ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বগুড়ার সাব-রেজিস্ট্রার অনিমেষ পালের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আর কত দিন লাগবে, জানালেন জ্বালানি মন্ত্রী গ্যাসের দাম এক টাকাও বাড়ালে সরকার টিকতে পারবে না : নাহিদ ইসলাম শিবির করায় ববির এক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীকে ছাত্রদলের মারধর, অতঃপর চাকরিচ্যুত জুলাই দিবস পালন শেষে জাজিরা উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ১২ হাজার টাকার ঋণ, ১৩ লাখ টাকার মামলা; বালিয়াডাঙ্গীতে গ্রেপ্তার সুদ ব্যবসায়ী কুমিল্লায় সোহান হত্যা মামলায় বৃদ্ধ মিজানুর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নওগাঁয় এআই কানেক্টেড ক্যামেরার সুফল: যশোরে স্পেশাল ড্রাইভে স্বর্ণ ছিনতাইকারী গ্রেফতার যুক্তরাষ্ট্রে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি’র সুযোগ পেলেন বেরোবি শিক্ষার্থী ইমন  রাজশাহীতে পুকুরে বিষ দিয়ে ১০ লাখ টাকার মাছ নিধন 

রাজশাহীর পবায় সংস্কারের নামে ফসলি জমিতে পুকুর খননের অভিযোগ

রাজশাহীর পবা উপজেলার দুর্গাপারিলা গ্রামের একটি ছোট বিলে সংস্কারের নামে তিন ফসলী জমিতে পুকুর খননের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে পুকুর খনন বন্ধে স্থানীয় কৃষকরা পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পবা থানার দুর্গাপারিলা গ্রামের বিলে তিন ফসলী প্রায় ১৫০ বিঘা চাষাবাদের জমি রয়েছে। বিলের উত্তর পাশ দিয়ে জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছিল। পাশেই রয়েছে ছোট একটি পুকুর। বর্তমান ওই পুকুরটি এলাকার জামাল হোসেন, নুরুজ্জামানসহ কয়েকজন ব্যক্তি সংস্কার করছেন।

কিন্তু পুরোনো পুকুরটি সংস্কারের নামে তারা তিন ফসলী জমি সীমানা করে পাড় দেয়া শুরু করেছে। এতে দেখা দেখা যায়, পুকুরের পাড়ের বাঁধের কারণে ১৫০ বিঘা সম্পত্তির পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে জলবদ্ধতার সৃষ্টি করবে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলে স্থানীয় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা রয়েছে। এছাড়াও কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়বে জেনেও পুকুর খননকারীরা প্রভাব খাটিয়ে পুকুরটি খননের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পুকুর খননে বাধা দেয়ায় রীতিমত জমির মালিক ও স্থানীয় কৃষকদের হুমকি ধামকি দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগকারী ওই বিলের জমির মালিক রুহুল আমীন বলেন, পুকুরটি সংস্কার করলে কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু এখন পুকুরটি সংস্কারের নামে আশপাশে আরো ১২ থেকে ১৫ বিঘা জমি সীমানা করে বড় আকারে পুকুরটি খনন করা হচ্ছে। এতে পুকুরটির পূর্ব ও দক্ষিন পাশের কৃষকদের পুরো জমি জলাবদ্ধার সৃষ্টি হবে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকলে ওই বিলের প্রায় দেড়শ বিঘা জমি পতিত হয়ে পড়বে। এসব জমিতে কোনো ফসল আর হবে না। এতে জমির মালিকরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। তবে পুকুর খননকারীরা বলছেন, তারা পুরাতন পুকুরটি সংস্কার করছেন। এতে পূর্ব ও দক্ষিন পাশের কিছু জমি পাড় দেয়ার জন্য বাড়ানো হয়েছে। এতে কোনো ক্ষতি হবে না বলেও তারা বন্তব্য করেন।

এব্যাপারে পবা উপজেলার এসিল্যান্ড অভিজিত সরকার জানান, পুকুর খননের ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর পুকুর খনন বন্ধ রাখা হয়েছে। সরজমিন পরিদর্শন করে এব্যাপারে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ার সাব-রেজিস্ট্রার অনিমেষ পালের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

রাজশাহীর পবায় সংস্কারের নামে ফসলি জমিতে পুকুর খননের অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩

রাজশাহীর পবা উপজেলার দুর্গাপারিলা গ্রামের একটি ছোট বিলে সংস্কারের নামে তিন ফসলী জমিতে পুকুর খননের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে পুকুর খনন বন্ধে স্থানীয় কৃষকরা পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পবা থানার দুর্গাপারিলা গ্রামের বিলে তিন ফসলী প্রায় ১৫০ বিঘা চাষাবাদের জমি রয়েছে। বিলের উত্তর পাশ দিয়ে জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছিল। পাশেই রয়েছে ছোট একটি পুকুর। বর্তমান ওই পুকুরটি এলাকার জামাল হোসেন, নুরুজ্জামানসহ কয়েকজন ব্যক্তি সংস্কার করছেন।

কিন্তু পুরোনো পুকুরটি সংস্কারের নামে তারা তিন ফসলী জমি সীমানা করে পাড় দেয়া শুরু করেছে। এতে দেখা দেখা যায়, পুকুরের পাড়ের বাঁধের কারণে ১৫০ বিঘা সম্পত্তির পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে জলবদ্ধতার সৃষ্টি করবে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলে স্থানীয় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা রয়েছে। এছাড়াও কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়বে জেনেও পুকুর খননকারীরা প্রভাব খাটিয়ে পুকুরটি খননের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পুকুর খননে বাধা দেয়ায় রীতিমত জমির মালিক ও স্থানীয় কৃষকদের হুমকি ধামকি দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগকারী ওই বিলের জমির মালিক রুহুল আমীন বলেন, পুকুরটি সংস্কার করলে কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু এখন পুকুরটি সংস্কারের নামে আশপাশে আরো ১২ থেকে ১৫ বিঘা জমি সীমানা করে বড় আকারে পুকুরটি খনন করা হচ্ছে। এতে পুকুরটির পূর্ব ও দক্ষিন পাশের কৃষকদের পুরো জমি জলাবদ্ধার সৃষ্টি হবে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকলে ওই বিলের প্রায় দেড়শ বিঘা জমি পতিত হয়ে পড়বে। এসব জমিতে কোনো ফসল আর হবে না। এতে জমির মালিকরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। তবে পুকুর খননকারীরা বলছেন, তারা পুরাতন পুকুরটি সংস্কার করছেন। এতে পূর্ব ও দক্ষিন পাশের কিছু জমি পাড় দেয়ার জন্য বাড়ানো হয়েছে। এতে কোনো ক্ষতি হবে না বলেও তারা বন্তব্য করেন।

এব্যাপারে পবা উপজেলার এসিল্যান্ড অভিজিত সরকার জানান, পুকুর খননের ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর পুকুর খনন বন্ধ রাখা হয়েছে। সরজমিন পরিদর্শন করে এব্যাপারে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।