ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর বিদ্যুৎ পেল কাশ্মীরের এক প্রত্যন্ত গ্রাম

স্বাধীনতার প্রায় ৭৫ বছর পর বিদ্যুৎ পেলেন দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্ত নাগ জেলার ডোরু ব্লকের প্রত্যন্ত গ্রাম তেথানের বাসিন্দারা। প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন প্যাকেজ প্রকল্পের অধীনে পাহাড়ি ওই গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। ওই গ্রামের লোক সংখ্যা আনুমানিক ২০০ জন। 

এতদিন ওই এলাকায় কোনো বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল না। ফলে সেখানে অন্ধকার নামলেই বিকল্প উপায়ে বাড়ি আলোকিত রাখতেন স্থানীয়রা। আলোর উৎস হিসেবে বাতি বা মোমবাতি জ্বলত বাড়িতে বাড়িতে। নির্ভর করতে হতো চাঁদের আলোর উপরও। গত রোববার (৮ জানুয়ারি) সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ হওয়ার পর প্রথমবার বাল্ব জানিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন গ্রামের বাসিন্দারা। তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য কাজ করার জন্য।

গ্রামের বাসিন্দা ফজুল উদ্দিন খান জানান, ‘আমরা আজ প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ দেখেছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা এখন বিদ্যুতের আলোতে লেখাপড়া করবে।’ তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা আমাদের শক্তির প্রয়োজনের জন্য কাঠের ওপর নির্ভর করতাম। আমাদের সমস্যা এখন সমাধান হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আমরা সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে কৃতজ্ঞ।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর বিদ্যুৎ পেল কাশ্মীরের এক প্রত্যন্ত গ্রাম

আপডেট সময় ০২:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৩

স্বাধীনতার প্রায় ৭৫ বছর পর বিদ্যুৎ পেলেন দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্ত নাগ জেলার ডোরু ব্লকের প্রত্যন্ত গ্রাম তেথানের বাসিন্দারা। প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন প্যাকেজ প্রকল্পের অধীনে পাহাড়ি ওই গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। ওই গ্রামের লোক সংখ্যা আনুমানিক ২০০ জন। 

এতদিন ওই এলাকায় কোনো বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল না। ফলে সেখানে অন্ধকার নামলেই বিকল্প উপায়ে বাড়ি আলোকিত রাখতেন স্থানীয়রা। আলোর উৎস হিসেবে বাতি বা মোমবাতি জ্বলত বাড়িতে বাড়িতে। নির্ভর করতে হতো চাঁদের আলোর উপরও। গত রোববার (৮ জানুয়ারি) সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ হওয়ার পর প্রথমবার বাল্ব জানিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন গ্রামের বাসিন্দারা। তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য কাজ করার জন্য।

গ্রামের বাসিন্দা ফজুল উদ্দিন খান জানান, ‘আমরা আজ প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ দেখেছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা এখন বিদ্যুতের আলোতে লেখাপড়া করবে।’ তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা আমাদের শক্তির প্রয়োজনের জন্য কাঠের ওপর নির্ভর করতাম। আমাদের সমস্যা এখন সমাধান হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আমরা সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে কৃতজ্ঞ।’