ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আ.লীগের নেতাকর্মীরাই ভোট দিতে আসেননি

ঢাকার সাভার উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ৯ লাখ ৯১৫ জন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বুধবার ভোট পড়েছে ৪৫ হাজার ৩০৯টি। অর্থাৎ মোট ভোটের ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বেশকিছু জাল ভোটের চিত্রও।

সাভারের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দাবি, এ উপজেলায় ৩৫ শতাংশ মানুষ আওয়ামীপন্থি বা আওয়ামী লীগ সমর্থক। অন্যান্য দলের ৬৫ শতাংশ। অথচ এবার উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। মূলত আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাই এ নির্বাচনে ভোট দিতে আসেননি।

এমন পরিস্থিতিতে পাড়ামহল্লার চায়ের দোকানে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। কেউ কেউ বলছেন, সাভার উপজেলা নির্বাচনে যেসব প্রার্থী অংশ নিয়েছেন, তারা সবাই আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী। অর্থাৎ, তারা নিজেরা নিজেরাই নির্বাচন করেছেন। এর মধ্যে একজন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিল মেহেদী হাসান। তার ছিল না কোনো দলীয় পদ-পদবি। তার নিজ এলাকাতেই ছিল না তেমন পরিচিতি।

এমন একজন সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সাহস পাননি। তাকে এ নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয়। অবশ্য তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে উল্লেখ করেছেন, ব্যক্তিগত কারণে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না তিনি।

সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা দৌলা যুগান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগের অনেকেই ভোট দিতে আসেননি, কথাটি আংশিক সত্য। কারণ, দলীয় কোন্দলের কারণে অনেক নেতাকর্মীর মাঝে এ নির্বাচনে উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল না। এ কারণে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম।

কোন্দলের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার চেয়ে যোগ্য কেউ থাকলে আমার উচিত হবে তাকে সুযোগ দেওয়া। কিন্তু আমরা তা করছি না। ফলে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

বেসরকারিভাবে যারা নির্বাচিত : সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ভাইস চেয়ারম্যান পদে চশমা প্রতীকে ইমতিয়াজ উদ্দিন ২৪ হাজার ৭৪৪, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যন পদে কলস প্রতীকে মনিকা আক্তার ২৫ হাজার ১১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আ.লীগের নেতাকর্মীরাই ভোট দিতে আসেননি

আপডেট সময় ১০:৪৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪

ঢাকার সাভার উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ৯ লাখ ৯১৫ জন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বুধবার ভোট পড়েছে ৪৫ হাজার ৩০৯টি। অর্থাৎ মোট ভোটের ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বেশকিছু জাল ভোটের চিত্রও।

সাভারের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দাবি, এ উপজেলায় ৩৫ শতাংশ মানুষ আওয়ামীপন্থি বা আওয়ামী লীগ সমর্থক। অন্যান্য দলের ৬৫ শতাংশ। অথচ এবার উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। মূলত আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাই এ নির্বাচনে ভোট দিতে আসেননি।

এমন পরিস্থিতিতে পাড়ামহল্লার চায়ের দোকানে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। কেউ কেউ বলছেন, সাভার উপজেলা নির্বাচনে যেসব প্রার্থী অংশ নিয়েছেন, তারা সবাই আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী। অর্থাৎ, তারা নিজেরা নিজেরাই নির্বাচন করেছেন। এর মধ্যে একজন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিল মেহেদী হাসান। তার ছিল না কোনো দলীয় পদ-পদবি। তার নিজ এলাকাতেই ছিল না তেমন পরিচিতি।

এমন একজন সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সাহস পাননি। তাকে এ নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয়। অবশ্য তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে উল্লেখ করেছেন, ব্যক্তিগত কারণে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না তিনি।

সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা দৌলা যুগান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগের অনেকেই ভোট দিতে আসেননি, কথাটি আংশিক সত্য। কারণ, দলীয় কোন্দলের কারণে অনেক নেতাকর্মীর মাঝে এ নির্বাচনে উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল না। এ কারণে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম।

কোন্দলের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার চেয়ে যোগ্য কেউ থাকলে আমার উচিত হবে তাকে সুযোগ দেওয়া। কিন্তু আমরা তা করছি না। ফলে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

বেসরকারিভাবে যারা নির্বাচিত : সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ভাইস চেয়ারম্যান পদে চশমা প্রতীকে ইমতিয়াজ উদ্দিন ২৪ হাজার ৭৪৪, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যন পদে কলস প্রতীকে মনিকা আক্তার ২৫ হাজার ১১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।