সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

আরও এক বছর র‌্যাব ডিজি থাকছেন খুরশীদ হোসেন

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেনের চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৪ জুন। তবে আরও এক বছর তার চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। থাকছেন র‌্যাব ডিজির দায়িত্বেও। সরকারের উচ্চপর্যায়ে এমন সিদ্ধান্ত হওয়ার পর সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। খুরশীদ হোসেনকে স্বপদে বহাল রাখার বিষয়টি অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রীও। সব কাগজপত্র তৈরি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন তার চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে স্বপদে বহাল রাখার বিষয়টি মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর র‌্যাবের নবম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান খুরশীদ হোসেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি পান। চাকরি জীবনে ডিএমপির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন এম খুরশীদ হোসেন।]

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১২তম (পুলিশ) ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। সর্বশেষ তিনি পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

মেধাবী ও চৌকস পুলিশ অফিসার হিসেবে পরিচিতি এম খুরশীদ হোসেনের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে। ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি দুই বার পুলিশের সর্বোচ্চ পদক ‘বিপিএম’ ও একবার ‘পিপিএম’ পেয়েছেন।

খুরশীদ হোসেন নায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার তদারকি কর্মকর্তা ছিলেন। সেসময় খুরশীদ হোসেন আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে গ্রেফতার করেন। র‌্যাবের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরও খুরশীদ হোসেন অনেক কাজে সফল ও প্রশংসিত হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার’ সন্ধান ও তাদের মূলোৎপাটন। এছাড়া সিরাজগঞ্জে ৩২৩ জন সর্বহারা দলের সশস্ত্র সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের সেবায় সবসময় র‌্যাবের সহযোগিতা সহজ করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা করছেন এম খুরশীদ হোসেন।

সম্প্রতি আলাপকালে র‍্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘আমি এ বাহিনীকে আরও স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের কাজ করছেন। আমি চাই, র‌্যাব স্মার্ট বাহিনী হিসেবে কাজ করবে।’

তিনি বলেন, ‘আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, র‌্যাবের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। আমরা আইনের মধ্যে থেকে মানুষের পাশে থাকি। র‌্যাব বেআইনি কোনো কাজ করে না। এজন্যই মনে করি র‌্যাব ভালো কাজ করছে।’

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

আরও এক বছর র‌্যাব ডিজি থাকছেন খুরশীদ হোসেন

আপডেট সময় ০১:১০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেনের চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৪ জুন। তবে আরও এক বছর তার চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। থাকছেন র‌্যাব ডিজির দায়িত্বেও। সরকারের উচ্চপর্যায়ে এমন সিদ্ধান্ত হওয়ার পর সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। খুরশীদ হোসেনকে স্বপদে বহাল রাখার বিষয়টি অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রীও। সব কাগজপত্র তৈরি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন তার চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে স্বপদে বহাল রাখার বিষয়টি মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর র‌্যাবের নবম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান খুরশীদ হোসেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি পান। চাকরি জীবনে ডিএমপির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন এম খুরশীদ হোসেন।]

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১২তম (পুলিশ) ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। সর্বশেষ তিনি পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

মেধাবী ও চৌকস পুলিশ অফিসার হিসেবে পরিচিতি এম খুরশীদ হোসেনের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে। ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি দুই বার পুলিশের সর্বোচ্চ পদক ‘বিপিএম’ ও একবার ‘পিপিএম’ পেয়েছেন।

খুরশীদ হোসেন নায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার তদারকি কর্মকর্তা ছিলেন। সেসময় খুরশীদ হোসেন আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে গ্রেফতার করেন। র‌্যাবের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরও খুরশীদ হোসেন অনেক কাজে সফল ও প্রশংসিত হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার’ সন্ধান ও তাদের মূলোৎপাটন। এছাড়া সিরাজগঞ্জে ৩২৩ জন সর্বহারা দলের সশস্ত্র সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের সেবায় সবসময় র‌্যাবের সহযোগিতা সহজ করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা করছেন এম খুরশীদ হোসেন।

সম্প্রতি আলাপকালে র‍্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘আমি এ বাহিনীকে আরও স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের কাজ করছেন। আমি চাই, র‌্যাব স্মার্ট বাহিনী হিসেবে কাজ করবে।’

তিনি বলেন, ‘আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, র‌্যাবের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। আমরা আইনের মধ্যে থেকে মানুষের পাশে থাকি। র‌্যাব বেআইনি কোনো কাজ করে না। এজন্যই মনে করি র‌্যাব ভালো কাজ করছে।’

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল