সংবাদ শিরোনাম ::
কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা শত্রুতার জেরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, পুড়লো বসতবাড়ি ৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসের ইউরোপ সফর, উঠছে নানা প্রশ্ন ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

ভবানীগঞ্জ পৌর মেয়র বরখাস্ত

সরকারি বরাদ্দ আত্মসাৎ ও পৌর তহবিলের অর্থ তছরুপের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাজশাহীর ভবানীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুল মালেককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ১২ জুন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আদেশ জারির দিন থেকেই পৌর মেয়র মালেক সাময়িক বরখাস্ত বলে বিবেচিত হবেন।

জানা গেছে, বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্দুল মালেক ভবানীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি। এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের ফুফাতো ভাই। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ হাচেন আলীকে পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে মালেকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নানাবিধ স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে পৌর কাউন্সিলররা স্থানীয় সরকার সচিব বরাবর আবেদন করেছিলেন। মন্ত্রণালয় থেকে তা তদন্ত করা হয় এবং তদন্তে অনিয়ম দুর্নীতির প্রমাণ মেলে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশপত্রে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে পৌরসভার চারটি প্যাকেজ কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়। এরমধ্যে তিনটি প্যাকেজের কাজ সম্পন্ন না করেই বরাদ্দ করা অর্থের পুরোটাই তুলে আত্মসাৎ করেন মেয়র আব্দুল মালেক। ২০২২ সালে কাজ না করেই কোটেশনের মাধ্যমে আরেকটি বরাদ্দের ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪০ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। পৌর ভবনের নির্মাণকাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ না করে নিজেই মিস্ত্রি লাগিয়ে কাজ করেন। ঠিকাদার হিসেবে নিজেই এই কাজের বরাদ্দ করা টাকা ব্যাংক থেকে তুলে আত্মসাৎ করেন।

এছাড়া আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে আদায় করা পৌরকর আত্মসাৎ, ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ায় অনিয়ম, পৌরসভার ট্রাক, রোলার ও অন্যান্য বাহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে গাফিলতি এবং পৌর এলাকার সড়কে যানবাহন থেকে টোকেনের মাধ্যমে অবৈধভাবে টাকা তোলার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক

ভবানীগঞ্জ পৌর মেয়র বরখাস্ত

আপডেট সময় ১২:১৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪

সরকারি বরাদ্দ আত্মসাৎ ও পৌর তহবিলের অর্থ তছরুপের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাজশাহীর ভবানীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুল মালেককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ১২ জুন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আদেশ জারির দিন থেকেই পৌর মেয়র মালেক সাময়িক বরখাস্ত বলে বিবেচিত হবেন।

জানা গেছে, বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্দুল মালেক ভবানীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি। এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের ফুফাতো ভাই। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ হাচেন আলীকে পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে মালেকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নানাবিধ স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে পৌর কাউন্সিলররা স্থানীয় সরকার সচিব বরাবর আবেদন করেছিলেন। মন্ত্রণালয় থেকে তা তদন্ত করা হয় এবং তদন্তে অনিয়ম দুর্নীতির প্রমাণ মেলে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশপত্রে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে পৌরসভার চারটি প্যাকেজ কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়। এরমধ্যে তিনটি প্যাকেজের কাজ সম্পন্ন না করেই বরাদ্দ করা অর্থের পুরোটাই তুলে আত্মসাৎ করেন মেয়র আব্দুল মালেক। ২০২২ সালে কাজ না করেই কোটেশনের মাধ্যমে আরেকটি বরাদ্দের ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪০ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। পৌর ভবনের নির্মাণকাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ না করে নিজেই মিস্ত্রি লাগিয়ে কাজ করেন। ঠিকাদার হিসেবে নিজেই এই কাজের বরাদ্দ করা টাকা ব্যাংক থেকে তুলে আত্মসাৎ করেন।

এছাড়া আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে আদায় করা পৌরকর আত্মসাৎ, ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ায় অনিয়ম, পৌরসভার ট্রাক, রোলার ও অন্যান্য বাহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে গাফিলতি এবং পৌর এলাকার সড়কে যানবাহন থেকে টোকেনের মাধ্যমে অবৈধভাবে টাকা তোলার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।