ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গৃহবধূর কাছে ঘুষ চেয়ে ‘বড় মাশুল’ গুনলেন এসআই হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে দুদক বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না কুমিল্লায় কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর মায়ের জানাজা অনুষ্ঠিত বরগুনার তালতলীতে নদীর তীরে ভেসে এলো বিশাল আকারে মৃত তিমি বড়লেখায় মিথ্যা মামলার অভিযোগে সোনাহর আলীর সংবাদ সম্মেলন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটিতে প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম বেরোবির বিজয়-২৪ হলে আধুনিকায়িত রিডিং রুম ও মসজিদ উদ্বোধন বিএনপি’র কান্ডারী ছাত্রনেতা তপন মাহমুদকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় মোহাম্মদপুরবাসী নওগাঁয় বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও মদ জব্দ

সোহেল তাজের তিন দাবি

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান কারাগারে হত্যার শিকার হন।

দিনটি স্মরণে দেশে জেল হত্যা দিবস পালন করা হয়। দিবসটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেব ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।

সোহেল তাজ লেখেন, আগামী ৩ নভেম্বর কলঙ্কময় জেল হত্যা দিবস। দেখতে দেখতে ৪৭ বছর পার হয়ে গেল। অথচ এখন পর্যন্ত জাতির এই চার বীর যাদের নেতৃত্বে সফলভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হলো, যাদের নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেলাম এবং যাদের প্রচেষ্টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে বাংলার বুকে ফিরে পেলাম- আজ অবধি রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের কোনো স্বীকৃতি নাই। এটা মেনে নেওয়া যায় না!

আমার দাবি :

২. ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসকে ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করতে হবে।

৩. জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের সব বেসামরিক ও সামরিক সংগঠক, পরিচালক, অমর শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাম, অবদান ও জীবনীসহ  মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস যথাযথ মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তকে ও সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

আমি মনে করি, আমার এই তিন দাবি ন্যায্য ও যৌক্তিক এবং এটা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকলের প্রাণের দাবি।’

তিনি একটি কর্মসূচি ঘোষণা করে আরও লেখেন, আগামী সোমবার (৩১ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে (মানিক মিয়া এভিনিউ) সমাবেশ এবং স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এই সমাবেশে স্বাধীনতা/মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সবাইকে অংশ নেওয়ার জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি আরও লেখেন, শোক দিবস একাধিক হতে পারে। যেমন : ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ডিসেম্বর।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূর কাছে ঘুষ চেয়ে ‘বড় মাশুল’ গুনলেন এসআই

সোহেল তাজের তিন দাবি

আপডেট সময় ১০:৫০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান কারাগারে হত্যার শিকার হন।

দিনটি স্মরণে দেশে জেল হত্যা দিবস পালন করা হয়। দিবসটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেব ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।

সোহেল তাজ লেখেন, আগামী ৩ নভেম্বর কলঙ্কময় জেল হত্যা দিবস। দেখতে দেখতে ৪৭ বছর পার হয়ে গেল। অথচ এখন পর্যন্ত জাতির এই চার বীর যাদের নেতৃত্বে সফলভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হলো, যাদের নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেলাম এবং যাদের প্রচেষ্টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে বাংলার বুকে ফিরে পেলাম- আজ অবধি রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের কোনো স্বীকৃতি নাই। এটা মেনে নেওয়া যায় না!

আমার দাবি :

২. ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসকে ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করতে হবে।

৩. জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের সব বেসামরিক ও সামরিক সংগঠক, পরিচালক, অমর শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাম, অবদান ও জীবনীসহ  মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস যথাযথ মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তকে ও সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

আমি মনে করি, আমার এই তিন দাবি ন্যায্য ও যৌক্তিক এবং এটা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকলের প্রাণের দাবি।’

তিনি একটি কর্মসূচি ঘোষণা করে আরও লেখেন, আগামী সোমবার (৩১ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে (মানিক মিয়া এভিনিউ) সমাবেশ এবং স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এই সমাবেশে স্বাধীনতা/মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সবাইকে অংশ নেওয়ার জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি আরও লেখেন, শোক দিবস একাধিক হতে পারে। যেমন : ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ডিসেম্বর।