ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাজিরা থানার ওসি মোঃ সালেহ আহাম্মদ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত কালুখালীতে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে চুরি-ছিনতাই ও কিশোরগ্যাং আতঙ্ক, জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আবারও জেলা প্রশাসক, বরগুনা কর্তৃক সাপ্তাহিক গণশুনানি গ্রহণ অনুষ্ঠিত শ্রমিক লীগ নেতার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শেয়ার দখল ও হুমকির অভিযোগ বরগুনার তালতলীতে ১ টি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ পাঁচজন আটক লালমনিরহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এআই ক্যামেরার নজরদারিতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা, জরিমানা ১৫ লাখ ৫১ হাজার পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কুমিল্লার দেবিদ্বার থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ৭ মাদক কারবারী ও মাদক সেবী গ্রেফতার 

দালালের খপ্পরে সৌদি গিয়ে ৪ মাস যাবৎ নিখোঁজ তাহিরপুরের তারেক

আর্থিক অভাব অনটন থেকে মুক্তি ও দারিদ্রকে দূর করার জন্য কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সৌদি আরব যান শিপাইন কবির তারেক (৩০) নামে এক যুবক। সে তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের বড়দল নতুনহাটি গ্রামের লুৎফুর রহমানের বড় ছেলে।

গেলো ৪ মাস ধরে বিদেশ যাওয়া এই যুবকের সঙ্গে কোন যোগাযোগ নেই তার স্বজনদের। ছেলেকে উদ্ধার ও প্রতারকের হাতিয়ে নেওয়া টাকা ফেরত পেতে সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন তার বাবা লুৎফুর রহমান।

এঘটনায় এজাহারে আসামী করা হয়েছে উপজেলার তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের গাজিপুর গ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে তৌফিক হাসান শ্যামল (৩৫)। একই গ্রামের মৃত শাহাব উদ্দিনের ছেলে শহিদ মাষ্টার (৫০) ও উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের বড়দল গ্রামের জুয়েল মিয়া (৩০) কে।

নিখোঁজ তারেকের বাবা লুৎফুর রহমান এজাহারে উল্লেখ করেন, বিবাদী তৌফিক হাসান শ্যামল আনুমানিক ৮মাস পূর্বে আমার ছেলে শিপাইন কবির তারেককে সৌদি আরব রাষ্ট্রে নিয়ে টিস্যু কম্পানীতে ৫০হাজার টাকা বেতনে চাকুরী দেয়ার কথায় ৫লক্ষ ৫০হাজার টাকা গ্রহণ করে। এসময় কথা ছিল আমার ছেলেকে সৌদি আরব পৌঁছানোর সাথে সাথে বিবাদীর লোকজন তাকে রিসিভ করবে। কিন্তু পৌঁছানোর আট ঘণ্টা পর তারা রিসিভ করে। প্রথম মাঝেমধ্যে কয়দিন মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেছে। কথা মতো কাজকাম না দিয়ে তাকে অনেক কষ্টে রেখেছে। ঠিক মতো খাবার খেতেও দেওয়া হয়না বলে জানিয়েছিলো তারেক। এরপর চার মাস যাবৎ তার সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারিনি।

তিনি আরোও উল্লেখ করেন, বিদেশে আমার ছেলে কিছুই চিনে না। তৌফিক আমাদের সরল বিশ্বাসের উপর বেঈমানী করেছে। এখন পর্যন্ত আমার ছেলের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এবিষয়ে বিবাদী তৌফিকের সাথে আমার ছেলের খোঁজখবর জানতে চাইলে, সে যোগাযোগ করিয়ে দেবে বলে দিন পাড় করছে।

তাই আমরা আদালতে অভিযোগ দিয়েছি। আমার ছেলেকে উদ্ধার ও আমার কাছ থেকে নেওয়া ৫ লক্ষ ৫০হাজার টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য। আমার ছেলের কি অবস্থা আমরা জানিনা।

এ ব্যপারে জানতে অভিযুক্ত তৌফিকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইলে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাজিরা থানার ওসি মোঃ সালেহ আহাম্মদ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত

দালালের খপ্পরে সৌদি গিয়ে ৪ মাস যাবৎ নিখোঁজ তাহিরপুরের তারেক

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আর্থিক অভাব অনটন থেকে মুক্তি ও দারিদ্রকে দূর করার জন্য কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সৌদি আরব যান শিপাইন কবির তারেক (৩০) নামে এক যুবক। সে তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের বড়দল নতুনহাটি গ্রামের লুৎফুর রহমানের বড় ছেলে।

গেলো ৪ মাস ধরে বিদেশ যাওয়া এই যুবকের সঙ্গে কোন যোগাযোগ নেই তার স্বজনদের। ছেলেকে উদ্ধার ও প্রতারকের হাতিয়ে নেওয়া টাকা ফেরত পেতে সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন তার বাবা লুৎফুর রহমান।

এঘটনায় এজাহারে আসামী করা হয়েছে উপজেলার তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের গাজিপুর গ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে তৌফিক হাসান শ্যামল (৩৫)। একই গ্রামের মৃত শাহাব উদ্দিনের ছেলে শহিদ মাষ্টার (৫০) ও উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের বড়দল গ্রামের জুয়েল মিয়া (৩০) কে।

নিখোঁজ তারেকের বাবা লুৎফুর রহমান এজাহারে উল্লেখ করেন, বিবাদী তৌফিক হাসান শ্যামল আনুমানিক ৮মাস পূর্বে আমার ছেলে শিপাইন কবির তারেককে সৌদি আরব রাষ্ট্রে নিয়ে টিস্যু কম্পানীতে ৫০হাজার টাকা বেতনে চাকুরী দেয়ার কথায় ৫লক্ষ ৫০হাজার টাকা গ্রহণ করে। এসময় কথা ছিল আমার ছেলেকে সৌদি আরব পৌঁছানোর সাথে সাথে বিবাদীর লোকজন তাকে রিসিভ করবে। কিন্তু পৌঁছানোর আট ঘণ্টা পর তারা রিসিভ করে। প্রথম মাঝেমধ্যে কয়দিন মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেছে। কথা মতো কাজকাম না দিয়ে তাকে অনেক কষ্টে রেখেছে। ঠিক মতো খাবার খেতেও দেওয়া হয়না বলে জানিয়েছিলো তারেক। এরপর চার মাস যাবৎ তার সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারিনি।

তিনি আরোও উল্লেখ করেন, বিদেশে আমার ছেলে কিছুই চিনে না। তৌফিক আমাদের সরল বিশ্বাসের উপর বেঈমানী করেছে। এখন পর্যন্ত আমার ছেলের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এবিষয়ে বিবাদী তৌফিকের সাথে আমার ছেলের খোঁজখবর জানতে চাইলে, সে যোগাযোগ করিয়ে দেবে বলে দিন পাড় করছে।

তাই আমরা আদালতে অভিযোগ দিয়েছি। আমার ছেলেকে উদ্ধার ও আমার কাছ থেকে নেওয়া ৫ লক্ষ ৫০হাজার টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য। আমার ছেলের কি অবস্থা আমরা জানিনা।

এ ব্যপারে জানতে অভিযুক্ত তৌফিকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইলে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।