ১১ লাখ টন সেদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, হয়েছে ১১ লাখ ২৫ হাজার টন। আতপ চালও এক লাখ টনের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৪ হাজার টন বেশি হয়েছে। তবে, ধানের সংগ্রহ কম হয়েছে। এটা বরারবই কম হয়, গত বছর ৪০ শতাংশ হয়েছিল, সে তুলনায় ভালো হয়েছে। পাঁচ লাখ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীত হয়েছে দুই লাখ ৯৬ হাজার টন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

দেশে খাদ্যের সংকট নেই – খাদ্য সচিব

আপডেট সময় ০৩:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেন বলেছেন, এই মুহূর্তে দেশে খাদ্যের কোনো সংকট নেই, সরবরাহ পরিস্থিতির ভালো আছে। যে কারণে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতিসহ আভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ, মজুত পরিস্থিতি ও বন্যা দুর্গত জেলাগুলোতে সরকারি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

খাদ্য সচিব বলেন, এখন খাদ্যের (চাল ও গম) সরকারি মজুত ১৯ লাখ, এটা নিরাপদ পর্যায়ে আছে। আমরা আপদকালীন মজুত ধরেছি ১৩ লাখ টন, এ সংগ্রহ মৌসুমে এখন পর্যন্ত আরও দুই লাখ টন হওয়ার কথা। সেখানে আমাদের মজুত অনেক বেশি আছে।

তিনি বলেন, শুধু সরকারি মজুত নয়, বেসরকারি ১৫০০ মিলে মজুত সন্তোষজনক বলে আমরা জেনেছি। কারণ গত বোরো মৌসুমে উৎপাদন ভালো হয়েছে। এছাড়া, সরবরাহ মধ্যবর্তী সময়ে কিছুটা বিঘ্ন ছিল। কিন্তু এখন কোনো সমস্যা নেই।

বিদেশ থেকে খাদ্য কেনা বা আমদানি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এখন সরকারি কোনো ক্রয় প্রস্তাব নেই। নতুন সরকার সম্মতি দিলে কিনব। তবে, গত বছরের কেনা ৫০ হাজার টন গমের একটি জাহাজ বন্দরে খালাসের জন্য আছে।

চালের দাম প্রসঙ্গে ইসমাইল হোসেন বলেন, আগস্টের ৫ তারিখের আগে পর্যন্ত চালের দাম ২-৫ টাকা বেড়েছিল। এখন কমেছে। বাজারে ৪৯-৫১ টাকা সাধারণ মানের চাল পাওয়া যাচ্ছে। এটা স্বস্তিদায়ক।

গতকাল ৩১ আগস্ট বোরো মৌসুমের সংগ্রহ কার্যক্রম শেষ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের এ মৌসুমে ১১ লাখ টন সেদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, হয়েছে ১১ লাখ ২৫ হাজার টন। আতপ চালও এক লাখ টনের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৪ হাজার টন বেশি হয়েছে। তবে, ধানের সংগ্রহ কম হয়েছে। এটা বরারবই কম হয়, গত বছর ৪০ শতাংশ হয়েছিল, সে তুলনায় ভালো হয়েছে। পাঁচ লাখ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীত হয়েছে দুই লাখ ৯৬ হাজার টন।