ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজধানীর আরামবাগ-ফকিরাপুলে অবৈধ বাস টার্মিনালের আড়ালে কোটি টাকার বাণিজ্য ইউটার্ন বন্ধের খুঁটি বসানোর এক রাত না পেরোতেই উধাও স্ত্রীর শেষ কথাই এখন স্মৃতি, বন্যায় নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজতে নেপালে প্রমোদ সরকারি নির্ধারিত সময়ে অফিসে অনুপস্থিতির অভিযোগ লাকসাম পূর্ব ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে মা মারা যাওয়ার পরও মায়ের মুখ দেখতে দেয়নি হাসিনা সরকার : জয়নুল আবদিন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আজ বুড়িচংয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিষিদ্ধ বালাইনাশক বিক্রি, মোবাইল কোর্টে জরিমানা মিডিয়াকে লাঠির মতো ব্যবহার করে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী : রিজভী কুমিল্লায় জাইতুন ও মিয়ামী রেস্টুরেন্টে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান, জরিমানা ৭০ হাজার টাকা ডিএমপির ৫ অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে বদলি

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে এক কিশোরকে গাছে সাথে বেঁধে অমানসিক নির্যাতন

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীবল্লভপুর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনামুল হোসেন (১৩) নামে এক কিশোরকে এলোপাতারী কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় আহত এনামুল হোসেনের পিতা মো: তোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় শ্রীবল্লবপুর এলাকার মকবুল হোসেনের পুত্র বিএনপির কতিপয় নামাধারী নেতা মো: শাহ আলমসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ দায়েরের দুই দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন বাদী।

ওই অভিযোগ থেকে জানা যায়-গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় শাহ আলমের নাতির সাথে এনামুল হোসেনের ধাক্কা লেগে মাটিতে পড়ে যায়। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাহ আলম সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অস্ত্র শস্ত্রসহ এনামুলকে খুঁজতে থাকে এবং বিভিন্ন হুমকি ধমকি দেয়। সন্ত্রাসীদের ভয়ে এনামুল বাড়ি থেকে হতে পারে না এবং স্কুলেও যেতে পারছে না।

গত ১৫ জুলাই বিকাল সাড়ে ৫টায় বিএনপির নেতা শাহ আলমসহ সন্ত্রাসীরা অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে এনামুল হক বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কাঁচা গাছের লাঠি দিয়ে আঘাত করে শাহ আলম। শাহ আলমের আঘাতে তার মাথা ফেটে গিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হয়।

এছাড়াও শাহ আলম ওই এনামুলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন করে ফুলা জখম করে এবং শাহ আলমের ঘরে আটক করে রাখে। এনামুলের পিতা অনেক খোঁজখুঁজি করে রাত সাড়ে ৮টার সময় শাহ আলমের ঘর থেকে উদ্ধার করে। এছাড়াও তার ভাই ইমান হোসেনকে মারধর করে। পরে আহত অবস্থায় এনামুলকে সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। বর্তমানে ওই সন্ত্রাসী শাহ আলম বাহিনীর ভয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেবাশীষ চৌধুরী বলেন-বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে আমি থানায় গিয়ে দেখবো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর আরামবাগ-ফকিরাপুলে অবৈধ বাস টার্মিনালের আড়ালে কোটি টাকার বাণিজ্য

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে এক কিশোরকে গাছে সাথে বেঁধে অমানসিক নির্যাতন

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীবল্লভপুর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনামুল হোসেন (১৩) নামে এক কিশোরকে এলোপাতারী কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় আহত এনামুল হোসেনের পিতা মো: তোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় শ্রীবল্লবপুর এলাকার মকবুল হোসেনের পুত্র বিএনপির কতিপয় নামাধারী নেতা মো: শাহ আলমসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ দায়েরের দুই দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন বাদী।

ওই অভিযোগ থেকে জানা যায়-গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় শাহ আলমের নাতির সাথে এনামুল হোসেনের ধাক্কা লেগে মাটিতে পড়ে যায়। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাহ আলম সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অস্ত্র শস্ত্রসহ এনামুলকে খুঁজতে থাকে এবং বিভিন্ন হুমকি ধমকি দেয়। সন্ত্রাসীদের ভয়ে এনামুল বাড়ি থেকে হতে পারে না এবং স্কুলেও যেতে পারছে না।

গত ১৫ জুলাই বিকাল সাড়ে ৫টায় বিএনপির নেতা শাহ আলমসহ সন্ত্রাসীরা অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে এনামুল হক বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কাঁচা গাছের লাঠি দিয়ে আঘাত করে শাহ আলম। শাহ আলমের আঘাতে তার মাথা ফেটে গিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হয়।

এছাড়াও শাহ আলম ওই এনামুলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন করে ফুলা জখম করে এবং শাহ আলমের ঘরে আটক করে রাখে। এনামুলের পিতা অনেক খোঁজখুঁজি করে রাত সাড়ে ৮টার সময় শাহ আলমের ঘর থেকে উদ্ধার করে। এছাড়াও তার ভাই ইমান হোসেনকে মারধর করে। পরে আহত অবস্থায় এনামুলকে সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। বর্তমানে ওই সন্ত্রাসী শাহ আলম বাহিনীর ভয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেবাশীষ চৌধুরী বলেন-বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে আমি থানায় গিয়ে দেখবো।