রংপুরের তারাগঞ্জে ‘সবুজ থাকুক প্রকৃতি, নিরাপদ হোক আগামী প্রজন্ম’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নে প্রায় এক হাজার বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খিয়ারডাঙ্গা বড় কবরস্থান, খলেয়া-নন্দরাম থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিয়াবাড়ী পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এসব চারা রোপণ করা হয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব তহবিলের আওতায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো:মোনাব্বর হোসেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ৪ নম্বর হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু কুমারেশ চন্দ্র রায়। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের সব ইউপি সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও মো:মোনাব্বর হোসেন বলেন, গাছ মানুষের প্রকৃত বন্ধু। পৃথিবীকে শীতল ও বাসযোগ্য রাখতে গাছের কোনো বিকল্প নেই। সরকারি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ৮০০টি গাছের চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে আজ এক হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,তারাগঞ্জ উপজেলাকে সবুজে সাজাতে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নে বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিককে ব্যক্তি উদ্যোগে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানাই।
সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান বাবু কুমারেশ চন্দ্র রায় বলেন, হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ডের মাঝামাঝি সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ প্রজাতির গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের বনায়ন কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে চারা রোপণ করা হবে।
তিনি ইউনিয়নবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় সবাই অন্তত একটি করে চারা রোপণ করুন এবং সেটির পরিচর্যা করুন। একটি গাছ শুধু পরিবেশ নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সড়কের দুই পাশে রোপণ করা এসব চারা নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে বড় হলে একদিকে যেমন এলাকার সৌন্দর্য বাড়বে, অন্যদিকে ছায়া, ফল ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শফিউল মন্ডল(রংপুর) প্রতিনিধি 





















