ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টাকা ধার না দেওয়ায় গৃহশিক্ষিকার মাথায় ১০ কোপ দিলেন ছাত্রীর মা পাচার ও প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর্জেন্টিনাকে বাদ দিতে ৭৮ লাখ মানুষের আবেদন ফরিদপুরে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত: শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন মাহমুদুল হাসান কুমিল্লায় ১০০ কেজি গাঁজাসহ মাইক্রোবাস জব্দ, আটক ২ গুলশানে স্পা, র অন্তরালে ,,বাহার , ম্যানেজার রানা, সুমন, ব্ল্যাকমেলই সহ মাদক বাণিজ্য নারী দিয়ে ফাঁদ আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া বয়তুল্ল্যাহ সেতুর উত্তর পাশে ধস: যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা উত্তরা ব্যাংক কর্মকর্তা আরিফুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তরার সড়কে শিক্ষার্থীরা আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করলেন পঞ্চগড়ের কৃতী সন্তান আব্দুল মালেক

রিজার্ভের টাকা সরকার চিবিয়ে খায়নি, গিলে ফেলেছে : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের হাত থেকে যদি বাংলাদেশকে সরাতে হবে, না হলে বাংলাদেশের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। তারা বাংলাদেশের সমস্ত অর্থনীতিকে নিঃশেষ করে দিয়েছে। রিজার্ভের টাকা সরকার চিবিয়ে খায়নি, গিলে ফেলেছে। গোটা বাংলাদেশের সমস্ত অর্থনীতিকে আপনারা গিলে ফেলেছেন।

শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, আমরা পরিষ্কার করে জানতে চাই—  পায়রা বন্দরের জন্য টাকা কীভাবে গেল, কোথা থেকে গেল? আমরা জানি, যেসব মালামাল আমদানি করা হয় তার পেমেন্ট করা হয় রিজার্ভ থেকে। আমরা যে ঋণ নিই, তা পরিশোধ করতে হয় রিজার্ভের টাকায়। কিন্তু তিনি (শেখ হাসিনা) যে জোর দিয়ে বললেন, পায়রা বন্দরে খরচ করা হয়েছে। আমরা জানতে চাই কীভাবে খরচ হলো। কারা করলো, কাদেরকে দিয়ে করালেন? রিজার্ভের টাকা কিভাবে গেল?

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জন করে দিয়েছেন। এখন আপনাদের দায়িত্ব হলো আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভয়াবহ দানব থেকে দেশকে মুক্ত করবেন। দেশে আবারো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন এবং মানুষের অধিকার ফিরিয়ে নিয়ে আসবেন। আসুন আমরা গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের অধিকার ফিরিয়ে আনি।

তিনি আরও বলেন, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়। আমাদের পরিষ্কার কথা, সংসদ ভেঙে দিতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে তাদের মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। সেই নির্বাচন কমিশনের অধীনে জনগণ তাদের ভোট প্রয়োগ করে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবে।

সংগঠনের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মুক্তিযুদ্ধ দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টাকা ধার না দেওয়ায় গৃহশিক্ষিকার মাথায় ১০ কোপ দিলেন ছাত্রীর মা

রিজার্ভের টাকা সরকার চিবিয়ে খায়নি, গিলে ফেলেছে : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৭:৩৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০২২

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের হাত থেকে যদি বাংলাদেশকে সরাতে হবে, না হলে বাংলাদেশের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। তারা বাংলাদেশের সমস্ত অর্থনীতিকে নিঃশেষ করে দিয়েছে। রিজার্ভের টাকা সরকার চিবিয়ে খায়নি, গিলে ফেলেছে। গোটা বাংলাদেশের সমস্ত অর্থনীতিকে আপনারা গিলে ফেলেছেন।

শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, আমরা পরিষ্কার করে জানতে চাই—  পায়রা বন্দরের জন্য টাকা কীভাবে গেল, কোথা থেকে গেল? আমরা জানি, যেসব মালামাল আমদানি করা হয় তার পেমেন্ট করা হয় রিজার্ভ থেকে। আমরা যে ঋণ নিই, তা পরিশোধ করতে হয় রিজার্ভের টাকায়। কিন্তু তিনি (শেখ হাসিনা) যে জোর দিয়ে বললেন, পায়রা বন্দরে খরচ করা হয়েছে। আমরা জানতে চাই কীভাবে খরচ হলো। কারা করলো, কাদেরকে দিয়ে করালেন? রিজার্ভের টাকা কিভাবে গেল?

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জন করে দিয়েছেন। এখন আপনাদের দায়িত্ব হলো আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভয়াবহ দানব থেকে দেশকে মুক্ত করবেন। দেশে আবারো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন এবং মানুষের অধিকার ফিরিয়ে নিয়ে আসবেন। আসুন আমরা গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের অধিকার ফিরিয়ে আনি।

তিনি আরও বলেন, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়। আমাদের পরিষ্কার কথা, সংসদ ভেঙে দিতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে তাদের মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। সেই নির্বাচন কমিশনের অধীনে জনগণ তাদের ভোট প্রয়োগ করে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবে।

সংগঠনের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মুক্তিযুদ্ধ দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন প্রমুখ।