টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি আর সহায়-সম্বল। এই কঠিন দুর্যোগে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াতে এক অনন্য ও মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে নীলফামারীর তরুণদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তারুণ্যের আলো সেবা সংঘ’। সংগঠনের একঝাঁক উদ্যমী তরুণের সাথে এই কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশিষ্ট তরুণ সমাজসেবক মোঃ রাশেদুজ্জামান জিহাদ।
বন্যা কবলিত অসহায় পরিবারগুলোর মুখে একটু হাসি ফোটাতে এবং তাদের জরুরি খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।
সরাসরি ও অনলাইনে অনুদান সংগ্রহের উদ্যোগ
বানভাসি মানুষের জন্য ত্রাণ সামগ্রী ও তহবিল গঠনের লক্ষ্যে ‘তারুণ্যের আলো সেবা সংঘ’ দ্বিমুখী সেবা চালু করেছে। যে কেউ চাইলে সরাসরি অথবা ঘরে বসেই এই মানবিক কার্যক্রমে শরিক হতে পারেন।
সরাসরি অনুদান কেন্দ্র (বুথ):
নীলফামারীর ঐতিহাসিক ‘বড় মাঠ’ প্রাঙ্গণে সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বুথ স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে গিয়ে নগদ অর্থ, শুকনো খাবার, জরুরি ওষুধ বা কাপড়-চোপড় সরাসরি প্রদান করা যাবে।
অনলাইন অনুদান:
যারা সশরীরে উপস্থিত হতে পারছেন না, তাদের সুবিধার্থে অনলাইনেও অনুদান পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। (সংগঠনের নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনুদান পাঠানো যাবে)।
“আমাদের ছোট একটি অবদান হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারকে।”
— তারুণ্যের আলো সেবা সংঘ
তরুণদের এই উদ্যোগে আপনার অংশগ্রহণ জরুরি
কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের পক্ষে এত বড় দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। মোঃ রাশেদুজ্জামান জিহাদ এবং ‘তারুণ্যের আলো সেবা সংঘ’-এর এই মানবিক আহ্বান নীলফামারীর সর্বস্তরের মানুষের প্রতি। আসুন, আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন, ওষুধ কিংবা নগদ অর্থ নিয়ে বড় মাঠের বুথে এসে দাঁড়াই।
আপনার দেওয়া সামান্য সাহায্যই হতে পারে কোনো বন্যাকবলিত পরিবারের বেঁচে থাকার অবলম্বন।
আসুন, মানবতার টানে এগিয়ে আসি সবাই!
আল মিজান ইসলাম-নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি 



















