ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পার্বতীপুরে ইউএনও’র কাছে মাদক কেনাবেচা ও সেবন বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি ম্যাক্সিমস ৫০০ বইয়ের জন্য দেবব্রত মাজিকে স্বর্ণপদক কসবায় ৩৬০ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় ঝুঁকিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা  পবিপ্রবিতে চালু হলো হেলথ সায়েন্স অনুষদ পার্বতীপুরে পূবালী ব্যাংকের ৩ দিনব্যাপী ফ্রি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ধানের বিল আটকে টাকা দাবির অভিযোগ, ইউএনওর দ্বারস্থ গঙ্গাচড়ার কৃষক পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে জুলাই শহিদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমের ছবি এবারের বিশ্বকাপ থেকে যত টাকা আয় করল ফিফা

আল-আরাফাহ্‌ ব্যাংকের পর্ষদে ফিরলেন আওয়ামী আমলের শেয়ারধারীরা

আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিতর্কিত শেয়ারধারীদের ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমান পর্ষদ সদস্যদের সঙ্গে ১৪ জন পুরোনো শেয়ারধারী উদ্যোক্তাকে অন্তর্ভুক্ত করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পাঠানো চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হওয়ার কারণে আগের উদ্যোক্তাদের কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্য যেসব ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদের উদ্যোক্তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এই ব্যাংকের ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন। তাই তাদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পর্ষদে যুক্ত ১৪ সদস্য হলেন বদিউর রহমান, KDS খলিলুর রহমানের ছেলে সেলিম রহমান, আহামেদুল হক, রফিকুল ইসলাম, ইমাদুর রহমান, নাজমুল আহসান খালেদ, খলিলুর রহমান, আনোয়ার হোসাইন, আবদুস সালাম, লিয়াকত আলী চৌধুরী, এনায়েত উল্লা, কেডিএস গার্মেন্টসের প্রতিনিধি পরিচালক মাহবুব আহমেদ, কেডিএস টেক্সটাইলের পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও কেওয়াই স্টিল মিলের পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক শরিফ উদ্দিন তসলিম। মূলত বলা যায় কেডিএস গ্রুপের হাতেই গেছে এই ব্যাংক।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তখন ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন বিপুল অর্থ পাচারের অভিযোগের মুখে থাকা বিতর্কিত শিল্প মালিক এস আলমের (সাইফুল আলম) ভাই আবদুস সালাম লাবু।
তবে ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর পাঁচ সদস্যের স্বতন্ত্র পরিচালকে চলছিল ব্যাংকটি। নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ায় পর্ষদের সদস্যসংখ্যা হলো ১৯।
২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে খাজা শাহরিয়ারকে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পর্ষদের অন্য সদস্যরা হলেন মো. শাহীন উল ইসলাম, মো. আবদুল ওয়াদুদ, এম আবু ইউসুফ ও মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আল-আরাফাহ্‌ ব্যাংকের পর্ষদে ফিরলেন আওয়ামী আমলের শেয়ারধারীরা

আপডেট সময় ১২:২৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিতর্কিত শেয়ারধারীদের ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমান পর্ষদ সদস্যদের সঙ্গে ১৪ জন পুরোনো শেয়ারধারী উদ্যোক্তাকে অন্তর্ভুক্ত করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পাঠানো চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হওয়ার কারণে আগের উদ্যোক্তাদের কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্য যেসব ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদের উদ্যোক্তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এই ব্যাংকের ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন। তাই তাদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পর্ষদে যুক্ত ১৪ সদস্য হলেন বদিউর রহমান, KDS খলিলুর রহমানের ছেলে সেলিম রহমান, আহামেদুল হক, রফিকুল ইসলাম, ইমাদুর রহমান, নাজমুল আহসান খালেদ, খলিলুর রহমান, আনোয়ার হোসাইন, আবদুস সালাম, লিয়াকত আলী চৌধুরী, এনায়েত উল্লা, কেডিএস গার্মেন্টসের প্রতিনিধি পরিচালক মাহবুব আহমেদ, কেডিএস টেক্সটাইলের পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও কেওয়াই স্টিল মিলের পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক শরিফ উদ্দিন তসলিম। মূলত বলা যায় কেডিএস গ্রুপের হাতেই গেছে এই ব্যাংক।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তখন ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন বিপুল অর্থ পাচারের অভিযোগের মুখে থাকা বিতর্কিত শিল্প মালিক এস আলমের (সাইফুল আলম) ভাই আবদুস সালাম লাবু।
তবে ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর পাঁচ সদস্যের স্বতন্ত্র পরিচালকে চলছিল ব্যাংকটি। নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ায় পর্ষদের সদস্যসংখ্যা হলো ১৯।
২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে খাজা শাহরিয়ারকে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পর্ষদের অন্য সদস্যরা হলেন মো. শাহীন উল ইসলাম, মো. আবদুল ওয়াদুদ, এম আবু ইউসুফ ও মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান।